| নিবন্ধন সনদ নং ০১ — জামদানি শাড়ি (২০১৬) |
উৎপাদন অঞ্চল: নারায়ণগঞ্জ (রূপগঞ্জ, সোনারগাঁও ও সিদ্ধিরগঞ্জ) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ (আবেদনকারী: বিসিক) |
বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য (ইউনেস্কো অধরা ঐতিহ্য ২০১৩) |
| নিবন্ধন সনদ নং ০২ — বাংলাদেশ ইলিশ (২০১৭) |
উৎপাদন অঞ্চল: বাংলাদেশের নদী ও বঙ্গোপসাগর উপকূল |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ আগস্ট ২০১৭ (মৎস্য অধিদপ্তর) |
বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ও দ্বিতীয় নিবন্ধিত জিআই পণ্য |
| নিবন্ধন সনদ নং ০৩ — চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম (২০১৯) |
উৎপাদন অঞ্চল: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২৭ জানুয়ারি ২০১৯ (বারি) |
বাংলাদেশের তৃতীয় এবং আম ক্যাটাগরিতে প্রথম জিআই পণ্য (হিমসাগর নামেও পরিচিত) |
| নিবন্ধন সনদ নং ০৪ — বিজয়পুরের সাদামাটি (২০২১) |
উৎপাদন অঞ্চল: দুর্গাপুর উপজেলা, নেত্রকোনা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ জুন ২০২১ |
খনিজ সম্পদ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের একমাত্র নিবন্ধিত জিআই পণ্য (চীনা মাটি) |
| নিবন্ধন সনদ নং ০৫ — দিনাজপুরের কাটারীভোগ চাল (২০২১) |
উৎপাদন অঞ্চল: দিনাজপুর জেলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ জুন ২০২১ (ব্রি) |
সুগন্ধি ও সরু দানার ঐতিহ্যবাহী চাল (চাল ক্যাটাগরিতে প্রথম জিআই) |
| নিবন্ধন সনদ নং ০৬ — বাংলাদেশ কালিজিরা চাল (২০২১) |
উৎপাদন অঞ্চল: সমগ্র বাংলাদেশ |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ জুন ২০২১ (ব্রি) |
পোলাও ও পায়েসের জন্য বিখ্যাত সুগন্ধি ক্ষুদ্র দানার চাল |
| নিবন্ধন সনদ নং ০৭ — রংপুরের শতরঞ্জি (২০২১) |
উৎপাদন অঞ্চল: রংপুর জেলা (নিসবেতগঞ্জ) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ জুন ২০২১ (বিসিক) |
হস্তশিল্প ও বয়ন ক্যাটাগরির প্রাচীন কারুশিল্প |
| নিবন্ধন সনদ নং ০৮ — রাজশাহী সিল্ক (২০২১) |
উৎপাদন অঞ্চল: রাজশাহী জেলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ জুন ২০২১ (বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড) |
রেশম সুতা ও রেশমি বস্ত্রের ঐতিহ্যবাহী জিআই পণ্য |
| নিবন্ধন সনদ নং ০৯ — ঢাকাই মসলিন (২০২১) |
উৎপাদন অঞ্চল: ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ (মেঘনা-শীতলক্ষ্যা তীর) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ জুন ২০২১ (বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড) |
ফুটি কার্পাস তুলা থেকে তৈরি বিশ্বখ্যাত ঐতিহ্যবাহী সূক্ষ্ম বস্ত্র |
| নিবন্ধন সনদ নং ১০ — রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম (২০২২) |
উৎপাদন অঞ্চল: রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২২ (ফল গবেষণা কেন্দ্র, রাজশাহী) |
যৌথভাবে দুটি জেলার নামে নিবন্ধিত বৃহৎ আকারের সুমিষ্ট আম |
| নিবন্ধন সনদ নং ১১ — বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি (২০২২) |
উৎপাদন অঞ্চল: খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট উপকূল |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২৪ এপ্রিল ২০২২ (মৎস্য অধিদপ্তর) |
রপ্তানি আয়ে ‘হোয়াইট গোল্ড’ বা সাদা সোনা হিসেবে পরিচিত |
| নিবন্ধন সনদ নং ১২ — বাংলাদেশের শীতলপাটি (২০২৩) |
উৎপাদন অঞ্চল: সিলেট বিভাগ ও বৃহত্তর বাংলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০ মার্চ ২০২৩ (বিসিক) |
মুর্তা বা মোস্তাক বেত দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প (ইউনেস্কো ঐতিহ্য ২০১৭) |
| নিবন্ধন সনদ নং ১৩ — বগুড়ার দই (২০২৩) |
উৎপাদন অঞ্চল: বগুড়া জেলা (শেরপুর ও সদর) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২৬ জুন ২০২৩ |
দুগ্ধজাত মিষ্টান্ন ক্যাটাগরিতে দেশের প্রথম নিবন্ধিত জিআই পণ্য |
| নিবন্ধন সনদ নং ১৪ — শেরপুরের তুলশীমালা ধান (২০২৩) |
উৎপাদন অঞ্চল: শেরপুর জেলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১২ জুন ২০২৩ |
শেরপুরের ‘জামাই আদর’ খ্যাত সুগন্ধি পোলাওয়ের ধান |
| নিবন্ধন সনদ নং ১৫ — চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম (২০২৩) |
উৎপাদন অঞ্চল: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২৬ জুন ২০২৩ |
পাতলা খোসা ও আঁশবিহীন সুমিষ্ট আমের জাত |
| নিবন্ধন সনদ নং ১৬ — চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম (২০২৩) |
উৎপাদন অঞ্চল: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২৬ জুন ২০২৩ |
মৌসুমের শেষভাগে (ভাদ্র-আশ্বিনে) পাকা নাবী জাতের আম |
| নিবন্ধন সনদ নং ১৭ — নাটোরের কাঁচাগোল্লা (২০২৩) |
উৎপাদন অঞ্চল: নাটোর জেলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ৮ আগস্ট ২০২৩ |
খাঁটি ছানা ও চিনির সংমিশ্রণে তৈরি ২৫০ বছরের প্রাচীন মিষ্টান্ন |
| নিবন্ধন সনদ নং ১৮ — বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল (২০২৩) |
উৎপাদন অঞ্চল: সমগ্র বাংলাদেশ (বিশেষত কুষ্টিয়া-চুয়াডাঙ্গা) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৩ (প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর) |
উন্নত মানের চামড়া (কুষ্টিয়া গ্রেড) ও সুস্বাদু মাংসের জন্য বিশ্বখ্যাত |
| নিবন্ধন সনদ নং ১৯ — টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: পোড়াবাড়ি, টাঙ্গাইল সদর |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: জানুয়ারি ২০২৪ |
ধলেশ্বরী নদীর পানি ও খাঁটি ছানায় তৈরি ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি |
| নিবন্ধন সনদ নং ২০ — কুমিল্লার রসমালাই (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: কুমিল্লা জেলা (মনোহরপুর) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: জানুয়ারি ২০২৪ |
ক্ষীরের ঘন রসে ডুবানো ছোট আকারের ছানার মিষ্টান্ন |
| নিবন্ধন সনদ নং ২১ — কুষ্টিয়ার তিলের খাজা (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: কুষ্টিয়া জেলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: জানুয়ারি ২০২৪ |
তিল ও চিনির সিরায় তৈরি মচমচে ঐতিহ্যবাহী খাবার |
| নিবন্ধন সনদ নং ২২ — বাংলাদেশের হারিভাঙ্গা আম (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: রংপুর জেলা (মিঠাপুকুর উপজেলা) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ |
আঁশবিহীন ও সুমিষ্ট রংপুর অঞ্চলের প্রধান অর্থকরী আম |
| নিবন্ধন সনদ নং ২৩ — মৌলভীবাজারের আগর (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: বড়লেখা উপজেলা (সুজানগর), মৌলভীবাজার |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ |
আগর গাছের নির্যাস থেকে মূল্যবান সুগন্ধি কাঠ উৎপাদন |
| নিবন্ধন সনদ নং ২৪ — মৌলভীবাজারের আগর আতর (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: বড়লেখা, মৌলভীবাজার |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ |
মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানিকৃত তরল সোনা খ্যাত সুগন্ধি আতর |
| নিবন্ধন সনদ নং ২৫ — মুক্তাগাছার মণ্ডা (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: মুক্তাগাছা উপজেলা, ময়মনসিংহ |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ |
১৮২৪ সালে গোপাল পাল উদ্ভাবিত ঐতিহ্যবাহী ছানার মিষ্টান্ন |
| নিবন্ধন সনদ নং ২৬ — যশোরের খেজুরের গুড় (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: যশোর জেলা (চৌগাছা ও মণিরামপুর) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ |
নলেন গুড় ও পাটালি গুড়ের জন্য বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী পণ্য |
| নিবন্ধন সনদ নং ২৭ — রাজশাহীর মিষ্টি পান (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: রাজশাহী জেলা (মোহনপুর, বাগমারা ও দুর্গাপুর) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ |
মুখরোচক ও অর্থকরী বরজের মিষ্টি পান |
| নিবন্ধন সনদ নং ২৮ — জামালপুরের নকশিকাঁথা (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: জামালপুর জেলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ |
গ্রামীণ নারীদের সূচিকর্মের ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্প |
| নিবন্ধন সনদ নং ২৯ — টাঙ্গাইল শাড়ি (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: টাঙ্গাইল জেলা (পাথরাইল ও বাজিতপুর) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ (গেজেট প্রকাশ) |
টাঙ্গাইলের তাঁতিদের শতবর্ষী হাতে বোনা সুতি ও সিল্ক শাড়ি |
| নিবন্ধন সনদ নং ৩০ — নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: নরসিংদী জেলা (মনোহরদী ও পলাশ) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ |
মুঘল আমল থেকে প্রচলিত সুগন্ধি ও সুস্বাদু কলার জাত |
| নিবন্ধন সনদ নং ৩১ — গোপালগঞ্জের রসগোল্লা (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: গোপালগঞ্জ জেলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: মার্চ ২০২৪ |
খাঁটি ছানার তৈরি ঐতিহ্যবাহী নরম রসগোল্লা |
| নিবন্ধন সনদ নং ৩২ — নরসিংদীর লটকন (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: শিবপুর ও বেলাব উপজেলা, নরসিংদী |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪ |
পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ও সুমিষ্ট মৌসুমি ফল |
| নিবন্ধন সনদ নং ৩৩ — মধুপুরের আনারস (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: মধুপুর গড় অঞ্চল, টাঙ্গাইল |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪ |
জলডুঙ্গি ও জায়ান্ট কিউ জাতের রসালো আনারস |
| নিবন্ধন সনদ নং ৩৪ — ভোলার মহিষের দুধের কাঁচাদই (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: ভোলা জেলা (চরফ্যাশন ও মনপুরা) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪ |
জ্বাল না দিয়ে মাটির হাঁড়িতে জমানো মহিষের দুধের ঐতিহ্যবাহী দই |
| নিবন্ধন সনদ নং ৩৫ — মাগুরার হাজরাপুরের লিচু (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: হাজরাপুর, মাগুরা সদর |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪ |
রসালো ও সুমিষ্ট দেশীয় জাতের লিচু |
| নিবন্ধন সনদ নং ৩৬ — সিরাজগঞ্জের গামছা (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি ও শাহজাদপুর |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪ |
হস্তচালিত ও পাওয়ারলুম তাঁতে তৈরি উজ্জ্বল রঙের সুতি গামছা |
| নিবন্ধন সনদ নং ৩৭ — সিলেটের খাসিয়া পান (২০২৪) |
উৎপাদন অঞ্চল: সিলেট ও মৌলভীবাজারের পাহাড়ি পুঞ্জি |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪ |
খাসিয়া জনগোষ্ঠী কর্তৃক উৎপাদিত ঝাঁঝালো ও রপ্তানিযোগ্য পান |
| নিবন্ধন সনদ নং ৩৮ — নওগাঁর নাকফজলি আম (২০২৪–২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: বদলগাছী ও ধামইরহাট, নওগাঁ |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪–২৫ |
নাকের ন্যায় খাঁজযুক্ত সুমিষ্ট ও আঁশবিহীন আম |
| নিবন্ধন সনদ নং ৩৯ — সুন্দরবনের মধু (২০২৪–২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল (সাতক্ষীরা-খুলনা-বাগেরহাট) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪–২৫ |
খলিশা, গরান ও কেওড়া ফুলের প্রাকৃতিক খাঁটি মধু |
| নিবন্ধন সনদ নং ৪০ — ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী মিষ্টি (২০২৪–২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪–২৫ |
ছোট চারকোনা আকারের কড়া পাকের ঐতিহ্যবাহী ছানার মিষ্টি |
| নিবন্ধন সনদ নং ৪১ — জামালপুরের মুড়ি (২০২৪–২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: জামালপুর জেলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪–২৫ |
হাতে ভাজা রাসায়নিকমুক্ত সুস্বাদু মুড়ি |
| নিবন্ধন সনদ নং ৪২ — দিনাজপুরের বেদানা লিচু (২০২৪–২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: মাসিমপুর ও বিরল, দিনাজপুর |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪–২৫ |
ছোট বিচি ও পুরু শাঁসযুক্ত দেশের সেরা জাতের লিচু |
| নিবন্ধন সনদ নং ৪৩ — বরিশালের আমড়া (২০২৪–২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: বরিশাল, পিরোজপুর ও ঝালকাঠি |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪–২৫ |
আকারে বড়, মিষ্টি ও ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল |
| নিবন্ধন সনদ নং ৪৪ — কুমারখালীর বেডশিট (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
বস্ত্র ও তাঁত শিল্পে কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী রপ্তানিযোগ্য বিছানার চাদর |
| নিবন্ধন সনদ নং ৪৫ — মুন্সীগঞ্জের পাতক্ষীর (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: সিরাজদিখান উপজেলা, মুন্সীগঞ্জ |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
কলাপাতার মোড়কে পরিবেশিত ঘন দুধের ঐতিহ্যবাহী ক্ষীর |
| নিবন্ধন সনদ নং ৪৬ — নওগাঁর সন্দেশ / প্যারা সন্দেশ (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: নওগাঁ সদর (কালীতলা) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
পূজা ও উৎসবের ঐতিহ্যবাহী ক্ষীরের প্যারা সন্দেশ |
| নিবন্ধন সনদ নং ৪৭ — টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জামুর্কির সন্দেশ (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: জামুর্কি, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
কালিদাস মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী সন্দেশ |
| নিবন্ধন সনদ নং ৪৮ — কিশোরগঞ্জের রাতা বোরো ধান (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: হাওর অঞ্চল (ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম), কিশোরগঞ্জ |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
হাওরাঞ্চলের স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু বোরো ধানের জাত |
| নিবন্ধন সনদ নং ৪৯ — অষ্টগ্রামের পনির (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: অষ্টগ্রাম উপজেলা, কিশোরগঞ্জ |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
মুঘল আমল থেকে প্রচলিত মহিষ ও গরুর দুধের লবণাক্ত পনির |
| নিবন্ধন সনদ নং ৫০ — গাজীপুরের কাঁঠাল (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: শ্রীপুর ও কাপাসিয়া, গাজীপুর |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
জাতীয় ফল কাঁঠাল উৎপাদনে শীর্ষ জেলার ঐতিহ্যবাহী জিআই পণ্য |
| নিবন্ধন সনদ নং ৫১ — শেরপুরের ছানার পায়েস (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: শেরপুর জেলা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
ছানার ছোট গুটি ও ঘন দুধের ক্ষীরে তৈরি অনন্য মিষ্টান্ন |
| নিবন্ধন সনদ নং ৫২ — সুনামগঞ্জের হাসন রাজার স্মৃতিবিজরিত ঐতিহ্য / স্থানীয় পণ্য (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: সুনামগঞ্জ ও সিলেট অঞ্চল |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ (DPDT) |
ভাটি অঞ্চলের আঞ্চলিক ঐতিহ্যবাহী নিবন্ধন |
| নিবন্ধন সনদ নং ৫৩ — সিরাজগঞ্জের লুঙ্গি (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: সিরাজগঞ্জ ও পাবনা তাঁত অঞ্চল |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
আরামদায়ক ও টেকসই সুতি বয়ন শিল্প |
| নিবন্ধন সনদ নং ৫৪ — জয়পুরহাটের লতিরাজ কচু (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: পাঁচবিবি ও সদর, জয়পুরহাট |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
উচ্চফলনশীল ও বিদেশে রপ্তানিযোগ্য কচুর লতি |
| নিবন্ধন সনদ নং ৫৫ — চাঁপাইনবাবগঞ্জের গৌড়মতি আম (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
ল্যাংড়া ও আশ্বিনা আমের প্রাকৃতিক সংকরায়নে সৃষ্ট নাবী জাতের আম |
| নিবন্ধন সনদ নং ৫৬ — ভোলার গলদা চিংড়ি (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: ভোলা ও দক্ষিণাঞ্চলীয় মেঘনা মোহনা |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
মিঠাপানির বৃহৎ আকারের সুস্বাদু গলদা চিংড়ি |
| নিবন্ধন সনদ নং ৫৭ — ঠাকুরগাঁওয়ের সূর্যপুরী আম (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: বালিয়াডাঙ্গী ও সদর, ঠাকুরগাঁও |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সুগন্ধি ও পাতলা আঁটির আম |
| নিবন্ধন সনদ নং ৫৮ — নীলফামারীর সিদল (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: নীলফামারী ও রংপুর অঞ্চল |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
পুঁটি-টাকি শুঁটকি ও কচুর ডাঁটা বাটা দিয়ে তৈরি উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খাবার |
| নিবন্ধন সনদ নং ৫৯ — লালমনিরহাটের চ্যাপা শুঁটকি (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: তিস্তা-ধরলা অববাহিকা, লালমনিরহাট |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
মৃৎপাত্রে প্রক্রিয়াজাত সুস্বাদু দেশীয় শুঁটকি |
| নিবন্ধন সনদ নং ৬০ — ফরিদপুরের পাট (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: ফরিদপুর জেলা (সালথা, বোয়ালমারী ও নগরকান্দা) |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ (DPDT নিবন্ধন সনদ নং ৬০, GI-72) |
উন্নত মানের উজ্জ্বল ও দীর্ঘ আঁশের বিশ্বখ্যাত তোষা পাট (৬০তম নিবন্ধিত জিআই) |
| নিবন্ধন সনদ নং ৬১ — মেহেরপুরের সাবিত্রী মিষ্টি (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: মেহেরপুর সদর |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ (DPDT নিবন্ধন সনদ নং ৬১, GI-96) |
দুধের সর ও ক্ষীর দিয়ে তৈরি ১৫০ বছরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন (৬১তম নিবন্ধিত জিআই) |
| নিবন্ধন সনদ নং ৬২ — রাজশাহীর সিঁদুরকৌটা আম (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: বাঘা ও চারঘাট, রাজশাহী |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
পাকলে বোঁটার কাছে সিঁদুরের মতো লালচে আভাযুক্ত সুমিষ্ট দেশীয় আম |
| নিবন্ধন সনদ নং ৬৩ — বান্দরবানের কাজুবাদাম ও কফি (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ি, বান্দরবান |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
পার্বত্য চট্টগ্রামের উচ্চমূল্যের অর্থকরী পাহাড়ি ফসল |
| নিবন্ধন সনদ নং ৬৪ — কক্সবাজারের মহেশখালীর মিষ্টি পান (২০২৫) |
উৎপাদন অঞ্চল: মহেশখালী দ্বীপ, কক্সবাজার |
নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ |
পাহাড়ি ঢালে উৎপাদিত ঐতিহ্যবাহী ও সুমিষ্ট মহেশখালীর পান |