টপিক 05 / ৫৮প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা📖 স্টাডি নোট

টপিক ০৫: মুঘল আমল ও বারো ভূঁইয়াদের প্রতিরোধ

অধ্যায় ০৫: মুঘল আমল ও বারো ভূঁইয়াদের প্রতিরোধ #

⚔️ বারো ভূঁইয়াদের সংগ্রাম ও মুঘল আমল সম্পর্কিত জরুরি উপাত্ত (প্রামাণ্য ঐতিহাসিক রূপরেখা) #

  • বারো ভূঁইয়া পরিচয়: আকবর ও জাহাঙ্গীরের আমলে ভাটি অঞ্চলের স্বাধীনচেতা জমিদারগণ বারো ভূঁইয়া নামে খ্যাত। ঈসা খাঁর পিতা সুলাইমান খাঁ ছিলেন খিজিরপুর ও সোনারগাঁও অঞ্চলের আদি প্রতিষ্ঠাতা।
  • মানসিংহের অভিযান: সম্রাট আকবর বারো ভূঁইয়াদের দমনে চারজন সুবাদার প্রেরণ করেন—শাহবাজ খান, সাদিক খান, উজির খান এবং রাজা মানসিংহ। ১৫৯৭ সালে ঈসা খাঁ বিক্রমপুরের কাছে নৌযুদ্ধে মানসিংহকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করেন।
  • সুবাদার ইসলাম খাঁ ও ঢাকার গৌরব: ১৬০৮ সালে ইসলাম খাঁ সুবাদার হয়ে ঢাকায় এসে ১৬১০ সালে প্রাদেশিক রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় আনেন। ঢাকার প্রথম মুঘল সুবাদার হিসেবে তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামে ঢাকার নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।
  • শায়েস্তা খাঁর স্থাপত্য: শায়েস্তা খাঁর আমলে নির্মিত হয় লালবাগ দুর্গ (আওরঙ্গবাদ দুর্গ, ১৬৭৮ সালে যুবরাজ মুহম্মদ আজম শুরু করেন এবং শায়েস্তা খাঁ সম্পন্ন করেন), ছোট কাটরা, সাত গম্বুজ মসজিদ ও চকবাজার মসজিদ। তাঁর কন্যা পরী বিবি (ইরান দুখত)-র সমাধি লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরে অবস্থিত।

মুঘল সম্রাটদের ক্রমধারা ও প্রধান কীর্তি #

মুঘল সম্রাট শাসনকাল প্রধান যুদ্ধ, সংস্কার ও বাংলা সংশ্লিষ্ট তথ্য
১. জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ১৫২৬–১৫৩০ ফারগানার শাসক। ২১ এপ্রিল ১৫২৬ পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদীকে কামান ব্যবহার করে পরাজিত করে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। আত্মজীবনী: তুর্কি ভাষায় রচিত ‘তুজুক-ই-বাবরী’ (বাবরনামা)।
২. নাসিরউদ্দিন হুমায়ুন ১৫৩০–১৫৪০, ১৫৫৫–১৫৫৬ ১৫৩৮ সালে গৌড়ের মনোরম পরিবেশ দেখে এর নাম দেন ‘জান্নাতাবাদ’। ১৫৩৯ সালে চৌসার যুদ্ধ ও ১৫৪০ সালে কনৌজের যুদ্ধে শেরশাহের কাছে পরাজিত হয়ে পারস্যে আশ্রয় নেন। তাঁর ভগ্নি গুলবদন বেগম রচনা করেন ‘হুমায়ুননামা’। লাইব্রেরির সিঁড়ি থেকে পড়ে মৃত্যু।
[মধ্যবর্তী] শেরশাহ শূর ১৫৪০–১৫৪৫ ফরিদ খান। ঘোড়ার ডাক প্রথা, রৌপ্যমুদ্রা ‘রূপিয়া’ ও তাম্রমুদ্রা ‘দাম’, ভূমি রাজস্বে ‘কবুলিয়ত’ ও ‘পাট্টা’ প্রথা চালু করেন। সোনারগাঁও থেকে সিন্ধু নদ পর্যন্ত প্রায় ১,৫০০ কোশ (৩,০০০ কি.মি.) দীর্ঘ ‘গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড’ (সড়ক-ই-আজম) নির্মাণ করেন।
৩. জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর ১৫৫৬–১৬০৫ মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ। অভিভাবক বৈরাম খাঁর নেতৃত্বে ১৫৫৬ সালে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে হিমুকে পরাজিত করেন। ১৫৭৬ সালে রাজমহলের যুদ্ধে দাউদ খান কররানিকে পরাজিত করে বাংলা জয় করেন (তবে বারো ভূঁইয়াদের কারণে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি)। ১৫৮২ সালে ‘দীন-ই-ইলাহী’ ধর্ম এবং ১৫৮৪ সালে বাংলা সন (বঙ্গাব্দ) প্রবর্তন করেন। রাজস্ব মন্ত্রী টোডরমল, সভাসদ আবুল ফজল (আইন-ই-আকবরী ও আকবরনামা) এবং সঙ্গীতজ্ঞ তানসেন তাঁর নবরত্ন সভার সদস্য ছিলেন। জিজিয়া ও তীর্থকর রহিত করেন।
৪. নূরউদ্দিন মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর ১৬০৫–১৬২৭ আত্মজীবনী: ‘তুজুক-ই-জাহাঙ্গীরী’। তাঁর শাসনামলে সুবেদার ইসলাম খান চিশতী বারো ভূঁইয়াদের দমন করে ১৬১০ সালে ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করেন এবং নাম দেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’। ১৬১২ সালে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে সুরাটে কুঠি স্থাপনের অনুমতি দেন (দূত: ক্যাপ্টেন হকিন্স ও স্যার টমাস রো)।
৫. সাহাবউদ্দিন শাহজাহান ১৬২৮–১৬৫৮ ‘স্থাপত্যের রাজপুত্র’। স্ত্রী মমতাজ মহলের স্মৃতিতে আগ্রায় তাজমহল (স্থপতি: ওস্তাদ ঈসা সিরাজী), দিল্লির লাল কেল্লা, দেওয়ান-ই-আম, দেওয়ান-ই-খাস ও ময়ূর সিংহাসন নির্মাণ করেন। পুত্র শাহ সুজা বাংলার সুবেদার ছিলেন।
৬. মহিউদ্দিন আওরঙ্গজেব ১৬৫৮–১৭০৭ উপাধি: ‘আলমগীর’ ও সরল জীবনযাপনের জন্য ‘জিন্দাপীর’। সাম্রাজ্যের সর্বাধিক বিস্তার ঘটে। ফতোয়া-ই-আলমগীরী সংকলন করেন। তাঁর আমলে মীর জুমলা ও শায়েস্তা খান বাংলার সুবেদার ছিলেন।

পানিপথের ৩টি ঐতিহাসিক যুদ্ধ (এক নজরে):

  • প্রথম যুদ্ধ (২১ এপ্রিল, ১৫২৬): বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী ➔ বাবর জয়ী (মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা)।
  • দ্বিতীয় যুদ্ধ (৫ নভেম্বর, ১৫৫৬): আকবর (বৈরাম খাঁ) বনাম হিমু ➔ আকবর জয়ী (মুঘল শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা)।
  • তৃতীয় যুদ্ধ (১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১): আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালী বনাম মারাঠা শক্তি (সদাশিব রাও) ➔ আবদালী জয়ী।

বারো ভূঁইয়াদের ইতিহাস (ষোড়শ শতকের শেষার্ধ – ১৬১২ খ্রি.) #

সম্রাট আকবর ও জাহাঙ্গীরের আমলে পূর্ববঙ্গের ভাটি অঞ্চলের স্বাধীনচেতা জমিদারদের একত্রে ‘বারো ভূঁইয়া’ বলা হতো (এখানে ‘বারো’ সংখ্যাটি নির্দিষ্ট ১২ জন নয়, বরং ‘অসংখ্য’ জমিদার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে)।

  • বারো ভূঁইয়াদের নেতা: ঈসা খাঁ (মসনদ-ই-আলা)।
  • ঈসা খাঁর রাজধানী: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও (প্রাচীন নাম সুবর্ণগ্রাম)। পরবর্তীতে ঈসা খাঁর পুত্র মুসা খাঁ সুবেদার ইসলাম খানের নিকট পরাজিত হয়ে বশ্যতা স্বীকার করেন (১৬১১ খ্রি.)।
  • অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ভূঁইয়া: যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্য, বিক্রমপুরের চাঁদ রায় ও কেদার রায়, বাকলা-চন্দ্রদ্বীপের কন্দর্প নারায়ণ, ভুলুয়ার লক্ষ্মণ মাণিক্য, ভাওয়ালের ফজল গাজী, সিলেটের খাজা উসমান।

বাংলায় মুঘল সুবেদারি শাসন ও ঢাকার রাজধানী মর্যাদা #

  1. ইসলাম খান চিশতী (১৬০৮–১৬১৩): বাংলার প্রথম প্রকৃত মুঘল সুবেদার যিনি বারো ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে রাজমহল থেকে ঢাকায় প্রথমবার বাংলার রাজধানী স্থানান্তর করে নাম দেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’। তিনি ঢাকায় ‘ধোলাই খাল’ খনন করেন।
  2. শাহ সুজা (১৬৩৯–১৬৬০): ১৬৩৯ সালে রাজধানী ঢাকা থেকে পুনরায় রাজমহলে নেন। তাঁর আমলে ১৬৪৪ সালে ঢাকায় ‘বড় কাটরা’ নির্মিত হয়।
  3. মীর জুমলা (১৬৬০–১৬৬৩): ১৬৬০ সালে দ্বিতীয়বার রাজমহল থেকে ঢাকায় রাজধানী ফিরিয়ে আনেন। আসাম ও কুচবিহার জয় করেন, নারায়ণগঞ্জে হাজীগঞ্জ ও সোনাকান্দা জলদুর্গ, পাগলা পুল এবং বিখ্যাত ‘বিবি মরিয়ম কামান’ স্থাপন করেন।
  4. শায়েস্তা খান (১৬৬৪–১৬৭৮ এবং ১৬৭৯–১৬৮৮): আওরঙ্গজেবের মামা। আরাকানি মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের দমন করে ১৬৬৬ সালে চট্টগ্রাম মুক্ত করেন এবং এর নাম রাখেন ‘ইসলামাবাদ’। তাঁর আমলে দ্রব্যমূল্য এত সস্তা ছিল যে টাকায় ৮ মণ চাল পাওয়া যেত। তিনি ঢাকায় ছোট কাটরা, লালবাগ কেল্লার পরীবিবির মাজার, চকবাজার মসজিদ, সাত গম্বুজ মসজিদ ও পাগলা সেতু নির্মাণ করেন।
  5. মুর্শিদ কুলি খান: ১৭০৪ সালে দেওয়ানি দপ্তর ঢাকা থেকে মাকসুদাবাদে (মুর্শিদাবাদ) স্থানান্তর করেন এবং ১৭১৭ সালে বাংলার নবাব হয়ে মুর্শিদাবাদকে রাজধানী করেন।

ঢাকা এ পর্যন্ত মোট ৫ বার রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে:
১. ১৬১০ সালে: সুবেদার ইসলাম খান চিশতীর আমলে (মুঘল প্রাদেশিক রাজধানী ‘জাহাঙ্গীরনগর’)।
২. ১৬৬০ সালে: সুবেদার মীর জুমলার আমলে (রাজমহল থেকে পুনরায় ঢাকায় স্থানান্তর)।
৩. ১৯০৫ সালে: লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গের পর ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম’ প্রদেশের রাজধানী।
৪. ১৯৪৭ সালে: দেশভাগের পর পূর্ব বাংলার / পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক রাজধানী।
৫. ১৯৭১ সালে: স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের রাজধানী [সংবিধানের ৫(ক) অনুচ্ছেদ]। (১৯৮২ সালে বানান Dacca থেকে Dhaka করা হয়)।


৫.২ মুঘল আমল ও বারো ভূঁইয়া — মাস্টার রেফারেন্স সারণি #

ঐতিহাসিক বিষয় / শাসক / ঘটনা সময়কাল / রাজধানী / স্থান প্রধান কীর্তি / বৈশিষ্ট্য ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও পরীক্ষার তথ্য
ঈসা খাঁ (বারো ভূঁইয়া) ১৫২৯–১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দ (রাজধানী: সোনারগাঁও) ভাটি অঞ্চলের বারো ভূঁইয়াদের প্রধান; উপাধি ‘মসনদ-ই-আলা’ ১৫৭৫ ও ১৫৮৪ সালে মুঘল সেনাপতি শাহবাজ খান ও মানসিংহকে পরাজিত করেন
সুবেদার ইসলাম খান চিশতী শাসনকাল: ১৬০৮–১৬১৩ খ্রিস্টাব্দ ১৬১০ সালে রাজমহল থেকে ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে ঢাকার নাম রাখেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’
মীর জুমলা শাসনকাল: ১৬৬০–১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দ আসাম ও কোচবিহার জয় করেন; ঢাকা গেট ও কামান স্থাপন নারায়ণগঞ্জে জলদস্যু দমনে দুর্গ সংস্কার করেন
শায়েস্তা খান শাসনকাল: ১৬৬৪–১৬৮৮ খ্রিস্টাব্দ (দুই মেয়াদে) ১৬৬৬ সালে পর্তুগিজ ও মগ জলদস্যুদের হটিয়ে চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধার (নাম রাখেন ইসলামাবাদ) টাকায় ৮ মণ চাল পাওয়া যেত; লালবাগ কেল্লা ও সাত গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ

📋 ০৫. মুঘল আমল ও বারো ভূঁইয়া — মূল পয়েন্ট ও তথ্য-সারসংক্ষেপ সারণি #

বিষয় / শিরোনাম / মূল এন্টিটি প্রধান তথ্য ও বিবরণ অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য ও প্রাসঙ্গিক তথ্য সিলেবাস অধ্যায় ও পরীক্ষার গুরুত্ব
বারো ভূঁইয়াদের নেতা ঈসা খাঁ (মসনদ-ই-আলা) বারো ভূঁইয়াদের ইতিহাস (ষোড়শ শতকের শেষার্ধ – ১৬১২ খ্রি.) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ০৫. মুঘল আমল ও বারো ভূঁইয়া (প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা)
ঈসা খাঁর রাজধানী নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও (প্রাচীন নাম সুবর্ণগ্রাম) পরবর্তীতে ঈসা খাঁর পুত্র মুসা খাঁ সুবেদার ইসলাম খানের নিকট পরাজিত হয়ে বশ্যতা স্বীকার করেন (১৬১১ খ্রি.) ০৫. মুঘল আমল ও বারো ভূঁইয়া (প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা)
অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ভূঁইয়া যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্য, বিক্রমপুরের চাঁদ রায় ও কেদার রায়, বাকলা-চন্দ্রদ্বীপের কন্দর্প নারায়ণ, ভুলুয়ার লক্ষ্মণ মাণিক্য, ভাওয়ালের ফজল গাজী, সিলেটের খাজা উসমান বারো ভূঁইয়াদের ইতিহাস (ষোড়শ শতকের শেষার্ধ – ১৬১২ খ্রি.) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ০৫. মুঘল আমল ও বারো ভূঁইয়া (প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা)
ইসলাম খান চিশতী (১৬০৮–১৬১৩) বাংলার প্রথম প্রকৃত মুঘল সুবেদার যিনি বারো ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে রাজমহল থেকে ঢাকায় প্রথমবার বাংলার রাজধানী স্থানান্তর করে নাম দেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’ তিনি ঢাকায় ‘ধোলাই খাল’ খনন করেন ০৫. মুঘল আমল ও বারো ভূঁইয়া (প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা)
শাহ সুজা (১৬৩৯–১৬৬০) ১৬৩৯ সালে রাজধানী ঢাকা থেকে পুনরায় রাজমহলে নেন তাঁর আমলে ১৬৪৪ সালে ঢাকায় ‘বড় কাটরা’ নির্মিত হয় ০৫. মুঘল আমল ও বারো ভূঁইয়া (প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা)
মীর জুমলা (১৬৬০–১৬৬৩) ১৬৬০ সালে দ্বিতীয়বার রাজমহল থেকে ঢাকায় রাজধানী ফিরিয়ে আনেন আসাম ও কুচবিহার জয় করেন, নারায়ণগঞ্জে হাজীগঞ্জ ও সোনাকান্দা জলদুর্গ, পাগলা পুল এবং বিখ্যাত ‘বিবি মরিয়ম কামান’ স্থাপন করেন ০৫. মুঘল আমল ও বারো ভূঁইয়া (প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা)
শায়েস্তা খান (১৬৬৪–১৬৭৮ এবং ১৬৭৯–১৬৮৮) আওরঙ্গজেবের মামা আরাকানি মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের দমন করে ১৬৬৬ সালে চট্টগ্রাম মুক্ত করেন এবং এর নাম রাখেন ‘ইসলামাবাদ’ ০৫. মুঘল আমল ও বারো ভূঁইয়া (প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা)
মুর্শিদ কুলি খান ১৭০৪ সালে দেওয়ানি দপ্তর ঢাকা থেকে মাকসুদাবাদে (মুর্শিদাবাদ) স্থানান্তর করেন এবং ১৭১৭ সালে বাংলার নবাব হয়ে মুর্শিদাবাদকে রাজধানী করেন বাংলায় মুঘল সুবেদারি শাসন ও ঢাকার রাজধানী মর্যাদা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ০৫. মুঘল আমল ও বারো ভূঁইয়া (প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা)
তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে মুঘল সুবেদার ইসলাম খান চিশতী ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে রাজমহল থেকে ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এর নাম রাখেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’ 📝 টপিকভিত্তিক বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্নোত্তর অনুশীলন (টপিক ০৫) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ০৫. মুঘল আমল ও বারো ভূঁইয়া (প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা)