টপিক 30 / ৫৮ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি📖 স্টাডি নোট
টপিক ৩০: ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত
অধ্যায় ৩০: বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির শ্রেণিবিভাগ #
৭.৩ বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক শ্রেণিবিভাগ, পাহাড়-পর্বত ও উপত্যকা #
ভৌগোলিক গঠন ও বয়সের ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত ৩ ভাগে ভাগ করা হয়:
বাংলাদেশের প্রধান পর্বতশৃঙ্গ, পাহাড় ও উপত্যকা #
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ:
- সরকারিভাবে স্বীকৃত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: তাজিংডং (অপর নাম ‘বিজয়’) — উচ্চতা ১,২৩১ মিটার (৪,০৩৯ ফুট); বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত।
- বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক জরিপে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: সাকা হাফং (অপর নাম ‘মদক টং’ / Mowdok Mual) — উচ্চতা ১,০৫২ মিটার (৩,৪৫১ ফুট); বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত। (২য় সর্বোচ্চ: জৌ ত্লাং/জোত্লাং, ৩য় দুমলং)।
- কেওক্রাডং: বান্দরবানের রুমা উপজেলায় অবস্থিত; সরকারি হিসাবমতে উচ্চতা ১,২৩০ মিটার (জিপিএস মাপে ৯৮৬ মিটার; পূর্বে একে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মনে করা হতো)।
- উল্লেখযোগ্য পাহাড়সমূহের অবস্থান (পরীক্ষায় বারবার আসে):
- গারো পাহাড়: ময়মনসিংহ (হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া), শেরপুর ও নেত্রকোনা এবং ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত। (ময়মনসিংহ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়; টিলাগুলোর গড় উচ্চতা ৩০–৯০ মিটার)।
- আলুটিলা পাহাড় ও প্রাকৃতিক সুড়ঙ্গ (গুহা): খাগড়াছড়ি জেলায় (মাতাই পুখিরি বা দেবতার পুকুরও খাগড়াছড়িতে)।
- চিম্বুক পাহাড় (‘বাংলার দার্জিলিং’) ও নীলগিরি: বান্দরবান জেলায়।
- চন্দ্রনাথ পাহাড় ও সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক: চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ডে। বাটালি হিল (চট্টগ্রাম শহরের সর্বোচ্চ পাহাড়), ডিসি হিল ও ফয়েজ লেক পাহাড় চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- লালমাই পাহাড় ও চণ্ডীমুড়া: কুমিল্লা জেলায় (আয়তন ৩৪ বর্গ কি.মি., গড় উচ্চতা ২১ মিটার)।
- কালাপাহাড়: সিলেটের সর্বোচ্চ পাহাড় (মৌলভীবাজারের কুলাউড়া/জুড়ীতে অবস্থিত)।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত উপত্যকা (Valleys):
- সাজেক ভ্যালি: রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত (যাতায়াত খাগড়াছড়ি দিয়ে; একে ‘মেঘের উপত্যকা’ বা রাঙামাটির ছাদ বলা হয়)।
- ভেঙ্গি ভ্যালি: কাপ্তাই, রাঙামাটি।
- হালদা ভ্যালি ও মানিকছড়ি: খাগড়াছড়ি।
- নাপিতখালী ভ্যালি: কক্সবাজার।
- বলিশিরা ভ্যালি: মৌলভীবাজার (শ্রীমঙ্গল)।
৩০.২ ভূ-প্রকৃতি — মাস্টার রেফারেন্স সারণি #
| ভৌগোলিক বিষয় / নদী / অঞ্চল | অবস্থান / জেলা / উৎপত্তিস্থল | আয়তন / দৈর্ঘ্য / উচ্চতা / সংখ্যা | বিশেষ ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও পরীক্ষার মূল তথ্য |
|---|---|---|---|
| বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি (৩টি শ্রেণি) | ১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ (১২%), ২. প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ (৮%), ৩. সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি (৮০%) | প্লাইস্টোসিন সোপান ৩টি: বরেন্দ্রভূমি (রাজশাহী-বগুড়া, ৯,৩২০ বর্গ কিমি), মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় (টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ-গাজীপুর, ৪,১০৩ বর্গ কিমি) ও লালমাই পাহাড় (কুমিল্লা, ৩৪ বর্গ কিমি) | মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়ের মাটি লালচে ও কঙ্করময়; এখানে গজারি বা শালবৃক্ষ জন্মে |
| বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গসমূহ | বান্দরবান পার্বত্য জেলা (রুমা ও থানচি উপজেলা) | সরকারিভাবে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: তাজিংডং বা বিজয় (১,২৩১ মিটার বা ৪,০৩৯ ফুট); বেসরকারিভাবে সর্বোচ্চ: সাকা হাফং বা মদক তং (১,০৫২ মিটার) | ২য় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: কেওক্রাডং (অর্থ ‘সবচেয়ে উঁচু পাথরের পাহাড়’, বান্দরবানের রুমা উপজেলায় অবস্থিত) |
| চিম্বুক পাহাড়, সাজেক ভ্যালি ও আলুটিলা গুহা | বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য অঞ্চল | ‘বাংলার দার্জিলিং’ নামে পরিচিত: চিম্বুক পাহাড় (বান্দরবান); ‘মেঘের উপত্যকা’: সাজেক ভ্যালি (বাঘাইছড়ি, রাঙামাটি) | প্রাকৃতিক সুরঙ্গ বা রহস্যময় গুহা ‘আলুটিলা’ ও ‘রিছাং ঝরনা’ খাগড়াছড়িতে; ‘নাফাখুম’ ও ‘নীলগিরি’ বান্দরবানে অবস্থিত |
📚 অতিরিক্ত মাস্টার তথ্যভাণ্ডার ও জব ফোকাসড রেফারেন্স সারণি #
| বিষয় / ব্যক্তিত্ব / প্রতিষ্ঠান ও সময়কাল | প্রধান পরিচয় / অবস্থান / আইন | মূল কীর্তি / বৈশিষ্ট্য ও কাঠামো | বিসিএস ও সরকারি চাকরি পরীক্ষার বিশেষ তথ্য |
|---|---|---|---|
| বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির প্রধান শ্রেণিবিভাগ (৩টি) | ভৌগোলিক গঠন ও ভূ-তাত্ত্বিক যুগ অনুযায়ী সমগ্র বাংলাদেশ ৩ ভাগে বিভক্ত | ১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ (১২%), ২. প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ (৮%) এবং ৩. সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি (৮০%) | বাংলাদেশ মূলত গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা (GBM) অববাহিকার পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ (Largest Delta) |
| টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ (Tertiary Hills — ১২%) | আনুমানিক ২ মিলিয়ন থেকে ২.৫ কোটি বছর পূর্বে হিমালয় পর্বত উত্থানের সময় গঠিত | দুটি অঞ্চলে বিভক্ত: (ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় (রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার) এবং (খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় (ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ) | বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত; গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার (সিলেট অঞ্চলে এ পাহাড়গুলোকে স্থানীয়ভাবে ‘টিলা’ বলা হয়) |
| প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ (Pleistocene Terraces — ৮%) | আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের আন্তঃবরফ যুগের পুরাতন পাললিক চত্বর (লালচে ও কঙ্করযুক্ত মাটি) | ৩টি প্রধান অংশে বিভক্ত: ১. বরেন্দ্রভূমি (রাজশাহী-রংপুর বিভাগ), ২. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় (টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ-গাজীপুর) এবং ৩. লালমাই পাহাড় (কুমিল্লা) | প্লাবন সমভূমি থেকে গড় উচ্চতা ৬ থেকে ৩০ মিটার পর্যন্ত |
| বরেন্দ্রভূমি (Barind Tract) | আয়তন: প্রায় ৯,৩২০ বর্গ কিলোমিটার (প্লাইস্টোসিন সোপানের বৃহত্তম অংশ) | অবস্থান: রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়া, জয়পুরহাট, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার অংশবিশেষ | মাটির রং লালচে ও ধূসর; সমভূমি থেকে ৬–১২ মিটার উঁচু |
| মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় (Modhupur and Bhawal Garh) | আয়তন: প্রায় ৪,১০৩ বর্গ কিলোমিটার | টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় ‘মধুপুর গড়’ এবং গাজীপুর জেলায় ‘ভাওয়ালের গড়’ নামে পরিচিত | গজারী বা শাল বৃক্ষের বনের (পত্রঝরা বন) জন্য বিখ্যাত; আনারস ও কাঁঠাল চাষের উপযোগী |
| লালমাই পাহাড় (Lalmai Hills) | অবস্থান: কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কি.মি. পশ্চিমে (ময়নামতি সংলগ্ন) | আয়তন: প্রায় ৩৪ বর্গ কিলোমিটার (উত্তর-দক্ষিণে ১৭ কি.মি. দীর্ঘ এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার) | প্রাচীন শালবন বিহার ও ময়নামতি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের অবস্থানস্থল |
| সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি (Recent Floodplains — ৮০%) | দেশের মোট আয়তনের শতকরা ৮০ ভাগ অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত নবীন পলিমাটি গঠিত সমভূমি | পাদদেশীয় পলল সমভূমি (রংপুর-দিনাজপুর), ব-দ্বীপ সমভূমি (ফরিদপুর-কুষ্টিয়া-যশোর-খুলনা) ও উপকূলীয় সমভূমি | কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলকে ভৌগোলিকভাবে ‘সম ঊর্ধ্বপাতন সমভূমি’ বলা হয় |
| তাজিংডং বা ‘বিজয়’ (সরকারি হিসাব অনুযায়ী সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ) | অবস্থান: রুমা উপজেলা, বান্দরবান জেলা (সাইচল পর্বতসারি) | সরকারি হিসাব ও পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী উচ্চতা: ১,২৩১ মিটার (৪,০৩৯ ফুট) | সরকারি গেজেট ও মাধ্যমিক পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ |
| সাকা হাফং বা ‘মদক তং’ (বেসরকারি/আন্তর্জাতিক জরিপে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ) | অবস্থান: থানচি উপজেলা, বান্দরবান জেলা (বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মদক পর্বতসারি) | জিপিএস ও আন্তর্জাতিক জরিপ অনুযায়ী উচ্চতা: ১,০৫২ মিটার (৩,৪৫১ ফুট) | বেসরকারি পর্বতারোহী ও আন্তর্জাতিক মানচিত্র জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া (২০০৬ সালে ইংরেজ অভিযাত্রী জিং ফুলেন প্রথম আরোহণ করেন) |
| কেওক্রাডং (Keokradong) ও চিম্বুক পাহাড় | অবস্থান: রুমা ও থানচি অঞ্চল, বান্দরবান জেলা | কেওক্রাডংয়ের উচ্চতা: প্রায় ৯৮৬ মিটার (পূর্বে ১,২৩০ মিটার ধারণা করা হতো; বাংলাদেশের ২য় বা ৩য় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ) | বান্দরবানের চিম্বুক পাহাড়কে ‘বাংলার দার্জিলিং’ বা পাহাড়ের রানী বলা হয় (ম্রো জনগোষ্ঠীর বসবাস) |
| সাজেক ভ্যালি, আলুটিলা ও চন্দ্রনাথ পাহাড় | পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিখ্যাত পাহাড় ও উপত্যকা | সাজেক ভ্যালি (বাঘাইছড়ি, রাঙামাটি — ‘মেঘের উপত্যকা’), আলুটিলা পাহাড় ও রহস্যময় গুহা (মাটিরাঙ্গা, খাগড়াছড়ি) এবং চন্দ্রনাথ পাহাড় (সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম — ১,১৫২ ফুট) | কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত আদিনাথ পাহাড় এবং টেকনাফে অবস্থিত তৈঙ্গা চূড়া (গারো পাহাড় ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা সীমান্তের ভারতের মেঘালয়ে অবস্থিত) |
| হালদা ভ্যালি, নাপিতখালী ও ভেঙ্গি ভ্যালি | বাংলাদেশের প্রধান পর্বত উপত্যকাসমূহ (Valleys) | খাগড়াছড়ি ও ফটিকছড়িতে হালদা ভ্যালি, কক্সবাজারে নাপিতখালী ভ্যালি এবং রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে ভেঙ্গি ভ্যালি অবস্থিত | মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় অবস্থিত ইউরেনিয়ামসমৃদ্ধ হারগজ ও কালাপাহাড় (সিলেট বিভাগের সর্বোচ্চ চূড়া) |
📋 ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত — মূল পয়েন্ট ও তথ্য-সারসংক্ষেপ সারণি #
| বিষয় / শিরোনাম / মূল এন্টিটি | প্রধান তথ্য ও বিবরণ | অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য ও প্রাসঙ্গিক তথ্য | সিলেবাস অধ্যায় ও পরীক্ষার গুরুত্ব |
|---|---|---|---|
| সরকারিভাবে স্বীকৃত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ | তাজিংডং (অপর নাম ‘বিজয়’) — উচ্চতা ১,২৩১ মিটার (৪,০৩৯ ফুট) | বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |
| বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক জরিপে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ | সাকা হাফং (অপর নাম ‘মদক টং’ / Mowdok Mual) — উচ্চতা ১,০৫২ মিটার (৩,৪৫১ ফুট) | বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |
| কেওক্রাডং | বান্দরবানের রুমা উপজেলায় অবস্থিত | সরকারি হিসাবমতে উচ্চতা ১,২৩০ মিটার (জিপিএস মাপে ৯৮৬ মিটার | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |
| গারো পাহাড় | ময়মনসিংহ (হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া), শেরপুর ও নেত্রকোনা এবং ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত | (ময়মনসিংহ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয় | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |
| আলুটিলা পাহাড় ও প্রাকৃতিক সুড়ঙ্গ (গুহা) | খাগড়াছড়ি জেলায় (মাতাই পুখিরি বা দেবতার পুকুরও খাগড়াছড়িতে) | বাংলাদেশের প্রধান পর্বতশৃঙ্গ, পাহাড় ও উপত্যকা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |
| চিম্বুক পাহাড় (‘বাংলার দার্জিলিং’) ও নীলগিরি | বান্দরবান জেলায় | বাংলাদেশের প্রধান পর্বতশৃঙ্গ, পাহাড় ও উপত্যকা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |
| চন্দ্রনাথ পাহাড় ও সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক | চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ডে | বাটালি হিল (চট্টগ্রাম শহরের সর্বোচ্চ পাহাড়), ডিসি হিল ও ফয়েজ লেক পাহাড় চট্টগ্রামে অবস্থিত | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |
| লালমাই পাহাড় ও চণ্ডীমুড়া | কুমিল্লা জেলায় (আয়তন ৩৪ বর্গ কি.মি., গড় উচ্চতা ২১ মিটার) | বাংলাদেশের প্রধান পর্বতশৃঙ্গ, পাহাড় ও উপত্যকা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |
| কালাপাহাড় | সিলেটের সর্বোচ্চ পাহাড় (মৌলভীবাজারের কুলাউড়া/জুড়ীতে অবস্থিত) | বাংলাদেশের প্রধান পর্বতশৃঙ্গ, পাহাড় ও উপত্যকা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |
| সাজেক ভ্যালি | রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত (যাতায়াত খাগড়াছড়ি দিয়ে | একে ‘মেঘের উপত্যকা’ বা রাঙামাটির ছাদ বলা হয়) | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |
| ভেঙ্গি ভ্যালি | কাপ্তাই, রাঙামাটি | বাংলাদেশের প্রধান পর্বতশৃঙ্গ, পাহাড় ও উপত্যকা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |
| হালদা ভ্যালি ও মানিকছড়ি | খাগড়াছড়ি | বাংলাদেশের প্রধান পর্বতশৃঙ্গ, পাহাড় ও উপত্যকা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |
| নাপিতখালী ভ্যালি | কক্সবাজার | বাংলাদেশের প্রধান পর্বতশৃঙ্গ, পাহাড় ও উপত্যকা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |
| বলিশিরা ভ্যালি | মৌলভীবাজার (শ্রীমঙ্গল) | বাংলাদেশের প্রধান পর্বতশৃঙ্গ, পাহাড় ও উপত্যকা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |
| তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা | টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে অবস্থান অনুসারে ২ ভাগে ভাগ করা হয়: (১) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ (রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার) এবং (২) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ (ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ) | আর যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনায় অবস্থিত স্থলবন্দরটির নাম পেট্রাপোল (সিলেটের তামাবিলের বিপরীতে ডাউকি, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদের বিপরীতে মোহাদিপুর এবং পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধার বিপরীতে ফুলবাড়ী) | ৩০. ভূ-প্রকৃতি ও পাহাড়-পর্বত (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি) |