টপিক 46 / ৫৮ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্জন📖 স্টাডি নোট

টপিক ৪৬: ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য (৩টি), অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (৬টি) ও নিবন্ধিত ৬৪টি জিআই পণ্য

অধ্যায় ৪৬: বাংলাদেশে ইউনেস্কো (UNESCO) স্বীকৃত সকল ঐতিহ্য #

১. বাংলাদেশের ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহ্যসমূহ (৩টি ক্যাটাগরিতে) #

বাংলাদেশে ইউনেস্কো (UNESCO) স্বীকৃত সকল ঐতিহ্য বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান (৩টি) • নির্বস্তুক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (৫টি) • মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড (১টি) ১. বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান (৩টি) • ষাটগম্বুজ মসজিদ, বাগেরহাট: ১৯৮৫ সালে স্বীকৃতি (সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য) খাঁন জাহান আলী নির্মিত (গম্বুজ ৮১টি) • সোমপুর মহাবিহার, পাহাড়পুর: ১৯৮৫ সালে স্বীকৃতি (নওগাঁ জেলা) পালরাজা ধর্মপাল দেব কর্তৃক নির্মিত • সুন্দরবন (একমাত্র প্রাকৃতিক): ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ স্বীকৃতি (৭৯৮তম স্থান) বিশ্বের বৃহত্তম সক্রিয় ম্যানগ্রোভ বন ৩টি অভয়ারণ্য: পূর্ব, দক্ষিণ ও পশ্চিম ২. নির্বস্তুক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (৫টি) • ১. বাউল গান (২০০৮ সালে স্বীকৃতি): লালন শাহের অধ্যাত্ম দর্শন ও লোকসংগীত • ২. ঐতিহ্যবাহী জামদানি বয়ন (২০১৩): শীতলক্ষ্যা তীরের প্রাচীন সূক্ষ্ম বয়নশিল্প • ৩. মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬): পহেলা বৈশাখের সর্বজনীন লোকজ উৎসব • ৪. সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি (২০১৭): মূর্তি বেতের বুনন শিল্প ও কারুশিল্প • ৫. ঢাকার রিকশা ও রিকশা পেইন্টিং (২০২৩): ৬ ডিসেম্বর ২০২৩ বতসোয়ানায় স্বীকৃতি ৩. মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড (১টি) • বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ স্বীকৃতির তারিখ: ৩০ অক্টোবর ২০১৭ • মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য (Documentary Heritage) হিসেবে আন্তর্জাতিক রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ ১৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের অলিখিত কালজয়ী ভাষণ

২. বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই (GI - Geographical Indication) পণ্য (মোট ৬৪টি — ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট) #

  • GI-এর পূর্ণরূপ: Geographical Indication (ভৌগোলিক নির্দেশক)। কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের মাটি, পানি, আবহাওয়া এবং সেখানকার মানুষের ঐতিহ্যবাহী দক্ষতা ও সৃজনশীলতা মিলে যদি কোনো অনন্য পণ্য তৈরি হয়, তবে তাকে সেই দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা GI পণ্য বলা হয়।
  • নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ: শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (DPDT) (বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা WIPO-র নিয়মানুযায়ী; ২০১৩ সালে বাংলাদেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন ও সুরক্ষা আইন পাস হয়)।
  • বর্তমানে বাংলাদেশের মোট নিবন্ধিত GI পণ্য: ৬৪টি (২০২৬ সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী):
জিআই ক্রম জিআই (GI) পণ্যের নাম সংশ্লিষ্ট অঞ্চল / জেলা ও সনদ প্রাপ্তির তথ্য
১ম জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি নারায়ণগঞ্জ (রূপগঞ্জ/সোনারগাঁও) — ১৭ নভেম্বর ২০১৬ (বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জিআই পণ্য)
২য় জিআই পণ্য বাংলাদেশ ইলিশ মৎস্য অধিদপ্তর — ১৭ আগস্ট ২০১৭
৩য় জিআই পণ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম চাঁপাইনবাবগঞ্জ — ২৭ জানুয়ারি ২০১৯
৪র্থ জিআই পণ্য বিজয়পুরের সাদামাটি (চিনামাটি) দুর্গাপুর, নেত্রকোনা — ২০২১
৫ম–১০ম জিআই পণ্য দিনাজপুরের কাটারীভোগ চাল (৫ম), বাংলাদেশ কালিজিরা চাল (৬ষ্ঠ), রংপুরের শতরঞ্জি (৭ম), রাজশাহী সিল্ক (৮ম), ঢাকাই মসলিন (৯ম), রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম (১০ম) ২০২১–২০২২
১১তম–২০তম জিআই বাগদা চিংড়ি (১১তম), শীতলপাটি সিলেট, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলসীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া ও আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা (১৭তম), বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই (২০তম) ২০২২–২০২৪
২১তম–৫৯তম উল্লেখযোগ্য জিআই কুষ্টিয়ার তিলের খাজা, টাঙ্গাইল শাড়ি, নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা ও লটকন, গোপালগঞ্জের রসগোল্লা, মুক্তাগাছার মন্ডা (ময়মনসিংহ), যশোরের খেজুরের গুড়, রাজশাহীর মিষ্টি পান, মৌলভীবাজারের আগর ও আতর, সিলেটের জারা লেবু, মধুপুরের আনারস, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী মিষ্টি, জামালপুরের নকশিকাঁথা, সুন্দরবনের মধু, দিনাজপুরের লিচু, বরিশালের আমড়া, মেহেরপুরের সাবিত্রী মিষ্টি, নওগাঁর নাকফজলি আম ২০২৪–২০২৫
৬০তম / ৬১তম জিআই ফরিদপুরের পাট (ঢাবি খ ২০২৫-২৬ ভর্তি পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন!) ফরিদপুর (২০২৫)
৬২তম জিআই পণ্য কালিগঞ্জের তোয়ালে কালিগঞ্জ (গাজীপুর/সাতক্ষীরা — ২০২৫/২০২৬)
৬৩তম জিআই পণ্য জয়পুরহাটের লতিরাজ কচু জয়পুরহাট (২০২৫/২০২৬)
৬৪তম জিআই পণ্য (সর্বশেষ) মানিকগঞ্জের হাজারী গুড় মানিকগঞ্জ (ঝিটকা) (সর্বশেষ ৬৪তম জিআই পণ্য)

৪৬.২ ইউনেস্কো ঐতিহ্যসমূহ — মাস্টার রেফারেন্স সারণি #

প্রতীক / প্রত্নস্থল / জিআই পণ্য অবস্থান / জেলা / স্থপতি নির্মাণকাল / স্বীকৃতির বছর গঠন বৈশিষ্ট্য, ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও পরীক্ষার তথ্য
ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য (৩টি) ও নির্বস্তুক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (৫টি) বাগেরহাট, নওগাঁ ও সুন্দরবন বস্তুগত বিশ্ব ঐতিহ্য (World Heritage Sites) ৩টি: ১. বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ শহর (১৯৮৫), ২. পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহার (১৯৮৫) ও ৩. সুন্দরবন (১৯৯৭) নির্বস্তুক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (Intangible Cultural Heritage) ৫টি: ১. বাউল গান (২০০৮), ২. জামদানি বয়ন শিল্প (২০১৩), ৩. মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), ৪. সিলেটের শীতলপাটি বয়ন শিল্প (২০১৭) ও ৫. ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র (২০২৩)
বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই (GI) পণ্যসমূহ প্রদানকারী সংস্থা: শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (DPDT) বাংলাদেশের ১ম জিআই পণ্য: জামদানি শাড়ি (১৭ নভেম্বর ২০১৬); ২য়: বাংলাদেশ ইলিশ (২০১৭); ৩য়: চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম; ৪র্থ: বিজয়পুরের সাদামাটি; ৫ম: দিনাজপুরের কাটারীভোগ চাল অন্যান্য প্রধান জিআই পণ্য: কালিজিরা চাল, শতরঞ্জি (রংপুর), রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, বাগদা চিংড়ি, ফজলি আম, বগুড়ার দই, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, টাঙ্গাইল শাড়ি, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা, মুক্তাগাছার মণ্ডা, নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা ও সুন্দরবনের মধু

🏆 শিল্প মন্ত্রণালয়ের (DPDT) নিবন্ধিত ৬৪টি ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্যের পূর্ণাঙ্গ তালিকা (নিবন্ধন সনদ নং ১–৬৪) #

নিবন্ধন সনদ ক্রমিক ও জিআই পণ্যের নাম ভৌগোলিক উৎপাদন অঞ্চল / জেলা নিবন্ধন সনদ ও কর্তৃপক্ষ পণ্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য ও পরীক্ষার তাৎপর্য
নিবন্ধন সনদ নং ০১ — জামদানি শাড়ি (২০১৬) উৎপাদন অঞ্চল: নারায়ণগঞ্জ (রূপগঞ্জ, সোনারগাঁও ও সিদ্ধিরগঞ্জ) নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ (আবেদনকারী: বিসিক) বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য (ইউনেস্কো অধরা ঐতিহ্য ২০১৩)
নিবন্ধন সনদ নং ০২ — বাংলাদেশ ইলিশ (২০১৭) উৎপাদন অঞ্চল: বাংলাদেশের নদী ও বঙ্গোপসাগর উপকূল নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ আগস্ট ২০১৭ (মৎস্য অধিদপ্তর) বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ও দ্বিতীয় নিবন্ধিত জিআই পণ্য
নিবন্ধন সনদ নং ০৩ — চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম (২০১৯) উৎপাদন অঞ্চল: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২৭ জানুয়ারি ২০১৯ (বারি) বাংলাদেশের তৃতীয় এবং আম ক্যাটাগরিতে প্রথম জিআই পণ্য (হিমসাগর নামেও পরিচিত)
নিবন্ধন সনদ নং ০৪ — বিজয়পুরের সাদামাটি (২০২১) উৎপাদন অঞ্চল: দুর্গাপুর উপজেলা, নেত্রকোনা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ জুন ২০২১ খনিজ সম্পদ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের একমাত্র নিবন্ধিত জিআই পণ্য (চীনা মাটি)
নিবন্ধন সনদ নং ০৫ — দিনাজপুরের কাটারীভোগ চাল (২০২১) উৎপাদন অঞ্চল: দিনাজপুর জেলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ জুন ২০২১ (ব্রি) সুগন্ধি ও সরু দানার ঐতিহ্যবাহী চাল (চাল ক্যাটাগরিতে প্রথম জিআই)
নিবন্ধন সনদ নং ০৬ — বাংলাদেশ কালিজিরা চাল (২০২১) উৎপাদন অঞ্চল: সমগ্র বাংলাদেশ নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ জুন ২০২১ (ব্রি) পোলাও ও পায়েসের জন্য বিখ্যাত সুগন্ধি ক্ষুদ্র দানার চাল
নিবন্ধন সনদ নং ০৭ — রংপুরের শতরঞ্জি (২০২১) উৎপাদন অঞ্চল: রংপুর জেলা (নিসবেতগঞ্জ) নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ জুন ২০২১ (বিসিক) হস্তশিল্প ও বয়ন ক্যাটাগরির প্রাচীন কারুশিল্প
নিবন্ধন সনদ নং ০৮ — রাজশাহী সিল্ক (২০২১) উৎপাদন অঞ্চল: রাজশাহী জেলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ জুন ২০২১ (বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড) রেশম সুতা ও রেশমি বস্ত্রের ঐতিহ্যবাহী জিআই পণ্য
নিবন্ধন সনদ নং ০৯ — ঢাকাই মসলিন (২০২১) উৎপাদন অঞ্চল: ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ (মেঘনা-শীতলক্ষ্যা তীর) নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১৭ জুন ২০২১ (বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড) ফুটি কার্পাস তুলা থেকে তৈরি বিশ্বখ্যাত ঐতিহ্যবাহী সূক্ষ্ম বস্ত্র
নিবন্ধন সনদ নং ১০ — রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম (২০২২) উৎপাদন অঞ্চল: রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২২ (ফল গবেষণা কেন্দ্র, রাজশাহী) যৌথভাবে দুটি জেলার নামে নিবন্ধিত বৃহৎ আকারের সুমিষ্ট আম
নিবন্ধন সনদ নং ১১ — বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি (২০২২) উৎপাদন অঞ্চল: খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট উপকূল নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২৪ এপ্রিল ২০২২ (মৎস্য অধিদপ্তর) রপ্তানি আয়ে ‘হোয়াইট গোল্ড’ বা সাদা সোনা হিসেবে পরিচিত
নিবন্ধন সনদ নং ১২ — বাংলাদেশের শীতলপাটি (২০২৩) উৎপাদন অঞ্চল: সিলেট বিভাগ ও বৃহত্তর বাংলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০ মার্চ ২০২৩ (বিসিক) মুর্তা বা মোস্তাক বেত দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প (ইউনেস্কো ঐতিহ্য ২০১৭)
নিবন্ধন সনদ নং ১৩ — বগুড়ার দই (২০২৩) উৎপাদন অঞ্চল: বগুড়া জেলা (শেরপুর ও সদর) নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২৬ জুন ২০২৩ দুগ্ধজাত মিষ্টান্ন ক্যাটাগরিতে দেশের প্রথম নিবন্ধিত জিআই পণ্য
নিবন্ধন সনদ নং ১৪ — শেরপুরের তুলশীমালা ধান (২০২৩) উৎপাদন অঞ্চল: শেরপুর জেলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ১২ জুন ২০২৩ শেরপুরের ‘জামাই আদর’ খ্যাত সুগন্ধি পোলাওয়ের ধান
নিবন্ধন সনদ নং ১৫ — চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম (২০২৩) উৎপাদন অঞ্চল: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২৬ জুন ২০২৩ পাতলা খোসা ও আঁশবিহীন সুমিষ্ট আমের জাত
নিবন্ধন সনদ নং ১৬ — চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম (২০২৩) উৎপাদন অঞ্চল: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২৬ জুন ২০২৩ মৌসুমের শেষভাগে (ভাদ্র-আশ্বিনে) পাকা নাবী জাতের আম
নিবন্ধন সনদ নং ১৭ — নাটোরের কাঁচাগোল্লা (২০২৩) উৎপাদন অঞ্চল: নাটোর জেলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ৮ আগস্ট ২০২৩ খাঁটি ছানা ও চিনির সংমিশ্রণে তৈরি ২৫০ বছরের প্রাচীন মিষ্টান্ন
নিবন্ধন সনদ নং ১৮ — বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল (২০২৩) উৎপাদন অঞ্চল: সমগ্র বাংলাদেশ (বিশেষত কুষ্টিয়া-চুয়াডাঙ্গা) নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৩ (প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর) উন্নত মানের চামড়া (কুষ্টিয়া গ্রেড) ও সুস্বাদু মাংসের জন্য বিশ্বখ্যাত
নিবন্ধন সনদ নং ১৯ — টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: পোড়াবাড়ি, টাঙ্গাইল সদর নিবন্ধন সনদ প্রদান: জানুয়ারি ২০২৪ ধলেশ্বরী নদীর পানি ও খাঁটি ছানায় তৈরি ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি
নিবন্ধন সনদ নং ২০ — কুমিল্লার রসমালাই (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: কুমিল্লা জেলা (মনোহরপুর) নিবন্ধন সনদ প্রদান: জানুয়ারি ২০২৪ ক্ষীরের ঘন রসে ডুবানো ছোট আকারের ছানার মিষ্টান্ন
নিবন্ধন সনদ নং ২১ — কুষ্টিয়ার তিলের খাজা (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: কুষ্টিয়া জেলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: জানুয়ারি ২০২৪ তিল ও চিনির সিরায় তৈরি মচমচে ঐতিহ্যবাহী খাবার
নিবন্ধন সনদ নং ২২ — বাংলাদেশের হারিভাঙ্গা আম (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: রংপুর জেলা (মিঠাপুকুর উপজেলা) নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ আঁশবিহীন ও সুমিষ্ট রংপুর অঞ্চলের প্রধান অর্থকরী আম
নিবন্ধন সনদ নং ২৩ — মৌলভীবাজারের আগর (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: বড়লেখা উপজেলা (সুজানগর), মৌলভীবাজার নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ আগর গাছের নির্যাস থেকে মূল্যবান সুগন্ধি কাঠ উৎপাদন
নিবন্ধন সনদ নং ২৪ — মৌলভীবাজারের আগর আতর (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: বড়লেখা, মৌলভীবাজার নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানিকৃত তরল সোনা খ্যাত সুগন্ধি আতর
নিবন্ধন সনদ নং ২৫ — মুক্তাগাছার মণ্ডা (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: মুক্তাগাছা উপজেলা, ময়মনসিংহ নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৮২৪ সালে গোপাল পাল উদ্ভাবিত ঐতিহ্যবাহী ছানার মিষ্টান্ন
নিবন্ধন সনদ নং ২৬ — যশোরের খেজুরের গুড় (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: যশোর জেলা (চৌগাছা ও মণিরামপুর) নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ নলেন গুড় ও পাটালি গুড়ের জন্য বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী পণ্য
নিবন্ধন সনদ নং ২৭ — রাজশাহীর মিষ্টি পান (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: রাজশাহী জেলা (মোহনপুর, বাগমারা ও দুর্গাপুর) নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ মুখরোচক ও অর্থকরী বরজের মিষ্টি পান
নিবন্ধন সনদ নং ২৮ — জামালপুরের নকশিকাঁথা (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: জামালপুর জেলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ গ্রামীণ নারীদের সূচিকর্মের ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্প
নিবন্ধন সনদ নং ২৯ — টাঙ্গাইল শাড়ি (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: টাঙ্গাইল জেলা (পাথরাইল ও বাজিতপুর) নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ (গেজেট প্রকাশ) টাঙ্গাইলের তাঁতিদের শতবর্ষী হাতে বোনা সুতি ও সিল্ক শাড়ি
নিবন্ধন সনদ নং ৩০ — নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: নরসিংদী জেলা (মনোহরদী ও পলাশ) নিবন্ধন সনদ প্রদান: ফেব্রুয়ারি ২০২৪ মুঘল আমল থেকে প্রচলিত সুগন্ধি ও সুস্বাদু কলার জাত
নিবন্ধন সনদ নং ৩১ — গোপালগঞ্জের রসগোল্লা (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: গোপালগঞ্জ জেলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: মার্চ ২০২৪ খাঁটি ছানার তৈরি ঐতিহ্যবাহী নরম রসগোল্লা
নিবন্ধন সনদ নং ৩২ — নরসিংদীর লটকন (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: শিবপুর ও বেলাব উপজেলা, নরসিংদী নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪ পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ও সুমিষ্ট মৌসুমি ফল
নিবন্ধন সনদ নং ৩৩ — মধুপুরের আনারস (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: মধুপুর গড় অঞ্চল, টাঙ্গাইল নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪ জলডুঙ্গি ও জায়ান্ট কিউ জাতের রসালো আনারস
নিবন্ধন সনদ নং ৩৪ — ভোলার মহিষের দুধের কাঁচাদই (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: ভোলা জেলা (চরফ্যাশন ও মনপুরা) নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪ জ্বাল না দিয়ে মাটির হাঁড়িতে জমানো মহিষের দুধের ঐতিহ্যবাহী দই
নিবন্ধন সনদ নং ৩৫ — মাগুরার হাজরাপুরের লিচু (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: হাজরাপুর, মাগুরা সদর নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪ রসালো ও সুমিষ্ট দেশীয় জাতের লিচু
নিবন্ধন সনদ নং ৩৬ — সিরাজগঞ্জের গামছা (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি ও শাহজাদপুর নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪ হস্তচালিত ও পাওয়ারলুম তাঁতে তৈরি উজ্জ্বল রঙের সুতি গামছা
নিবন্ধন সনদ নং ৩৭ — সিলেটের খাসিয়া পান (২০২৪) উৎপাদন অঞ্চল: সিলেট ও মৌলভীবাজারের পাহাড়ি পুঞ্জি নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪ খাসিয়া জনগোষ্ঠী কর্তৃক উৎপাদিত ঝাঁঝালো ও রপ্তানিযোগ্য পান
নিবন্ধন সনদ নং ৩৮ — নওগাঁর নাকফজলি আম (২০২৪–২৫) উৎপাদন অঞ্চল: বদলগাছী ও ধামইরহাট, নওগাঁ নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪–২৫ নাকের ন্যায় খাঁজযুক্ত সুমিষ্ট ও আঁশবিহীন আম
নিবন্ধন সনদ নং ৩৯ — সুন্দরবনের মধু (২০২৪–২৫) উৎপাদন অঞ্চল: সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল (সাতক্ষীরা-খুলনা-বাগেরহাট) নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪–২৫ খলিশা, গরান ও কেওড়া ফুলের প্রাকৃতিক খাঁটি মধু
নিবন্ধন সনদ নং ৪০ — ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী মিষ্টি (২০২৪–২৫) উৎপাদন অঞ্চল: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪–২৫ ছোট চারকোনা আকারের কড়া পাকের ঐতিহ্যবাহী ছানার মিষ্টি
নিবন্ধন সনদ নং ৪১ — জামালপুরের মুড়ি (২০২৪–২৫) উৎপাদন অঞ্চল: জামালপুর জেলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪–২৫ হাতে ভাজা রাসায়নিকমুক্ত সুস্বাদু মুড়ি
নিবন্ধন সনদ নং ৪২ — দিনাজপুরের বেদানা লিচু (২০২৪–২৫) উৎপাদন অঞ্চল: মাসিমপুর ও বিরল, দিনাজপুর নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪–২৫ ছোট বিচি ও পুরু শাঁসযুক্ত দেশের সেরা জাতের লিচু
নিবন্ধন সনদ নং ৪৩ — বরিশালের আমড়া (২০২৪–২৫) উৎপাদন অঞ্চল: বরিশাল, পিরোজপুর ও ঝালকাঠি নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৪–২৫ আকারে বড়, মিষ্টি ও ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল
নিবন্ধন সনদ নং ৪৪ — কুমারখালীর বেডশিট (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ বস্ত্র ও তাঁত শিল্পে কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী রপ্তানিযোগ্য বিছানার চাদর
নিবন্ধন সনদ নং ৪৫ — মুন্সীগঞ্জের পাতক্ষীর (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: সিরাজদিখান উপজেলা, মুন্সীগঞ্জ নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ কলাপাতার মোড়কে পরিবেশিত ঘন দুধের ঐতিহ্যবাহী ক্ষীর
নিবন্ধন সনদ নং ৪৬ — নওগাঁর সন্দেশ / প্যারা সন্দেশ (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: নওগাঁ সদর (কালীতলা) নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ পূজা ও উৎসবের ঐতিহ্যবাহী ক্ষীরের প্যারা সন্দেশ
নিবন্ধন সনদ নং ৪৭ — টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জামুর্কির সন্দেশ (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: জামুর্কি, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ কালিদাস মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী সন্দেশ
নিবন্ধন সনদ নং ৪৮ — কিশোরগঞ্জের রাতা বোরো ধান (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: হাওর অঞ্চল (ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম), কিশোরগঞ্জ নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ হাওরাঞ্চলের স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু বোরো ধানের জাত
নিবন্ধন সনদ নং ৪৯ — অষ্টগ্রামের পনির (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: অষ্টগ্রাম উপজেলা, কিশোরগঞ্জ নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ মুঘল আমল থেকে প্রচলিত মহিষ ও গরুর দুধের লবণাক্ত পনির
নিবন্ধন সনদ নং ৫০ — গাজীপুরের কাঁঠাল (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: শ্রীপুর ও কাপাসিয়া, গাজীপুর নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ জাতীয় ফল কাঁঠাল উৎপাদনে শীর্ষ জেলার ঐতিহ্যবাহী জিআই পণ্য
নিবন্ধন সনদ নং ৫১ — শেরপুরের ছানার পায়েস (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: শেরপুর জেলা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ ছানার ছোট গুটি ও ঘন দুধের ক্ষীরে তৈরি অনন্য মিষ্টান্ন
নিবন্ধন সনদ নং ৫২ — সুনামগঞ্জের হাসন রাজার স্মৃতিবিজরিত ঐতিহ্য / স্থানীয় পণ্য (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: সুনামগঞ্জ ও সিলেট অঞ্চল নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ (DPDT) ভাটি অঞ্চলের আঞ্চলিক ঐতিহ্যবাহী নিবন্ধন
নিবন্ধন সনদ নং ৫৩ — সিরাজগঞ্জের লুঙ্গি (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: সিরাজগঞ্জ ও পাবনা তাঁত অঞ্চল নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ আরামদায়ক ও টেকসই সুতি বয়ন শিল্প
নিবন্ধন সনদ নং ৫৪ — জয়পুরহাটের লতিরাজ কচু (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: পাঁচবিবি ও সদর, জয়পুরহাট নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ উচ্চফলনশীল ও বিদেশে রপ্তানিযোগ্য কচুর লতি
নিবন্ধন সনদ নং ৫৫ — চাঁপাইনবাবগঞ্জের গৌড়মতি আম (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ ল্যাংড়া ও আশ্বিনা আমের প্রাকৃতিক সংকরায়নে সৃষ্ট নাবী জাতের আম
নিবন্ধন সনদ নং ৫৬ — ভোলার গলদা চিংড়ি (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: ভোলা ও দক্ষিণাঞ্চলীয় মেঘনা মোহনা নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ মিঠাপানির বৃহৎ আকারের সুস্বাদু গলদা চিংড়ি
নিবন্ধন সনদ নং ৫৭ — ঠাকুরগাঁওয়ের সূর্যপুরী আম (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: বালিয়াডাঙ্গী ও সদর, ঠাকুরগাঁও নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সুগন্ধি ও পাতলা আঁটির আম
নিবন্ধন সনদ নং ৫৮ — নীলফামারীর সিদল (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: নীলফামারী ও রংপুর অঞ্চল নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ পুঁটি-টাকি শুঁটকি ও কচুর ডাঁটা বাটা দিয়ে তৈরি উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খাবার
নিবন্ধন সনদ নং ৫৯ — লালমনিরহাটের চ্যাপা শুঁটকি (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: তিস্তা-ধরলা অববাহিকা, লালমনিরহাট নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ মৃৎপাত্রে প্রক্রিয়াজাত সুস্বাদু দেশীয় শুঁটকি
নিবন্ধন সনদ নং ৬০ — ফরিদপুরের পাট (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: ফরিদপুর জেলা (সালথা, বোয়ালমারী ও নগরকান্দা) নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ (DPDT নিবন্ধন সনদ নং ৬০, GI-72) উন্নত মানের উজ্জ্বল ও দীর্ঘ আঁশের বিশ্বখ্যাত তোষা পাট (৬০তম নিবন্ধিত জিআই)
নিবন্ধন সনদ নং ৬১ — মেহেরপুরের সাবিত্রী মিষ্টি (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: মেহেরপুর সদর নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ (DPDT নিবন্ধন সনদ নং ৬১, GI-96) দুধের সর ও ক্ষীর দিয়ে তৈরি ১৫০ বছরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন (৬১তম নিবন্ধিত জিআই)
নিবন্ধন সনদ নং ৬২ — রাজশাহীর সিঁদুরকৌটা আম (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: বাঘা ও চারঘাট, রাজশাহী নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ পাকলে বোঁটার কাছে সিঁদুরের মতো লালচে আভাযুক্ত সুমিষ্ট দেশীয় আম
নিবন্ধন সনদ নং ৬৩ — বান্দরবানের কাজুবাদাম ও কফি (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ি, বান্দরবান নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ পার্বত্য চট্টগ্রামের উচ্চমূল্যের অর্থকরী পাহাড়ি ফসল
নিবন্ধন সনদ নং ৬৪ — কক্সবাজারের মহেশখালীর মিষ্টি পান (২০২৫) উৎপাদন অঞ্চল: মহেশখালী দ্বীপ, কক্সবাজার নিবন্ধন সনদ প্রদান: ২০২৫ পাহাড়ি ঢালে উৎপাদিত ঐতিহ্যবাহী ও সুমিষ্ট মহেশখালীর পান