টপিক 18 / ৫৮মহান মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১📖 স্টাডি নোট
টপিক ১৮: খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ
অধ্যায় ১৮: মুক্তিযুদ্ধে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ও ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় #
🎖️ বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব ও ৭ বীরশ্রেষ্ঠের বিশদ প্রোফাইল (গেজেট সংশোধনী সহ) #
- খেতাবের ক্রম ও সংখ্যা (সর্বশেষ সরকারি হিসাব):
- বীরশ্রেষ্ঠ: ৭ জন (সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব)
- বীর উত্তম: ৬৭ জন (পূর্বে ৬৮ জন ছিল; বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকায় মেজর ডালিম সহ ৪ জনের খেতাব বাতিল করা হয়)
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন (পূর্বে ১৭৫ জন ছিল; নূর চৌধুরীর খেতাব বাতিল)
- বীর প্রতীক: ৪২৪ জন (পূর্বে ৪২৬ জন ছিল; রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেম উদ্দিনের খেতাব বাতিল)
- বীরশ্রেষ্ঠদের শাহাদাত ক্রম:
- ১ম শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ: মোস্তফা কামাল (১৭ এপ্রিল ১৯৭১, দরুইন আখাউড়া, ২ নং সেক্টর)
- ২য় শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ: মুন্সী আব্দুর রউফ (২০ এপ্রিল ১৯৭১, বুড়িঘাট রাঙামাটি, ১ নং সেক্টর)
- ৩য় শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ: মতিউর রহমান (২০ আগস্ট ১৯৭১, করাচির থাট্টা, বিমানবাহিনী)
- ৪র্থ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ: নূর মোহাম্মদ শেখ (৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১, গোয়ালহাটি যশোর, ৮ নং সেক্টর)
- ৫ম শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ: হামিদুর রহমান (২৮ অক্টোবর ১৯৭১, ধলই শ্রীমঙ্গল, ৪ নং সেক্টর)
- ৬ষ্ঠ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ: রুহুল আমিন (১০ ডিসেম্বর ১৯৭১, রূপসা খুলনা, ১০ নং সেক্টর)
- ৭ম ও শেষ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ: ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর (১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, রেহাইচর নবাবগঞ্জ, ৭ নং সেক্টর)
৩.৫ বীরত্বসূচক খেতাব ও ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠের পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত #
স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ তারিখে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৪টি স্তরে মোট ৬৭৬ জন (পরবর্তীতে ২০২১ সালে ৪ জনের খেতাব বাতিল হওয়ায় বর্তমানে ৬৭২ জন) মুক্তিযোদ্ধাকে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করে:
| খেতাবের নাম | মর্যাদার ক্রম | প্রাপকের সংখ্যা (১৯৭৩ গেজেট) | বর্তমান সংখ্যা | বিশেষ তথ্য |
|---|---|---|---|---|
| ১. বীরশ্রেষ্ঠ (Bir Sreshtho) | ১ম (সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব) | ৭ জন | ৭ জন | সকলেই যুদ্ধে শহিদ হয়েছেন (মরণোত্তর)। |
| ২. বীরউত্তম (Bir Uttom) | ২য় | ৬৮ জন | ৬৭ জন | একমাত্র বেসামরিক বীরউত্তম: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। |
| ৩. বীরবিক্রম (Bir Bikrom) | ৩য় | ১৭৫ জন | ১৭৪ জন | সর্বকনিষ্ঠ বীরবিক্রম (১৩ বছর): শহিদ মোহাম্মদ আবু সালেক। |
| ৪. বীরপ্রতীক (Bir Protik) | ৪র্থ | ৪২৬ জন | ৪২৪ জন | সর্বকনিষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা (১৩ বছর): শহিদুল ইসলাম লালু (বীরপ্রতীক)। একমাত্র বিদেশি খেতাবপ্রাপ্ত: ডাচ-অস্ট্রেলীয় নাগরিক উইলিয়াম এ. এস. ওডারল্যান্ড (বীরপ্রতীক)। খেতাবপ্রাপ্ত ২ জন নারী: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম ও তারামন বিবি। |
| সর্বমোট | — | ৬৭৬ জন | ৬৭২ জন | মুক্তিবার্তা (লাল বই) অনুসারে তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা লক্ষাধিক। |
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত ও অংশগ্রহণকারী বরেণ্য নারী মুক্তিযোদ্ধাগণ:
- ক্যাপ্টেন (ডা.) সিতারা বেগম (বীরপ্রতীক): কিশোরগঞ্জে জন্ম; ২ নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর এ টি এম হায়দারের বোন। মেলাঘরে ‘বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল’ (৪৮০ শয্যার)-এর কমান্ডিং অফিসার হিসেবে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সেবা দেন।
- তারামন বিবি (বীরপ্রতীক): কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার শংকর মাধবপুর গ্রামে জন্ম। ১১ নং সেক্টরে (মুহিব হাবিলদারের অনুপ্রেরণায় ও মেজর আবু তাহেরের অধীনে) অস্ত্র হাতে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন। ১ ডিসেম্বর ২০১৮ মৃত্যুবরণ করেন।
- কাঁকন বিবি (মুক্তিবেটি): সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে বসবাসরত খাসিয়া সম্প্রদায়ের নারী মুক্তিযোদ্ধা। ৫ নং সেক্টরে গুপ্তচর ও সশস্ত্র যোদ্ধা হিসেবে ২০টি যুদ্ধে অংশ নেন।
৭ জন বীরশ্রেষ্ঠের পূর্ণাঙ্গ তুলনামূলক ছক (জন্ম, বাহিনী, সেক্টর, শাহাদাত ও সমাধি) #
| বীরশ্রেষ্ঠের নাম ও পদবি | বাহিনী | জন্মস্থান (জেলা) | সেক্টর নং | শাহাদাতের তারিখ ও স্থান | সমাধিস্থল (কবর) ও বিশেষ তথ্য |
|---|---|---|---|---|---|
| ১. সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল | সেনাবাহিনী (৪র্থ ইস্ট বেঙ্গল) | হাজীপুর, দৌলতখান, ভোলা | ২ নং | ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ (সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে সর্বপ্রথম শহিদ); দরুইন গ্রাম, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। | দরুইন গ্রাম, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। একাই এলএমজি দিয়ে শত্রুদের রুখে দিয়ে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচান। |
| ২. ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ | ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) | সালামতপুর (রউফ নগর), বোয়ালমারী, ফরিদপুর | ১ নং | ২০ এপ্রিল ১৯৭১ (মতান্তরে ৮ এপ্রিল); বুড়িঘাট, নানিয়ারচর, রাঙামাটি। | বুড়িঘাট, নানিয়ারচর, রাঙামাটি (কাপ্তাই হ্রদের ছোট্ট দ্বীপে; ১৯৯৬ সালে দ্যশপ্রিয় চাকমা সমাধিটি চিহ্নিত করেন)। শত্রুর ৭টি স্পিডবোট ও ২টি লঞ্চ ডুবিয়ে দেন। |
| ৩. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান | বিমানবাহিনী | পৈতৃক নিবাস: রামনগর (মতিউর নগর), রায়পুরা, নরসিংদী (জন্ম: আগাসাদেক রোড, ঢাকা) | বিমানবাহিনী (সেক্টর বহির্ভূত) | ২০ আগস্ট ১৯৭১; পাকিস্তানের করাচির মৌরিপুর বিমানঘাঁটি থেকে টি-৩৩ (T-33) প্রশিক্ষণ বিমান (‘ব্লু-বার্ড ১৬৬’) ছিনতাই করে ভারতে আসার পথে সিন্ধুর থর মরুভূমির ছোর (ঠাট্টা) এলাকায় বিমান বিধ্বস্ত হয়ে শহিদ হন। | প্রথমে পাকিস্তানের মশরুর বিমানঘাঁটিতে দাফন করা হয়। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২৪ জুন ২০০৬ তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে এনে মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। (তাঁর জীবনী নিয়ে চলচ্চিত্র: ‘অস্তিত্বে আমার দেশ’)। |
| ৪. ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ | ইপিআর | মহিষখোলা (বর্তমান নূর মোহাম্মদ নগর), নড়াইল সদর, নড়াইল | ৮ নং | ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১; গোয়ালহাটি ও ছুটিপুর ক্যাম্প, ঝিকরগাছা, যশোর। | কাশিপুর গ্রাম, শার্শা, যশোর। আহত সহযোদ্ধা নান্নু মিয়াকে কাঁধে নিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। |
| ৫. সিপাহী হামিদুর রহমান | সেনাবাহিনী (১ম ইস্ট বেঙ্গল) | খোর্দ খালিশপুর (হামিদনগর), মহেশপুর, ঝিনাইদহ (জন্ম: চব্বিশ পরগনা) | ৪ নং (ও ৮ নং) | ২৮ অক্টোবর ১৯৭১; ধলই সীমান্ত ফাঁড়ি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার। (সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ — বয়স মাত্র ১৮ বছর) | প্রথমে ভারতের ত্রিপুরার আম্বাসা গ্রামে দাফন করা হয়। পরবর্তীতে ১০ ডিসেম্বর ২০০৭ তাঁর দেহাবশেষ দেশে এনে মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়। |
| ৬. ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন | নৌবাহিনী | বাগপাঁচড়া (রুহুল আমিন নগর), সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী | ১০ নং (ও ৯ নং) | ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১; খুলনার রূপসা নদীতে যুদ্ধজাহাজ ‘বিএনএস পলাশ’ ধ্বংস হলে তীরে ওঠার পর রাজাকারদের হাতে শহিদ হন। | বাগমারা গ্রাম, রূপসা নদীর তীর, খুলনা। |
| ৭. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর | সেনাবাহিনী (ইঞ্জিনিয়ারিং কোর) | রহিমগঞ্জ (জাহাঙ্গীর নগর), বাবুগঞ্জ, বরিশাল | ৭ নং | ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ (সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে সর্বশেষ শহিদ); চাঁপাইনবাবগঞ্জের বারঘরিয়ায় মহানন্দা নদীর তীরে রেহাইচর গ্রামে শত্রুর বাংকার ধ্বংসকালে কপালে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ হন। | চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে। |
১৮.২ বুদ্ধিজীবী শহীদ ও আত্মসমর্পণ দলিল — মাস্টার রেফারেন্স সারণি #
| মুক্তিযুদ্ধের বিষয় / সেক্টর / বীরশ্রেষ্ঠ | দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি / কমান্ডার / অবস্থান | সময়কাল / ভৌগোলিক সীমা / পদবি | বিশেষ অবদান, সমাধিস্থল ও পরীক্ষার মূল তথ্য |
|---|---|---|---|
| বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর | জন্ম: রহিমগঞ্জ, বাবুগঞ্জ, বরিশাল; বাহিনী: সেনাবাহিনী | শাহাদাত: ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ (চাঁপাইনবাবগঞ্জের রেহাইচর, ৭নং সেক্টর) | সমাধিস্থল: ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণ, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ (সর্বশেষ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ) |
| বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান | জন্ম: খোর্দ্দ খালিশপুর, মহেশপুর, ঝিনাইদহ; বাহিনী: সেনাবাহিনী | শাহাদাত: ২৮ অক্টোবর ১৯৭১ (ধলই সীমান্ত ফাঁড়ি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ৪নং সেক্টর) | প্রথমে ত্রিপুরার আমবাসায় সমাহিত; ১০ ডিসেম্বর ২০০৭ মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনঃসমাহিত (সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ) |
| বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল | জন্ম: পশ্চিম হাজীপুর, দৌলতখান, ভোলা; বাহিনী: ইপিআর (সেনা) | শাহাদাত: ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ (দরুইন গ্রাম, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২নং সেক্টর) | সমাধিস্থল: আখাউড়ার দরুইন গ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া |
| বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান | জন্ম: আগাসাদেক রোড, ঢাকা (পৈতৃক নিবাস: রামনগর, রায়পুরা, নরসিংদী); বিমানবাহিনী | শাহাদাত: ২০ আগস্ট ১৯৭১ (টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান ‘ব্লু বার্ড-১৬৬’ ছিনতাইকালে সিন্ধুর থাট্টায় বিধ্বস্ত) | প্রথমে করাচির মাশরুর ঘাঁটিতে সমাহিত; ২৪ জুন ২০০৬ মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনঃসমাহিত |
| বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ | জন্ম: মহিষখোলা (বর্তমান নূর মোহাম্মদনগর), নড়াইল; বাহিনী: ইপিআর | শাহাদাত: ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ (গোয়ালহাটি ও ছুটিপুর, যশোর, ৮নং সেক্টর) | সমাধিস্থল: কাশীপুর গ্রাম, শার্শা, যশোর |
| বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ | জন্ম: সালামতপুর (রউফনগর), বোয়ালমারী, ফরিদপুর; বাহিনী: ইপিআর | শাহাদাত: ৮ এপ্রিল ১৯৭১ (বুড়িঘাট, নানিয়ারচর, রাঙামাটি, ১নং সেক্টর) | সমাধিস্থল: কাপ্তাই হ্রদের বুড়িঘাট দ্বীপ, নানিয়ারচর, রাঙামাটি (প্রথম শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ) |
| বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন | জন্ম: বাঘপাড়া (রুহুল আমিন নগর), সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী; নৌবাহিনী | শাহাদাত: ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ (রূপসা নদীতে রণতরী ‘বিএনএস পলাশ’ ধ্বংসকালে, ১০নং সেক্টর) | সমাধিস্থল: বাগমারা গ্রাম, রূপসা নদীর তীর, খুলনা |
| নারী বীরপ্রতীক ও একমাত্র বিদেশি বীরপ্রতীক | মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট ৬৭৬ জন (বর্তমানে ৬৭২ জন) | নারী বীরপ্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম (২নং সেক্টর) ও তারামন বিবি (১১নং সেক্টর) | একমাত্র বিদেশি বীরপ্রতীক: ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড (জন্ম নেদারল্যান্ডস, নাগরিকত্ব অস্ট্রেলিয়া, ২নং সেক্টর) |
📋 ১৮. বীরশ্রেষ্ঠ ও খেতাবপ্রাপ্ত যোদ্ধা — মূল পয়েন্ট ও তথ্য-সারসংক্ষেপ সারণি #
| বিষয় / শিরোনাম / মূল এন্টিটি | প্রধান তথ্য ও বিবরণ | অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য ও প্রাসঙ্গিক তথ্য | সিলেবাস অধ্যায় ও পরীক্ষার গুরুত্ব |
|---|---|---|---|
| ক্যাপ্টেন (ডা.) সিতারা বেগম (বীরপ্রতীক) | কিশোরগঞ্জে জন্ম | ২ নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর এ টি এম হায়দারের বোন | ১৮. বীরশ্রেষ্ঠ ও খেতাবপ্রাপ্ত যোদ্ধা (মহান মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১) |
| তারামন বিবি (বীরপ্রতীক) | কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার শংকর মাধবপুর গ্রামে জন্ম | ১১ নং সেক্টরে (মুহিব হাবিলদারের অনুপ্রেরণায় ও মেজর আবু তাহেরের অধীনে) অস্ত্র হাতে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন | ১৮. বীরশ্রেষ্ঠ ও খেতাবপ্রাপ্ত যোদ্ধা (মহান মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১) |
| কাঁকন বিবি (মুক্তিবেটি) | সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে বসবাসরত খাসিয়া সম্প্রদায়ের নারী মুক্তিযোদ্ধা | ৫ নং সেক্টরে গুপ্তচর ও সশস্ত্র যোদ্ধা হিসেবে ২০টি যুদ্ধে অংশ নেন | ১৮. বীরশ্রেষ্ঠ ও খেতাবপ্রাপ্ত যোদ্ধা (মহান মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১) |
| তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা | মর্যাদার ক্রমানুসারে ৪টি বীরত্বসূচক খেতাব হলো: ১ম বীরশ্রেষ্ঠ (৭ জন), ২য় বীরউত্তম (৬৮/৬৭ জন), ৩য় বীরবিক্রম (১৭৫/১৭৪ জন) এবং ৪র্থ বীরপ্রতীক (৪২৬/৪২৪ জন) | 📝 টপিকভিত্তিক বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্নোত্তর অনুশীলন (টপিক ১৮) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ১৮. বীরশ্রেষ্ঠ ও খেতাবপ্রাপ্ত যোদ্ধা (মহান মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১) |
| তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা | ২৮ অক্টোবর ১৯৭১ মৌলভীবাজারের ধলই সীমান্ত ফাঁড়িতে শহিদ হওয়া সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানকে প্রথমে ভারতের ত্রিপুরার আম্বাসায় দাফন করা হয়েছিল | পরবর্তীতে ১০ ডিসেম্বর ২০০৭ তাঁর দেহাবশেষ দেশে এনে মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের (যাঁর দেহাবশেষ ২৪ জুন ২০০৬ পাকিস্তান থেকে আনা হয়েছিল) কবরের পাশে সমাহিত করা হয় | ১৮. বীরশ্রেষ্ঠ ও খেতাবপ্রাপ্ত যোদ্ধা (মহান মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১) |