টপিক 41 / ৫৮অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প📖 স্টাডি নোট

টপিক ৪১: ব্যাংকিং ব্যবস্থা, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার

অধ্যায় ৪১: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত (নবায়নযোগ্য শক্তি ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ) #

🏦 ব্যাংকিং, মুদ্রা ব্যবস্থা ও পুঁজিবাজারের মৌলিক পরিসংখ্যান #

  • সরকারি মুদ্রা বনাম ব্যাংক নোট:
    • সরকারি নোট (৩টি): ১ টাকা, ২ টাকা ও ৫ টাকা। এতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে।
    • ব্যাংক নোট (৬টি): ১০ টাকা, ২০ টাকা, ৫০ টাকা, ১০০ টাকা, ৫০০ টাকা ও ১০০০ টাকা। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
  • পুঁজিবাজার: ডিএসই (১৯৫৪) ও সিএসই (১৯৯৫)। শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC, ১৯৯৩)।

২. বাংলাদেশ ব্যাংক, মুদ্রা ও ব্যাংকিং খাত (২০২৬ আপডেটসহ) #

  • বাংলাদেশ ব্যাংক (কেন্দ্রীয় ব্যাংক): ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ (P.O. No. 127 of 1972) অনুযায়ী ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে কার্যকর বলে গণ্য।
    • প্রথম গভর্নর: এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ (১৮ জানুয়ারি ১৯৭২ – ১৮ নভেম্বর ১৯৭৪)।
    • বর্তমান (১৪তম) গভর্নর: মো. মোস্তাকুর রহমান (পূর্বে ছিলেন ড. আহসান এইচ মনসুর ও আবদুর রউফ তালুকদার)।
    • ক্লিয়ারিং হাউজ (নিকাশ ঘর): আন্তঃব্যাংক চেক ও লেনদেন নিষ্পত্তি করায় বাংলাদেশ ব্যাংককে ‘নিকাশ ঘর’ (Clearing House) এবং ‘ব্যাংকারদের ব্যাংক’ ও ‘ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল’ (Lender of the Last Resort) বলা হয়।
  • বাংলাদেশের মুদ্রা ও নোট (সরকারি নোট বনাম ব্যাংক নোট):
    • ৪ মার্চ ১৯৭২ বাংলাদেশে প্রথম কাগজের নোট (১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট) চালু হয়। বাংলাদেশের প্রথম মুদ্রার ডিজাইনার ছিলেন কে. জি. মুস্তাফা।
    • সরকারি নোট (Government Notes): ১ টাকা ও ২ টাকার নোট ও ধাতব মুদ্রা (এবং ৫ টাকার ধাতব মুদ্রা)। এগুলো অর্থ মন্ত্রণালয় প্রকাশ করে এবং এতে অর্থসচিবের (Finance Secretary) স্বাক্ষর থাকে (বর্তমান ১৪তম অর্থসচিব: খায়েরুজ্জামান মজুমদার)।
    • ব্যাংক নোট (Bank Notes): ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোট। এগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশ করে এবং এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
    • নোট ও কয়েন মুদ্রণ: গাজীপুরে অবস্থিত ‘দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড’ (টঁাকশাল — ১৯৮৮/১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত)।
  • তফসিলি ব্যাংক ও বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ:
    • রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (৬টি + ১টি নতুন): সোনালী ব্যাংক (বৃহত্তম), জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক (পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমাত্র সরকারি ব্যাংক), বেসিক ব্যাংক ও বিডিবিএল।
    • [সর্বশেষ ২০২৬ আপডেট] দেশের প্রথম শরিয়াহভিত্তিক সরকারি ব্যাংক: ৫টি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে গঠন করা হয়েছে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’।
    • প্রথম বেসরকারি ব্যাংক: আরব-বাংলাদেশ (এবি) ব্যাংক (১২ এপ্রিল ১৯৮২)।
    • প্রথম ইসলামী ব্যাংক: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (৩০ মার্চ ১৯৮৩ — দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম সুদমুক্ত শরিয়াহ ব্যাংক)।
    • প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালু করে: ডাচ-বাংলা ব্যাংক (রকেট — ৩১ মার্চ ২০১১); পরবর্তীতে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ (bKash — ২১ জুলাই ২০১১) যাত্রা শুরু করে।
    • বাংলা কিউআর (Bangla QR): বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত সর্বজনীন কিউআর কোড পেমেন্ট সিস্টেম; ১ জুলাই ২০২৬ থেকে সারাদেশে সবার জন্য ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
  • গ্রামীণ ব্যাংক (অ-তালিকাভুক্ত বিশেষায়িত ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক):
    • ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস হাটহাজারীর জোবরা গ্রামে পরীক্ষামূলক ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প শুরু করেন।
    • ১৯৮৩ সালের অক্টোবরে অধ্যাদেশের মাধ্যমে এটি ‘গ্রামীণ ব্যাংক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
    • দারিদ্র্য বিমোচন ও তৃণমূল অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে (সমান দুই ভাগে) শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

৩. পুঁজিবাজার (Stock Market) ও উন্নয়ন পরিকল্পনা #

  • পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা: BSEC (Bangladesh Securities and Exchange Commission) — ৮ জুন ১৯৯৩ প্রতিষ্ঠিত (সদর দপ্তর: আগারগাঁও, ঢাকা)।
  • দেশের ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ:
    1. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE): ২৮ এপ্রিল ১৯৫৪ ‘ইস্ট পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ অ্যাসোসিয়েশন’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয় (১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ নাম হয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ)।
    2. চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (CSE): ১০ অক্টোবর ১৯৯৫ প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (NEC) ও একনেক (ECNEC):
    • NEC (National Economic Council): দেশের সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক নীতি-নির্ধারণী সংস্থা (১৯৭২)। পঞ্চবার্ষিক ও প্রেক্ষিত পরিকল্পনা অনুমোদন করে। চেয়ারম্যান: প্রধানমন্ত্রী (সকল মন্ত্রী এর সদস্য)।
    • ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council): বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ (৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে সরকারি বিনিয়োগ প্রকল্প) চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। চেয়ারম্যান: প্রধানমন্ত্রী (বিকল্প চেয়ারম্যান: অর্থমন্ত্রী)। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (IMED) প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন তদারকি করে।
  • পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও এলডিসি (LDC) উত্তরণ:
    • প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৭৩–১৯৭৮ (অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০২০–২০২৫)। ১৯৭৮–১৯৮০ সালে একটি ‘দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা’ (Two-Year Plan) গৃহীত হয়েছিল।
    • জাতিসংঘের এলডিসি (LDC - স্বল্পোন্নত দেশ) তালিকা: বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এলডিসিভুক্ত হয়। এলডিসি উত্তরণের ৩টি সূচক হলো: (১) মাথাপিছু জাতীয় আয় (GNI — ৩ বছরের গড়), (২) মানবসম্পদ সূচক (HAI — পুষ্টি, স্বাস্থ্য, স্কুলে ভর্তি ও শিক্ষার হার) এবং (৩) অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচক (EVI)।

৪১.২ বিদ্যুৎ খাত — মাস্টার রেফারেন্স সারণি #

অর্থনৈতিক বিষয় / ব্যাংক / নোট প্রবর্তনকাল / কর্তৃপক্ষ / অবস্থান মূল পরিসংখ্যান / প্রতীক / বৈশিষ্ট্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পরীক্ষার রেফারেন্স
বাংলাদেশ ব্যাংক (কেন্দ্রীয় ব্যাংক) প্রতিষ্ঠা: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ (Bangladesh Bank Order 1972 / P.O. No. 127) সদর দপ্তর: মতিঝিল, ঢাকা; শাখা অফিস ১০টি (মতিঝিল, সদরঘাট, চট্টগ্রাম, খুলনা, বগুড়া, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ) প্রথম গভর্নর: আ ন ম হামিদউল্লাহ (১৯৭২–১৯৭৪); মুদ্রানীতি (Monetary Policy) প্রণয়ন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণ ও তফসিলি ব্যাংকগুলোর অভিভাবক হিসেবে কাজ করে
সরকারি নোট বনাম ব্যাংক নোট অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারি নোট (সকল ধাতব মুদ্রা এবং ১ টাকা, ২ টাকা ও ৫ টাকার কাগুজে নোট): ইস্যু করে অর্থ মন্ত্রণালয় এবং স্বাক্ষর থাকে ‘অর্থ সচিব’-এর ব্যাংক নোট (১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট): ইস্যু করে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং স্বাক্ষর থাকে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর’-এর
বাংলাদেশের কাগুজে মুদ্রার ইতিহাস ও টাকশাল ১ম নোট প্রচলন: ৪ মার্চ ১৯৭২ (১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট) দেশের প্রথম মুদ্রা ডিজাইনার: কে জি মুস্তাফা; ২ টাকার নোটের অপর পৃষ্ঠায় রয়েছে ‘শহীদ মিনার’ এবং ৫ টাকার নোটে নওগাঁর ‘কুসুম্বা মসজিদ’ নোট ছাপানোর একমাত্র কারখানা ‘দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) লি.’ বা টাকশাল গাজীপুরের শিমুলতলীতে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত (প্রথম নোট ছাপা হয় ১৯৮৯ সালে)
বাংলাদেশের ব্যাংক নোটসমূহের স্থাপত্য ও চিত্রকর্ম ১০ টাকা থেকে ১০০০ টাকার নোট ১০ টাকা: বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ; ২০ টাকা: বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ; ৫০ টাকা: শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ‘মই দেয়া’ জলরঙ চিত্রকর্ম ও আহসান মঞ্জিল ১০০ টাকা: ঢাকার তারা মসজিদ; ৫০০ টাকা: বাংলাদেশের কৃষি ও নদীমাতৃক দৃশ্য; ১০০০ টাকা: জাতীয় সংসদ ভবন ও জাতীয় স্মৃতিসৌধ
বাংলাদেশের তফসিলি ব্যাংক কাঠামো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬টি ও বিশেষায়িত ব্যাংক ৩টি রাষ্ট্রায়ত্ত ৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক: সোনালী ব্যাংক (বৃহত্তম), জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক (শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক), বেসিক ব্যাংক ও বিডিবিএল বিশেষায়িত ৩টি ব্যাংক: বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (BKB), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (RAKUB) ও প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৬ সালে জোবরা গ্রাম (হাটহাজারী, চট্টগ্রাম); অধ্যাদেশের মাধ্যমে ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠা ২ অক্টোবর ১৯৮৩ প্রতিষ্ঠাতা: প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস; গ্রামীণ ব্যাংক তফসিলি ব্যাংক নয় বরং বিশেষ আইন দ্বারা পরিচালিত ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান দারিদ্র্য বিমোচন ও শান্তিতে অবদানের জন্য ২০০৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে
পুঁজিবাজার: BSEC, DSE ও CSE ঢাকা ও চট্টগ্রাম পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC, প্রতিষ্ঠা ৮ জুন ১৯৯৩, আগারগাঁও, ঢাকা) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) প্রতিষ্ঠিত হয় ২৮ এপ্রিল ১৯৫৪ সালে (প্রাথমিক নাম ইস্ট পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ); চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (CSE) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে

📋 ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার — মূল পয়েন্ট ও তথ্য-সারসংক্ষেপ সারণি #

বিষয় / শিরোনাম / মূল এন্টিটি প্রধান তথ্য ও বিবরণ অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য ও প্রাসঙ্গিক তথ্য সিলেবাস অধ্যায় ও পরীক্ষার গুরুত্ব
বাংলাদেশ ব্যাংক (কেন্দ্রীয় ব্যাংক) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ (P.O. No. 127 of 1972) অনুযায়ী ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে কার্যকর বলে গণ্য বাংলাদেশ ব্যাংক, মুদ্রা ও ব্যাংকিং খাত (২০২৬ আপডেটসহ) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
প্রথম গভর্নর এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ (১৮ জানুয়ারি ১৯৭২ – ১৮ নভেম্বর ১৯৭৪) বাংলাদেশ ব্যাংক, মুদ্রা ও ব্যাংকিং খাত (২০২৬ আপডেটসহ) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
বর্তমান (১৪তম) গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান (পূর্বে ছিলেন ড. আহসান এইচ মনসুর ও আবদুর রউফ তালুকদার) বাংলাদেশ ব্যাংক, মুদ্রা ও ব্যাংকিং খাত (২০২৬ আপডেটসহ) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
ক্লিয়ারিং হাউজ (নিকাশ ঘর) আন্তঃব্যাংক চেক ও লেনদেন নিষ্পত্তি করায় বাংলাদেশ ব্যাংককে ‘নিকাশ ঘর’ (Clearing House) এবং ‘ব্যাংকারদের ব্যাংক’ ও ‘ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল’ (Lender of the Last Resort) বলা হয় বাংলাদেশ ব্যাংক, মুদ্রা ও ব্যাংকিং খাত (২০২৬ আপডেটসহ) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
৪ মার্চ ১৯৭২ বাংলাদেশে প্রথম কাগজের নোট (১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট) চালু হয় বাংলাদেশের প্রথম মুদ্রার ডিজাইনার ছিলেন কে. জি. মুস্তাফা ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
সরকারি নোট (Government Notes) ১ টাকা ও ২ টাকার নোট ও ধাতব মুদ্রা (এবং ৫ টাকার ধাতব মুদ্রা) এগুলো অর্থ মন্ত্রণালয় প্রকাশ করে এবং এতে অর্থসচিবের (Finance Secretary) স্বাক্ষর থাকে (বর্তমান ১৪তম অর্থসচিব: খায়েরুজ্জামান মজুমদার) ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
ব্যাংক নোট (Bank Notes) ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোট এগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশ করে এবং এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
নোট ও কয়েন মুদ্রণ গাজীপুরে অবস্থিত ‘দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড’ (টঁাকশাল — ১৯৮৮/১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত) বাংলাদেশ ব্যাংক, মুদ্রা ও ব্যাংকিং খাত (২০২৬ আপডেটসহ) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (৬টি + ১টি নতুন) সোনালী ব্যাংক (বৃহত্তম), জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক (পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমাত্র সরকারি ব্যাংক), বেসিক ব্যাংক ও বিডিবিএল বাংলাদেশ ব্যাংক, মুদ্রা ও ব্যাংকিং খাত (২০২৬ আপডেটসহ) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
[সর্বশেষ ২০২৬ আপডেট] দেশের প্রথম শরিয়াহভিত্তিক সরকারি ব্যাংক ৫টি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে গঠন করা হয়েছে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’ বাংলাদেশ ব্যাংক, মুদ্রা ও ব্যাংকিং খাত (২০২৬ আপডেটসহ) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
প্রথম বেসরকারি ব্যাংক আরব-বাংলাদেশ (এবি) ব্যাংক (১২ এপ্রিল ১৯৮২) বাংলাদেশ ব্যাংক, মুদ্রা ও ব্যাংকিং খাত (২০২৬ আপডেটসহ) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
প্রথম ইসলামী ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (৩০ মার্চ ১৯৮৩ — দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম সুদমুক্ত শরিয়াহ ব্যাংক) বাংলাদেশ ব্যাংক, মুদ্রা ও ব্যাংকিং খাত (২০২৬ আপডেটসহ) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালু করে ডাচ-বাংলা ব্যাংক (রকেট — ৩১ মার্চ ২০১১) পরবর্তীতে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ (bKash — ২১ জুলাই ২০১১) যাত্রা শুরু করে ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
বাংলা কিউআর (Bangla QR) বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত সর্বজনীন কিউআর কোড পেমেন্ট সিস্টেম ১ জুলাই ২০২৬ থেকে সারাদেশে সবার জন্য ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
১৯৮৩ সালের অক্টোবরে অধ্যাদেশের মাধ্যমে এটি ‘গ্রামীণ ব্যাংক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক, মুদ্রা ও ব্যাংকিং খাত (২০২৬ আপডেটসহ) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা BSEC (Bangladesh Securities and Exchange Commission) — ৮ জুন ১৯৯৩ প্রতিষ্ঠিত (সদর দপ্তর: আগারগাঁও, ঢাকা) পুঁজিবাজার (Stock Market) ও উন্নয়ন পরিকল্পনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) ২৮ এপ্রিল ১৯৫৪ ‘ইস্ট পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ অ্যাসোসিয়েশন’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয় (১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ নাম হয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ) পুঁজিবাজার (Stock Market) ও উন্নয়ন পরিকল্পনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (CSE) ১০ অক্টোবর ১৯৯৫ প্রতিষ্ঠিত হয় পুঁজিবাজার (Stock Market) ও উন্নয়ন পরিকল্পনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
NEC (National Economic Council) দেশের সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক নীতি-নির্ধারণী সংস্থা (১৯৭২) পঞ্চবার্ষিক ও প্রেক্ষিত পরিকল্পনা অনুমোদন করে ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council) বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ (৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে সরকারি বিনিয়োগ প্রকল্প) চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় চেয়ারম্যান: প্রধানমন্ত্রী (বিকল্প চেয়ারম্যান: অর্থমন্ত্রী) ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ১৯৭৩–১৯৭৮ (অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০২০–২০২৫) ১৯৭৮–১৯৮০ সালে একটি ‘দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা’ (Two-Year Plan) গৃহীত হয়েছিল ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
জাতিসংঘের এলডিসি (LDC - স্বল্পোন্নত দেশ) তালিকা বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এলডিসিভুক্ত হয় এলডিসি উত্তরণের ৩টি সূচক হলো: (১) মাথাপিছু জাতীয় আয় (GNI — ৩ বছরের গড়), (২) মানবসম্পদ সূচক (HAI — পুষ্টি, স্বাস্থ্য, স্কুলে ভর্তি ও শিক্ষার হার) এবং (৩) অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচক (EVI) ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)
তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় রপ্তানি আয়ের চেয়ে বেশি হওয়ায় বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি থাকে, যা মূলত প্রবাসীদের পাঠানো বৈদেশিক রেমিট্যান্সের (Remittance) মাধ্যমে পূরণ করে লেনদেনের ভারসাম্য (Balance of Payments) রক্ষা করা হয় (সবচেয়ে বেশি জনশক্তি যায় সৌদি আরবে — ৭৩%, আর একক দেশ হিসেবে রেমিট্যান্স উৎস শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব) আর দেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে ডাচ-বাংলা ব্যাংক (৩১ মার্চ ২০১১) ৪১. ব্যাংকিং, মুদ্রা ও পুঁজিবাজার (অর্থনীতি, শিল্প ও মেগাপ্রকল্প)