টপিক 11 / ৫৮ব্রিটিশ শাসন ও আন্দোলন📖 স্টাডি নোট

টপিক ১১: ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব (১৯০০–১৯৭১)

অধ্যায় ১১: যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ও ১৯৫৬ সালের সংবিধান #

🎖️ ঐতিহাসিক চার নেতার কালজয়ী সংস্কার ও রাজনৈতিক অবদান #

  • শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক (১৮৭৩–১৯৬২): জন্ম বরিশালের রাজাপুরের সাতুরিয়া। ১৯৩৬ সালে কৃষক প্রজা পার্টি (KPP) গঠন করেন। ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হন। তাঁর যুগান্তকারী সংস্কার: মহাজনি আইন, বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন (সংশোধিত ১৯৩৮), বেঙ্গল এগ্রিকালচারাল ডেটরস অ্যাক্ট (ঋণ সালিশি বোর্ড স্থাপন—যার ফলে লাখ লাখ নিঃস্ব কৃষক ঋণের দাসত্ব থেকে জমি ফেরত পায়) এবং জমিদারি উচ্ছেদের জন্য ফ্লাউড কমিশন গঠন।
  • হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী (১৮৯২–১৯৬৩): জন্ম মেদিনীপুরে। গণতন্ত্রের মানসপুত্র নামে খ্যাত। ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগের বিজয়ের রূপকার ও অবিভক্ত বাংলার শেষ প্রধানমন্ত্রী/মুখ্যমন্ত্রী। ১৯৪৭ সালে শরৎ বসুর সাথে মিলে ‘স্বাধীন অখণ্ড বাংলা’ (United Bengal) গঠনের উদ্যোগ নেন। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর লেবাননের বৈরুতে মৃত্যুবরণ করেন।
  • মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী (১৮৮০–১৯৭৬): জন্ম সিরাজগঞ্জের ধানগড়া। আসামে ভাসানচরে কৃষক সমাবেশ করে ‘ভাসানী’ উপাধি পান। ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ১৯৫৭ সালে ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীকে বিদায়ের পূর্বাভাস দিয়ে বলেন—“আসসালামু আলাইকুম”। ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা বাঁধের প্রতিবাদে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ পরিচালনা করেন।