টপিক 34 / ৫৮ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি📖 স্টাডি নোট

টপিক ৩৪: আবহাওয়া, জলবায়ু, স্পারসো ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

অধ্যায় ৩৪: প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা #

⛈️ দুর্যোগ, ঘূর্ণিঝড় ও স্পারসোর পরিচালন তথ্য #

  • প্রাকৃতিক দুর্যোগের ইতিহাস: ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বরের প্রলয়ঙ্করী গোর্কি ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ৫ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ মারা যায়। সিডর আঘাত হানে ১৫ নভেম্বর ২০০৭, আইলা ২৫ মে ২০০৯।
  • স্পারসো (SPARRSO): ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত স্পারসো প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ স্বায়ত্তশাসিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যার সদর দপ্তর ঢাকার আগারগাঁওয়ে।

৭.৫ জলবায়ু, আবহাওয়া, মহাকাশ গবেষণা (SPARRSO) ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ #

  • বাংলাদেশের জলবায়ুর ধরন: ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু (Tropical Monsoon Climate) — উষ্ণ, আর্দ্র ও সমভাবাপন্ন। বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.০১° সেলসিয়াস এবং গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার।
    • সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত: সিলেটের লালাখাল (জৈন্তাপুর) ও মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল।
    • সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত ও উষ্ণতম স্থান: নাটোরের লালপুর (উষ্ণতম জেলা রাজশাহী এবং শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল/সিলেট ও তেঁতুলিয়া)।
  • স্পারসো (SPARRSO): পূর্ণরূপ Bangladesh Space Research and Remote Sensing Organization (বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান)। ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত; সদর দপ্তর আগারগাঁও, ঢাকা; এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (Ministry of Defence) অধীনস্থ একটি সংস্থা।
  • বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (Satellite Earth Stations): মোট ৪টি (+ ১টি মহাসাগরীয়):
    1. বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (কাউখালী, রাঙামাটি): ১৪ জুন ১৯৭৫ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উদ্বোধন করেন (দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র)।
    2. তালিবাবাদ ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (কালিয়াকৈর, গাজীপুর): ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত।
    3. মহাখালী ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (ঢাকা): ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত।
    4. সিলেট ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র: ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত।
    • [সর্বশেষ ২০২৬ আপডেট] প্রথম স্যাটেলাইটভিত্তিক সমুদ্র গবেষণা কেন্দ্র (Ocean Satellite Ground Station): চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্বোধন করা হয় (৪২০ টেরাবাইট তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতাসম্পন্ন; বিশ্বের ১১টি উপগ্রহের সাথে সংযুক্ত)।
  • মেগা প্রকল্প পদ্মা ব্যারাজ (Padma Barrage — ২০২৬–২০৩৩):
    • ভারতের ফারাক্কা বাঁধের (১৯৭৫ সালে চালু, মুর্শিদাবাদে গঙ্গা নদীর ওপর) বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় রাজবাড়ীর পাংশায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন মেগা প্রকল্প।
    • মেয়াদ: ২০২৬–২০৩৩; ব্যয়: ৫০,৪৪৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা; দৈর্ঘ্য: ২.১ কি.মি. (৬,৯০০ ফুট); স্পিলওয়ে গেট ৭৮টি, আন্ডার স্লুইস গেট ১৮টি, ফিশ পাস ২টি।
    • সুফল: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৪টি জেলার পানি সংকট ও সুন্দরবনের লবণাক্ততা রোধ, ২৮.৮০ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা এবং ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন।

৩৪.২ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা — মাস্টার রেফারেন্স সারণি #

ভৌগোলিক বিষয় / নদী / অঞ্চল অবস্থান / জেলা / উৎপত্তিস্থল আয়তন / দৈর্ঘ্য / উচ্চতা / সংখ্যা বিশেষ ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও পরীক্ষার মূল তথ্য
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড, স্পারসো ও আবহাওয়া বঙ্গোপসাগর এবং আগারগাঁও, ঢাকা বঙ্গোপসাগরের গভীরতম গিরিখাত ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ (Swatch of No Ground, গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার, তিমি-ডলফিনের অভয়ারণ্য—দেশের ১ম সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা) মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান ‘SPARRSO’ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে (আগারগাঁও, ঢাকা); দেশে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেমি (সর্বাধিক বৃষ্টিপাত সিলেটের লালাখালে ও সর্বনিম্ন নাটোরের লালপুরে)

📚 অতিরিক্ত মাস্টার তথ্যভাণ্ডার ও জব ফোকাসড রেফারেন্স সারণি #

বিষয় / ব্যক্তিত্ব / প্রতিষ্ঠান ও সময়কাল প্রধান পরিচয় / অবস্থান / আইন মূল কীর্তি / বৈশিষ্ট্য ও কাঠামো বিসিএস ও সরকারি চাকরি পরীক্ষার বিশেষ তথ্য
বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য ভৌগোলিক অবস্থান: ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চল (Tropical Monsoon Climate) কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ) দেশের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করায় জলবায়ু সমভাবাপন্ন ও উষ্ণ-আর্দ্র প্রধান ৩টি মৌসুম: গ্রীষ্মকাল (মার্চ–মে), বর্ষাকাল (জুন–অক্টোবর; মোট বৃষ্টিপাতের ৮০% হয়) এবং শীতকাল (নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি)
তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের চরম কেন্দ্রসমূহ বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (BMD — সদর দপ্তর: আগারগাঁও, ঢাকা) সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত: সিলেটের জৈন্তাপুরের লালাখাল (প্রায় ৩৮৮ সে.মি.) এবং সর্বনিম্ন গড় বৃষ্টিপাত: নাটোরের লালপুর (প্রায় ১১৯ সে.মি.) দেশের শীতলতম স্থান: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল (সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড: ২.৬° সেলসিয়াস, ৮ জানুয়ারি ২০১৮ তেঁতুলিয়া) এবং উষ্ণতম স্থান: নাটোরের লালপুর (বিভাগ হিসেবে রাজশাহী)
মৌসুমি বায়ু ও কালবৈশাখী ঝড় (Nor'westers) গ্রীষ্মকালে এপ্রিল–মে মাসে (বৈশাখ মাসে) উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আগত বজ্রঝড়কে ‘কালবৈশাখী’ বলা হয় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয়বাষ্প বহন করে এনে জুন–অক্টোবর মাসে প্রবল বৃষ্টিপাত ঘটায় শীতকালে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু স্থলভাগ হতে প্রবাহিত হওয়ায় বাতাস শুষ্ক থাকে এবং বৃষ্টিপাত হয় না
বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (SPARRSO) প্রতিষ্ঠা: ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দ (সদর দপ্তর: আগারগাঁও, ঢাকা) SPARRSO-এর পূর্ণরূপ: Space Research and Remote Sensing Organization প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এ সংস্থাটি উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ফসল ও বনাঞ্চল পর্যবেক্ষণ করে
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং স্ট্যান্ডিং অর্ডারস (SOD) ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি বা CPP (Cyclone Preparedness Programme — ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু ও রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত) দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি বা SOD (Standing Orders on Disaster) প্রথম প্রণীত হয় ১৯৯৭ সালে (হালনাগাদ ২০১৯) এবং ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন’ পাস হয় ২০১২ সালে দেশে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (FFWC, ১৯৭২) পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে পরিচালিত হয়
১৯৭০ ও ১৯৯১ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ১২ নভেম্বর ১৯৭০ (ভোলা সাইক্লোন) এবং ২৯ এপ্রিল ১৯৯১ (‘ম্যারি এন’ বা গোর্কি) ১২ নভেম্বর ১৯৭০-এর ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ৫ লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হয় (বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড়) ২৯ এপ্রিল ১৯৯১-এর ঘূর্ণিঝড়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূলে প্রায় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং বিমানবাহিনীর ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়
১৯৯১ সালের ‘অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল’ (Operation Sea Angel) মে ১৯৯১ (চট্টগ্রাম ও উপকূলীয় দুর্গত অঞ্চল) ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ও মেরিন কোর পরিচালিত মানবিক অভিযান কমান্ডার ছিলেন মার্কিন জেনারেল হেনরি স্ট্যাকপোল; এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সামরিক দুর্যোগ ত্রাণ অভিযান
ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’ (Sidr) ও ‘আইলা’ (Aila) সিডর: ১৫ নভেম্বর ২০০৭ এবং আইলা: ২৫ মে ২০০৯ ‘সিডর’ (শ্রীলঙ্কা প্রদত্ত সিংহলি শব্দ, অর্থ ‘চোখ’ বা Eye) ক্যাটাগরি-৪ ঘূর্ণিঝড় হিসেবে সুন্দরবন ও বরগুনা-বাগেরহাটে আঘাত হানে ‘আইলা’ (মালদ্বীপ প্রদত্ত শব্দ, অর্থ ‘ডলফিন’ বা শুশুক) সাতক্ষীরা ও খুলনা উপকূলে দীর্ঘস্থায়ী লবণাক্ত জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে
ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেন’, ‘রোয়ানু’, ‘মোরা’, ‘ফণী’ ও ‘বুলবুল’ (২০১৩–২০১৯) উত্তর ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরীয় আঞ্চলিক ঘূর্ণিঝড় নামকরণ প্যানেল (WMO/ESCAP — বর্তমানে ১৩টি দেশ) ১৬ মে ২০১৩ ‘মহাসেন’, ২১ মে ২০১৬ ‘রোয়ানু’ (মালদ্বীপ প্রদত্ত), ৩০ মে ২০১৭ ‘মোরা’ (থাইল্যান্ড প্রদত্ত), ৪ মে ২০১৯ ‘ফণী’ (বাংলাদেশ প্রদত্ত নাম, অর্থ ‘সাপ’) ও ৯ নভেম্বর ২০১৯ ‘বুলবুল’ (পাকিস্তান প্রদত্ত) সুন্দরবন প্রতিটি ঘূর্ণিঝড়ে প্রাকৃতিক ঢাল (Natural Shield) হিসেবে বাংলাদেশকে রক্ষা করে
সুপার সাইক্লোন ‘আম্পান’ (২০২০), ‘সিত্রাং’ (২০২২), ‘মোখা’ (২০২৩) ও ‘রিমাল’ (২০২৪) সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রধান ঘূর্ণিঝড়সমূহ আম্পান (২০ মে ২০২০; থাইল্যান্ড প্রদত্ত নাম, অর্থ ‘আকাশ’), সিত্রাং (২৪ অক্টোবর ২০২২; থাইল্যান্ড প্রদত্ত, অর্থ ‘পাতা’) এবং মোখা (১৪ মে ২০২৩; ইয়েমেনের লোহিত সাগর তীরের কফি বন্দর ‘Mocha’ অনুসারে নামকরণ) রিমাল (Remal): ২৬ মে ২০২৪ পটুয়াখালীর খেপুপাড়া ও সুন্দরবন উপকূলে আঘাত হানে; ‘রিমাল’ নামটি ওমান প্রদত্ত (আরবি শব্দ, যার অর্থ ‘বালি’ বা Sand)

📋 ৩৪. আবহাওয়া, জলবায়ু ও দুর্যোগ — মূল পয়েন্ট ও তথ্য-সারসংক্ষেপ সারণি #

বিষয় / শিরোনাম / মূল এন্টিটি প্রধান তথ্য ও বিবরণ অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য ও প্রাসঙ্গিক তথ্য সিলেবাস অধ্যায় ও পরীক্ষার গুরুত্ব
বাংলাদেশের জলবায়ুর ধরন ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু (Tropical Monsoon Climate) — উষ্ণ, আর্দ্র ও সমভাবাপন্ন বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.০১° সেলসিয়াস এবং গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার ৩৪. আবহাওয়া, জলবায়ু ও দুর্যোগ (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি)
সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত সিলেটের লালাখাল (জৈন্তাপুর) ও মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ৫ জলবায়ু, আবহাওয়া, মহাকাশ গবেষণা (SPARRSO) ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৩৪. আবহাওয়া, জলবায়ু ও দুর্যোগ (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি)
সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত ও উষ্ণতম স্থান নাটোরের লালপুর (উষ্ণতম জেলা রাজশাহী এবং শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল/সিলেট ও তেঁতুলিয়া) ৫ জলবায়ু, আবহাওয়া, মহাকাশ গবেষণা (SPARRSO) ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৩৪. আবহাওয়া, জলবায়ু ও দুর্যোগ (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি)
স্পারসো (SPARRSO) পূর্ণরূপ Bangladesh Space Research and Remote Sensing Organization (বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান) ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত ৩৪. আবহাওয়া, জলবায়ু ও দুর্যোগ (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি)
বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (কাউখালী, রাঙামাটি) ১৪ জুন ১৯৭৫ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উদ্বোধন করেন (দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র) ৫ জলবায়ু, আবহাওয়া, মহাকাশ গবেষণা (SPARRSO) ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৩৪. আবহাওয়া, জলবায়ু ও দুর্যোগ (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি)
তালিবাবাদ ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (কালিয়াকৈর, গাজীপুর) ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত ৫ জলবায়ু, আবহাওয়া, মহাকাশ গবেষণা (SPARRSO) ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৩৪. আবহাওয়া, জলবায়ু ও দুর্যোগ (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি)
মহাখালী ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (ঢাকা) ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ৫ জলবায়ু, আবহাওয়া, মহাকাশ গবেষণা (SPARRSO) ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৩৪. আবহাওয়া, জলবায়ু ও দুর্যোগ (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি)
সিলেট ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ৫ জলবায়ু, আবহাওয়া, মহাকাশ গবেষণা (SPARRSO) ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৩৪. আবহাওয়া, জলবায়ু ও দুর্যোগ (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি)
[সর্বশেষ ২০২৬ আপডেট] প্রথম স্যাটেলাইটভিত্তিক সমুদ্র গবেষণা কেন্দ্র (Ocean Satellite Ground Station) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্বোধন করা হয় (৪২০ টেরাবাইট তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতাসম্পন্ন বিশ্বের ১১টি উপগ্রহের সাথে সংযুক্ত) ৩৪. আবহাওয়া, জলবায়ু ও দুর্যোগ (ভূগোল, পরিবেশ ও প্রকৃতি)