টপিক 27 / ৫৮সংবিধান ও সরকার ব্যবস্থা📖 স্টাডি নোট

টপিক ২৭: বিচার বিভাগ ও বাংলাদেশের আদালত ব্যবস্থা

অধ্যায় ২৭: নির্বাচন কমিশন ও বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা #

৬.৫ বিচার বিভাগ (Judiciary of Bangladesh) #

  • সর্বোচ্চ আদালত: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট (অনুচ্ছেদ ৯৪; উদ্বোধন ১৮ ডিসেম্বর ১৯৭২)। এর দুটি বিভাগ রয়েছে:
    1. আপিল বিভাগ (Appellate Division): প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য আপিল বিচারকদের নিয়ে গঠিত। বর্তমান প্রধান বিচারপতি: বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী (২৬তম প্রধান বিচারপতি)। বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা (হাইকোর্ট ও আপিল উভয় বিভাগেই প্রথম নারী বিচারপতি)।
    2. হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division): আদিম এখতিয়ার, আপিল শুনানি এবং সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে রিট (Writ) শুনানি করে।
  • অধস্তন আদালত (Subordinate Courts):
    • দেওয়ানি আদালত (Civil Courts — ৫ স্তর): জেলা জজ আদালত ➔ অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত ➔ যুগ্ম জেলা জজ আদালত ➔ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ➔ সহকারী জজ আদালত।
    • ফৌজদারি আদালত (Criminal Courts): দায়রা জজ আদালত (জেলা পর্যায়ে) ও মহানগর দায়রা জজ আদালত এবং ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট / চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রথম/দ্বিতীয়/তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট)।
    • গ্রামীণ পর্যায়ে: গ্রাম আদালত (১৯৭৬ সালের অধ্যাদেশ ও ২০০৬ সালের গ্রাম আদালত আইন অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ৫ সদস্যের বেঞ্চ — বাদী পক্ষের ২ জন ও বিবাদী পক্ষের ২ জন; সর্বোচ্চ ৭৫,০০০ টাকা মূল্যমানের দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে)।
  • বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ ও স্বাধীন সচিবালয়:
    • সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের নির্দেশ রয়েছে।
    • ১৯৯৯ সালে ঐতিহাসিক ‘মাসদার হোসেন বনাম সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়’ মামলায় আপিল বিভাগ ১২ দফা নির্দেশনা প্রদান করে।
    • এর আলোকে ১ নভেম্বর ২০০৭ ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক হয়।
    • সর্বশেষ ৩০ নভেম্বর ২০২৫ বিচার বিভাগের পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ‘স্বাধীন বিচার বিভাগ সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

২৭.২ নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন ইতিহাস — মাস্টার রেফারেন্স সারণি #

প্রশাসনিক সংস্থা / বিভাগ / আইন গঠনকাল / অনুচ্ছেদ / সদর দপ্তর প্রধান কর্মকর্তা / কাঠামো / সংখ্যা কার্যাবলি ও পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট (আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ) উদ্বোধন: ১৮ ডিসেম্বর ১৯৭২ (সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদ) দেশের সর্বোচ্চ আদালত ও ‘কোর্ট অব রেকর্ড’; বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি: বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম সুপ্রিম কোর্টের মনোগ্রামে খচিত রয়েছে ‘ন্যায়দণ্ড বা দাঁড়িপাল্লা’; বিচারকদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর
নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ কার্যকর: ১ নভেম্বর ২০০৭ (সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদ) ১৯৯৯ সালের ঐতিহাসিক ‘মাসদার হোসেন বনাম রাষ্ট্র’ মামলার ১২ দফা নির্দেশনার আলোকে বাস্তবায়িত ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধনের মাধ্যমে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পৃথক করা হয়
গ্রাম আদালত (Village Court) গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ (সংশোধিত ২০২৪) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ৫ জন সদস্য (বাদী ও বিবাদী পক্ষের ২ জন করে প্রতিনিধি) নিয়ে গঠিত সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা মূল্যমানের দেওয়ানি ও ক্ষুদ্র ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষমতা রাখে; এখানে আইনজীবী নিয়োগ নিষিদ্ধ

📚 অতিরিক্ত মাস্টার তথ্যভাণ্ডার ও জব ফোকাসড রেফারেন্স সারণি #

বিষয় / ব্যক্তিত্ব / প্রতিষ্ঠান ও সময়কাল প্রধান পরিচয় / অবস্থান / আইন মূল কীর্তি / বৈশিষ্ট্য ও কাঠামো বিসিএস ও সরকারি চাকরি পরীক্ষার বিশেষ তথ্য
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট (সর্বোচ্চ আদালত) সংবিধানের ৯৪(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত (উদ্বোধন: ১৮ ডিসেম্বর ১৯৭২) দুটি বিভাগে বিভক্ত: (১) আপিল বিভাগ (Appellate Division) এবং (২) হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division) সদর দপ্তর: রমনা, ঢাকা; সুপ্রিম কোর্ট হলো ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ (অনুচ্ছেদ ১০৮)
প্রধান বিচারপতি ও বিচারক নিয়োগ সংবিধানের ৯৫ ও ৯৬ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারক নিযুক্ত হন; অবসরের বয়সসীমা ৬৭ বছর (চতুর্দশ সংশোধনী, ২০০৪) বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি: বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম; সুপ্রিম কোর্টের প্রথম নারী বিচারপতি: নাজমুন আরা সুলতানা
হাইকোর্ট বিভাগের রিট এখতিয়ার (Writ Jurisdiction) সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ (এবং মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ অনুচ্ছেদ ৪৪) মৌলিক অধিকার বলবৎ ও সরকারি কাজের বৈধতা পরীক্ষার জন্য ৫ প্রকারের রিট আদেশ জারি করতে পারে ৫টি রিট: বন্দী প্রদর্শন (Habeas Corpus), পরমাদেশ (Mandamus), নিষেধাজ্ঞা (Prohibition), উৎপ্রেষণ (Certiorari) ও কারণ দর্শাও (Quo Warranto)
আপিল বিভাগের এখতিয়ার ও উপদেষ্টামূলক ক্ষমতা সংবিধানের ১০৩, ১০৪, ১০৫ ও ১০৬ অনুচ্ছেদ হাইকোর্ট বিভাগের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ (১০৩), ‘সম্পূর্ণ ন্যায়বিচার’ বা Complete Justice পরোয়ানা জারি (১০৪) ও রায় পুনর্বিবেচনা বা Review (১০৫) অনুচ্ছেদ ১০৬ অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে রাষ্ট্রপতি আপিল বিভাগের মতামত (Advisory Jurisdiction) চাইতে পারেন
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল (Supreme Judicial Council) সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ (ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের মাধ্যমে পুনর্বহাল) প্রধান বিচারপতি এবং পরবর্তী জ্যেষ্ঠতম দুইজন বিচারককে নিয়ে ৩ সদস্যবিশিষ্ট কাউন্সিল গঠিত বিচারকদের আচরণবিধি নির্ধারণ এবং অসামর্থ্য বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগ তদন্ত করে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ প্রেরণ করে
অধস্তন দেওয়ানি আদালতের স্তরক্রম (৫টি স্তর) দেওয়ানি আদালত আইন ১৮৮৭ (Civil Courts Act 1887, সংশোধিত ২০২১) ১. জেলা জজ আদালত ➔ ২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত ➔ ৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত ➔ ৪. সিনিয়র সিভিল জজ আদালত (পূর্বনাম: সিনিয়র সহকারী জজ) ➔ ৫. সিভিল জজ আদালত (পূর্বনাম: সহকারী জজ) [Civil Courts (Amendment) Act, 2026] সহকারী জজ সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা এবং সিনিয়র সহকারী জজ সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ টাকা মূল্যমানের দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার করেন
অধস্তন ফৌজদারি দায়রা আদালতের স্তরক্রম (৩টি স্তর) ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ (CrPC 1898) জেলা পর্যায়ে: ১. দায়রা জজ আদালত ➔ ২. অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত ➔ ৩. যুগ্ম দায়রা জজ আদালত মহানগর পর্যায়ে (ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, গাজীপুর): মহানগর দায়রা জজ ➔ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ➔ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের স্তরক্রম (৪টি স্তর) ১ নভেম্বর ২০০৭ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের মাধ্যমে গঠিত জেলা পর্যায়ে: ১. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM) ➔ ২. অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ➔ ৩. সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (১ম শ্রেণি) ➔ ৪. জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (২য় ও ৩য় শ্রেণি) মহানগর এলাকায়: চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM) ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ (২০০৭) সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদ ও ঐতিহাসিক ‘মাসদার হোসেন বনাম রাষ্ট্র’ মামলা (১৯৯৯) ড. ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ১ নভেম্বর ২০০৭ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন (BJSC) গঠনের মাধ্যমে বিচারকদের স্বতন্ত্র নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু হয়
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল (Administrative Tribunal) সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদ এবং প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আইন ১৯৮০ প্রজাতন্ত্রের সরকারি কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি, জ্যেষ্ঠতা, বরখাস্ত ও চাকরির শর্তাবলি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে ‘প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালে’ আপিল করা যায়
অ্যাটর্নি জেনারেল (রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা) সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেন (রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টি অনুযায়ী পদে বহাল থাকেন) বাংলাদেশের প্রথম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন ফকির সাহাবুদ্দীন আহমদ; তিনি সংসদে বক্তব্য রাখতে পারেন কিন্তু ভোট দিতে পারেন না
গ্রাম আদালত ও পারিবারিক আদালত গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ (সংশোধিত ২০২৪) ও পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ (Family Courts Act, 2023; যা পূর্বতন পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ রহিত ও প্রতিস্থাপন করেছে) ইউনিয়ন পরিষদে ৫ সদস্যের গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকার বিরোধ নিষ্পত্তি করে (আইনজীবী নিয়োগ নিষিদ্ধ) সহকারী জজ আদালত ‘পারিবারিক আদালত’ হিসেবে বিবাহবিচ্ছেদ, দেনমোহর, খোরপোষ ও অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত মামলার বিচার করে

📋 ২৭. বিচার বিভাগ ও আদালত — মূল পয়েন্ট ও তথ্য-সারসংক্ষেপ সারণি #

বিষয় / শিরোনাম / মূল এন্টিটি প্রধান তথ্য ও বিবরণ অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য ও প্রাসঙ্গিক তথ্য সিলেবাস অধ্যায় ও পরীক্ষার গুরুত্ব
সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট (অনুচ্ছেদ ৯৪ উদ্বোধন ১৮ ডিসেম্বর ১৯৭২) ২৭. বিচার বিভাগ ও আদালত (সংবিধান ও সরকার ব্যবস্থা)
আপিল বিভাগ (Appellate Division) প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য আপিল বিচারকদের নিয়ে গঠিত বর্তমান প্রধান বিচারপতি: বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী (২৬তম প্রধান বিচারপতি) ২৭. বিচার বিভাগ ও আদালত (সংবিধান ও সরকার ব্যবস্থা)
হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division) আদিম এখতিয়ার, আপিল শুনানি এবং সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে রিট (Writ) শুনানি করে ৫ বিচার বিভাগ (Judiciary of Bangladesh) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ২৭. বিচার বিভাগ ও আদালত (সংবিধান ও সরকার ব্যবস্থা)
দেওয়ানি আদালত (Civil Courts — ৫ স্তর) জেলা জজ আদালত ➔ অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত ➔ যুগ্ম জেলা জজ আদালত ➔ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ➔ সহকারী জজ আদালত ৫ বিচার বিভাগ (Judiciary of Bangladesh) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ২৭. বিচার বিভাগ ও আদালত (সংবিধান ও সরকার ব্যবস্থা)
ফৌজদারি আদালত (Criminal Courts) দায়রা জজ আদালত (জেলা পর্যায়ে) ও মহানগর দায়রা জজ আদালত এবং ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট / চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রথম/দ্বিতীয়/তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট) ৫ বিচার বিভাগ (Judiciary of Bangladesh) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ২৭. বিচার বিভাগ ও আদালত (সংবিধান ও সরকার ব্যবস্থা)
গ্রামীণ পর্যায়ে গ্রাম আদালত (১৯৭৬ সালের অধ্যাদেশ ও ২০০৬ সালের গ্রাম আদালত আইন অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ৫ সদস্যের বেঞ্চ — বাদী পক্ষের ২ জন ও বিবাদী পক্ষের ২ জন সর্বোচ্চ ৭৫,০০০ টাকা মূল্যমানের দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে) ২৭. বিচার বিভাগ ও আদালত (সংবিধান ও সরকার ব্যবস্থা)
তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা ১৯৮০ সালে বিসিএস ক্যাডার সার্ভিস গঠিত হয় (প্রথমে ১৪টি, পরে ৩০টি, ২৮টি এবং ২০১৮ সালের ১৩ নভেম্বর ইকোনমিক ক্যাডারকে প্রশাসন ক্যাডারের সাথে একীভূত করার পর বর্তমানে বিসিএস ক্যাডার সংখ্যা ২৬টি — সাধারণ ক্যাডার ১২টি ও পেশাগত/কারিগরি ক্যাডার ১৪টি) আর সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদে সরকারি কর্মচারীদের চাকরি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ‘প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল’ প্রতিষ্ঠার বিধান রয়েছে ২৭. বিচার বিভাগ ও আদালত (সংবিধান ও সরকার ব্যবস্থা)