টপিক 56 / ৫৮শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া📖 স্টাডি নোট
টপিক ৫৬: শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষা কমিশন, বিশ্ববিদ্যালয়, সাহিত্য-সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র ও চারুকলা
অধ্যায় ৫৬: শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষা কমিশন, বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্কৃতি #
🎓 শিক্ষা ব্যবস্থা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিবরণ #
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের ইতিহাস: ১৯১২ সালের নাথান কমিটি এবং ১৯১৭ সালের স্যাডলার কমিশনের সুপারিশে ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম উপাচার্য স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ; প্রথম ভারতীয় ও মুসলিম উপাচার্য স্যার এ এফ রহমান (১৯৩৪)।
- বাংলা একাডেমি: ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বর্ধমান হাউসে প্রতিষ্ঠিত হয়। ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণার জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১. প্রধান শিক্ষা কমিশন ও শিক্ষানীতিসমূহ #
- ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমল: উডের ডেসপাচ (১৮৫৪ — ভারতীয় শিক্ষার ম্যাগনাকার্টা), হান্টার কমিশন (১৮৮২ — লর্ড রিপন), নাথান কমিশন (১৯১২ — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত), স্যাডলার কমিশন (১৯১৭), সার্জেন্ট পরিকল্পনা (১৯৪৪), মাওলানা আকরম খাঁ শিক্ষা কমিশন (১৯৪৯), শরীফ কমিশন (১৯৫৮/১৯৫৯ — এর বিরুদ্ধে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৬২ শিক্ষা আন্দোলন হয়), হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশন (১৯৬৪), নূর খান কমিশন (১৯৬৯)।
- স্বাধীন বাংলাদেশের শিক্ষা কমিশনসমূহ:
- ড. কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন (গঠন: ২৬ জুলাই ১৯৭২; রিপোর্ট পেশ: মে ১৯৭৪): স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন।
- কাজী জাফর আহমদ ও মজিদ খান শিক্ষানীতি (১৯৭৮ ও ১৯৮৩ — মজিদ খান শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩ ছাত্র আন্দোলনে জয়নাল, জাফর, দিপালী সাহা প্রমুখ শহিদ হন)।
- মফিজউদ্দিন আহমদ শিক্ষা কমিশন (১৯৮৭–৮৮)।
- এম. শামসুল হক শিক্ষা কমিশন (১৯৯৭ — প্রথম জাতীয় শিক্ষানীতি ২০০০ প্রণয়ন করে)।
- ড. এম. এ. বারী কমিশন (২০০১) ও ড. মনিরুজ্জামান মিঞা কমিশন (২০০৩)।
- জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ (কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন — ২০০৯): শিক্ষার স্তর ৩টি নির্ধারণ করা হয় (প্রাথমিক ১ম–৮ম শ্রেণি, মাধ্যমিক ৯ম–১২শ শ্রেণি এবং উচ্চশিক্ষা)।
- সাক্ষরতা ও প্রাথমিক শিক্ষা:
- ১৯৯০ সালে ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন’ পাস হয়; ১ জানুয়ারি ১৯৯২ সালে ৬৮টি থানা এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ থেকে সারাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়।
- দেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত জেলা: মাগুরা (প্রথম নিরক্ষরমুক্ত গ্রাম: ঠাকুরগাঁওয়ের কচুবাড়ী কৃষ্টপুর)।
২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ (২০২৬ সর্বশেষ আপডেট) #
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’):
- প্রেক্ষাপট: ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। ১৯১২ সালের ২৭ মে ব্যারিস্টার রবার্ট নাথানের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের ‘নাথান কমিশন’ গঠিত হয় (এতে নবাব সলিমুল্লাহ, নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী, ধনবাড়ীর জমিদার ও স্যার এ এফ রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন; নবাব সলিমুল্লাহ ও নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী জমি দান করেন)।
- আইন পাস ও প্রতিষ্ঠা: ১৯২০ সালের ২৩ মার্চ ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট’ পাস হয় এবং ১ জুলাই ১৯২১ রমনা এলাকার ৬০০ একর জমিতে ৩টি অনুষদ (কলা, বিজ্ঞান ও আইন), ১২টি বিভাগ, ৩টি আবাসিক হল (ঢাকা হল/শহীদুল্লাহ হল, জগন্নাথ হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হল), ৬০ জন শিক্ষক ও ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যক্তিত্বগণ:
- প্রথম আচার্য (Chancellor): লর্ড রোনাল্ডসে (বাংলার গভর্নর)।
- প্রথম উপাচার্য (Vice-Chancellor): স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ (P. J. Hartog)।
- প্রথম ভারতীয় ও মুসলমান উপাচার্য: স্যার এ. এফ. রহমান (১৯৩৪–১৯৩৬)।
- প্রথম বাঙালি ও উপমহাদেশের প্রথম ডক্টরেট উপাচার্য: ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার (১৯৩৬–১৯৪২)।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম উপাচার্য: বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী (এবং পরবর্তীতে ড. মোজাফফর আহমদ চৌধুরী)।
- প্রথম ছাত্রী: লীলা নাগ (রায়) (১৯২১ সালে ইংরেজি বিভাগে এম.এ. ভর্তি হন; প্রথম মুসলিম ছাত্রী ফজিলাতুন্নেসা — গণিত বিভাগ)।
- প্রথম মুসলমান ও বাঙালি অধ্যাপক: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (সংস্কৃত ও বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন)।
- দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য (২০২৬):
- বর্তমানে দেশে মোট সরকারি (পাবলিক) বিশ্ববিদ্যালয়: ৫৯টি।
- সর্বশেষ (৫৯তম) সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৯তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
- দেশের স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশে ৪টি + নতুন ১টি = মোট ৫টি): ১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯২১), ২. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (৬ জুলাই ১৯৫৩ — ২য় প্রাচীনতম), ৩. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৮ নভেম্বর ১৯৬৬ — আয়তনে বৃহত্তম ক্যাম্পাস) ও ৪. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (২০ আগস্ট ১৯৭০ — একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়; দেশের প্রথম নারী উপাচার্য ড. ফারজানা ইসলাম ২০১৪ সালে জাবিতে নিযুক্ত হন) এবং ৫ম স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়: ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি।
- বিশেষায়িত প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ: প্রথম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ (১৯৬১); প্রথম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়: বুয়েট (BUET), ঢাকা (১৯৬২ — আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল ১৮৭৬ থেকে উন্নীত); প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (SUST), সিলেট (১৯৮৬/১৯৯১); প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় / বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৯৮ — পিজি হাসপাতাল থেকে উন্নীত); প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়: নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (১৯৯২); একমাত্র মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় (২০১৩), এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় (২০১৯ — লালমনিরহাট), ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (চট্টগ্রাম)।
- সরকারি মেডিকেল কলেজ: মোট ৪১টি (এমবিবিএস মেডিকেল কলেজ ৩৯টি; প্রথম মেডিকেল কলেজ ঢাকা মেডিকেল কলেজ — ১০ জুলাই ১৯৪৬, ২০২৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ)।
১. বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও তাঁদের অমর চিত্রকর্ম #
| চিত্রশিল্পীর নাম ও উপাধি | জন্মস্থান | বিখ্যাত চিত্রকর্ম ও ঐতিহাসিক অবদান |
|---|---|---|
| ১. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন (১৯১৪–১৯৭৬) | কিশোরগঞ্জ (ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে বেড়ে ওঠেন) | বাংলাদেশের আধুনিক চিত্রকলার জনক। ১৯৪৩ সালের পঞ্চাশের মন্বন্তরের ওপর আঁকা ‘দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা’ (Famine Sketches) তাঁকে বিশ্বখ্যাতি এনে দেয়। অন্যান্য বিখ্যাত চিত্রকর্ম: ‘সংগ্রাম’ (গরুর গাড়ির চাকা কাদায় আটকে যাওয়া), ‘মনপুরা-৭০’ (১৯৭০-এর ঘূর্ণিঝড় নিয়ে ৩০ ফুট দীর্ঘ স্ক্রল চিত্র), ‘নবান্ন’ (৬৫ ফুট দীর্ঘ স্ক্রল), ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’, ‘সাঁওতাল রমণী’, ‘মই দেয়া’, ‘বিদ্রোহী’, ‘গুণটানা’। ১৯৪৮ সালে ঢাকায় চারুকলা ইনস্টিটিউট এবং ১৯৭৫ সালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ‘বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন। ময়মনসিংহে ‘জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা’ অবস্থিত। |
| ২. পটুয়া কামরুল হাসান (১৯২১–১৯৮৮) | বর্ধমান (পৈতৃক) / কলকাতা | নিজেকে ‘পটুয়া’ পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশাকার ও জাতীয় প্রতীকের অন্যতম ডিজাইনার। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে জেনারেল ইয়াহিয়া খানের দানবীয় মুখাকৃতি এঁকে পোস্টার তৈরি করেন— “এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে”। ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় কবিতা উৎসবে স্বৈরাচার এরশাদকে ইঙ্গিত করে জীবনের শেষ স্কেচ “দেশ আজ বিশ্ব বেহায়ার খপ্পরে” আঁকার পরপরই হৃদরোগে মৃত্যুবরণ করেন। বিখ্যাত চিত্রকর্ম: ‘তিন কন্যা’, ‘উঁকি’, ‘নবান্ন’, ‘নাইওর’, ‘বাংলার রূপ’। |
| ৩. এস. এম. সুলতান (১৯২৩–১৯৯৪) | মাছিমদিয়া, নড়াইল (চিত্রা নদীর তীরে) | পূর্ণ নাম: শেখ মোহাম্মদ সুলতান; ডাকনাম ‘লাল মিয়া’। তাঁর ছবির মূল বিষয় ছিল পেশিবহুল আবহমান বাংলার কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষ। বিখ্যাত চিত্রকর্ম: ‘প্রথম বৃক্ষরোপণ’, ‘চর দখল’, ‘হত্যাযজ্ঞ’, ‘ধান মাড়াই’, ‘যাত্রা’, ‘মাছ কাটা’। ১৯৮২ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ ও বাংলাদেশ সরকার ‘রেসিডেন্ট আর্টিস্ট’ ঘোষণা করে। শিশুদের জন্য নড়াইলে ‘শিশুস্বর্গ’ ও ভ্রাম্যমাণ নৌকা তৈরি করেন। (তাঁকে নিয়ে তারেক মাসুদের প্রামাণ্যচিত্র: ‘আদম সুরত’ — ১৯৮৯)। |
| ৪. সফিউদ্দীন আহমেদ (১৯২২–২০১২) | কলকাতা / ঢাকা | বাংলাদেশের ছাপচিত্রের (Printmaking) জনক। বিখ্যাত চিত্রকর্ম: ‘বন্যা’, ‘জাল’, ‘মাছ ধরার সময়’, ‘কান্না’, ‘একুশে স্মরণে’। |
| ৫. মোহাম্মদ কিবরিয়া, রশিদ চৌধুরী, কাইয়ুম চৌধুরী ও শাহাবুদ্দিন আহমেদ | — | • মোহাম্মদ কিবরিয়া: বিমূর্ত চিত্রকলার পথিকৃৎ। • রশিদ চৌধুরী: বাংলাদেশে ‘ট্যাপেস্ট্রি’ (Tapestry — বয়নশিল্প) মাধ্যমের জনক। • শাহাবুদ্দিন আহমেদ: মুক্তিযোদ্ধা ও প্যারিসপ্রবাসী চিত্রশিল্পী (ফ্রান্সের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘নাইট’ বা Chevalier প্রাপ্ত; গতিশীল মানবদেহ ও মুক্তিযুদ্ধ তাঁর ছবির মূল বিষয়)। |
২. বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতি, সংগীত ও আঞ্চলিক গান #
- ভাওয়াইয়া গান: উত্তরবঙ্গ (রংপুর, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর — মহিষের গাড়ির চালক বা মৈষালদের গান)। ভাওয়াইয়া সম্রাট: আব্বাসউদ্দীন আহমদ (জন্ম: তুফানগঞ্জ, কুচবিহার; গান: ‘ও কি গাড়িয়াল ভাই’, ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’; বই: ‘আমার শিল্পীজীবনের কথা’)।
- ভাটিয়ালি গান: নদীমাতৃক পূর্ববঙ্গ (ময়মনসিংহ, সিলেট, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, ফরিদপুর — মাঝিমাল্লাদের গান)। ভাটিয়ালি ও পল্লীগীতির সম্রাট: আবদুল আলীম (‘সর্বনাশা পদ্মা নদী’, ‘হলুদ বাটো মেন্দি বাটো’)।
- গম্ভীরা গান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও মালদহ অঞ্চল (নানা-নাতির সংলাপ ও গানের মাধ্যমে সামাজিক অসংগতি তুলে ধরা হয়; গম্ভীরা সম্রাট কুতুবুল আলম ও রকিবউদ্দীন)।
- ভাণ্ডারী ও মাইজভাণ্ডারী গান: চট্টগ্রাম (ফটিকছড়ি; বিখ্যাত শিল্পী আবদুল গফুর হালী)।
- বাউল ও মরমি গান:
- ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪–১৮৯০): কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় কালীগঙ্গা নদীর তীরে তাঁর আখড়া অবস্থিত। বাউল সম্রাট (“সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে”, “খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়”, “মিলন হবে কত দিনে”)।
- হাসন রাজা (১৮৫৪–১৯২২): জন্ম: লক্ষণশ্রী, সুনামগঞ্জ (সিলেট)। মরমি কবি (“লোকে বলে বলেরে ঘরবাড়ি ভালা নাই আমার”, “মাটির পিঞ্জিরার মাঝে বন্দি হইয়ারে”, “সোনা বন্দে আমারে দেওয়ানা বানাইল”; গ্রন্থ: ‘হাসন উদাস’)।
- শাহ আবদুল করিম (১৯১৬–২০০৯): সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রামে জন্ম (কালনী নদীর তীরে)। বাউল সম্রাট (“গাড়ি চলে না চলে না”, “আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম”, “বন্দে মায়া লাগাইছে”, “কেন পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু”)।
- রাধারমণ দত্ত (১৮৩৩–১৯১৫): জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ — ‘ধামাইল গান ও নৃত্য’-এর প্রবর্তক (“ভ্রমর কইও গিয়া”)।
৩. বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগৎ #
- উপমহাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রকার: মানিকগঞ্জের বগজুরি গ্রামের হীরালাল সেন (১৮৯৮ সালে কলকাতায় ‘রয়্যাল বায়োস্কোপ কোম্পানি’ গঠন করেন; প্রথম বিজ্ঞাপনচিত্রেরও নির্মাতা)।
- ঢাকায় নির্মিত প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র: ১৯২৭–২৮ সালে ঢাকার নবাব পরিবারের উদ্যোগে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য নির্বাক চিত্র ‘সুকুমারী’ এবং ১৯৩১ সালে পূর্ণদৈর্ঘ্য নির্বাক চিত্র ‘দ্য লাস্ট কিস’ (The Last Kiss — পরিচালক অম্বুজ গুপ্ত)।
- বাংলাদেশের প্রথম সবাক পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা চলচ্চিত্র: ‘মুখ ও মুখোশ’ — মুক্তি পায় ৩ আগস্ট ১৯৫৬ (পরিচালক: আবদুল জব্বার খান; ইকবাল ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত; অভিনেতা ইনাম আহমেদ, পূর্ণিমা সেনগুপ্তা ও আবদুল জব্বার খান)।
- এফডিসি (BFDC) প্রতিষ্ঠা: ৩ এপ্রিল ১৯৫৭ প্রাদেশিক শিল্পমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তান আইন পরিষদে চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা বিল উত্থাপন করেন (এজন্য ৩ এপ্রিল ‘জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস’)। এফডিসি থেকে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র: ফতেহ লোহানীর ‘আসিয়া’ (ও মহিউদ্দিনের ‘মাটির পাহাড়’)।
- প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র: জহির রায়হানের ‘সঙ্গম’ (১৯৬৪ — উর্দু ভাষায় নির্মিত সমগ্র পাকিস্তানের প্রথম রঙিন ছবি) এবং প্রথম বাংলা রঙিন চলচ্চিত্র জহির রায়হানের ‘বেহুলা’ (১৯৬৬) / কাজী জহিরের ‘নীল আকাশের নিচে’ বা ‘বাদশা’।
১৩.৬ বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি, উপভাষা ও ক্রীড়া মনে রাখার মাস্টার শর্টকাট ট্রিকস #
- ৪টি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ও প্রথম উপাচার্য মনে রাখার কৌশল:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১ জুলাই ১৯২১): প্রথম ভিসি স্যার পি. জে. হার্টগ (প্রথম মুসলিম ভিসি স্যার এ এফ রহমান; প্রথম নারী শিক্ষিকা করুণাকণা গুপ্তা; প্রথম ছাত্রী লীলা নাগ; লোগো ডিজাইনার সমরজিৎ রায় চৌধুরী)।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (৬ জুলাই ১৯৫৩): প্রথম ভিসি ড. ইতরাৎ হোসেন জুবেরী।
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৮ নভেম্বর ১৯৬৬): প্রথম ভিসি ড. এ. আর. মল্লিক (আজিজুর রহমান মল্লিক)।
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (২০ আগস্ট ১৯৭০ / উদ্বোধন ১২ জানুয়ারি ১৯৭১): প্রথম ভিসি ড. মফিজউদ্দিন আহমদ (প্রথম নারী ভিসি ড. ফারজানা ইসলাম — ২০১৪)।
(৫ম স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়: ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি; এবং ৫৯তম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়: লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়)।- বাংলা ভাষার উপভাষা অঞ্চল (৪২তম বিসিএস প্রশ্ন):
ড. সুকুমার সেন বাংলা উপভাষাকে ৫টি শ্রেণিতে ভাগ করেছেন:
১. বঙ্গালী উপভাষা: ঢাকা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, বরিশাল, খুলনা, কুমিল্লা (প্রাচীন বঙ্গ ও সমতট অঞ্চল — ৪২তম বিসিএসে বরিশাল উত্তর ছিল)।
২. রাঢ়ী উপভাষা: নদীয়া (কুষ্টিয়া), মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, কলকাতা (প্রমিত চলিত বাংলা রাঢ়ী উপভাষাভিত্তিক)।
৩. বরেন্দ্রী উপভাষা: রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, পাবনা ও মালদহ।
৪. কামরূপী বা রাজবংশী উপভাষা: রংপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও সিলেট।
৫. ঝাড়খণ্ডী উপভাষা: পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও সিংভূম।- বাংলাদেশের প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট ও মহাকাশ গবেষণা:
- ‘ব্র্যাক অন্বেষা’ (BRAC Onnesha): ২০১৭ সালের ৪ জুন যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ফ্যালকন-৯ রকেটে উৎক্ষেপিত বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট (৩৮তম বিসিএস প্রশ্ন; ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী রায়হানা শামস ইসলাম অন্তরা, আবদুল্লা হিল কাফি ও মাইসুন ইবনে মনোয়ার জাপানের কিউশু ইনস্টিটিউটে তৈরি করেন)।
- বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-২ (বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২): এটি হবে একটি ‘আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট’ (Earth Observation Satellite / ভূ-পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট) (৪৪তম বিসিএস প্রশ্ন)।
৫৬.৪ শিক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয় — মাস্টার রেফারেন্স সারণি #
| প্রতিষ্ঠান / পত্রিকা / শিল্পী / ক্রীড়া | প্রতিষ্ঠাকাল / প্রকাশকাল | প্রতিষ্ঠাতা / সম্পাদক / পরিচালক / অবস্থান | বিশেষ অবদান ও পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য |
|---|---|---|---|
| উপমহাদেশ ও বাংলাদেশের শিক্ষা কমিশনসমূহ | ১৮৫৪ থেকে ২০১০ খ্রিস্টাব্দ | উডের ডেসপাচ (১৮৫৪—শিক্ষার ম্যাগনাকার্টা), হান্টার কমিশন (১৮৮২), স্যাডলার কমিশন (১৯১৭), সার্জেন্ট পরিকল্পনা (১৯৪৪), শরীফ কমিশন (১৯৫৯) | স্বাধীন বাংলাদেশের ১ম শিক্ষা কমিশন: ‘ড. কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন’ (গঠন ২৬ জুলাই ১৯৭২, রিপোর্ট পেশ মে ১৯৭৪); সর্বশেষ জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণীত হয় ২০১০ সালে (কবির চৌধুরী ও কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ কমিটি) |
| ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ ও প্রথম বিদ্যালয়সমূহ | ১৮৪১, ১৮৭৩ ও ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দ | বাংলাদেশের প্রথম সরকারি কলেজ: ঢাকা কলেজ (২০ নভেম্বর ১৮৪১, প্রথম অধ্যক্ষ জে. আয়ারল্যান্ড); প্রথম বালিকা বিদ্যালয়/কলেজ: ইডেন মহিলা কলেজ (১৮৭৩) | রাজশাহী কলেজ (১৮৭৩), চট্টগ্রাম কলেজ (১৮৬৯), আনন্দমোহন কলেজ (ময়মনসিংহ, ১৯০৮) ও কারমাইকেল কলেজ (রংপুর, ১৯১৬) |
| ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (প্রাচ্যের অক্সফোর্ড) | প্রতিষ্ঠা: ১ জুলাই ১৯২১ (নাথান কমিশন ১৯১২ ও স্যাডলার কমিশন ১৯১৭-এর সুপারিশে) | প্রথম আচার্য: লর্ড ডোনাল্ডস (রোনাল্ডসে); প্রথম উপাচার্য: স্যার পি জে হার্টগ; প্রথম ভারতীয় ও মুসলিম উপাচার্য: স্যার এ এফ রহমান | জমি দান করেন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ (রমনা এলাকায় ৬০০ একর); প্রথম ছাত্রী: লীলা নাগ (১৯২১, ইংরেজি বিভাগ) ও প্রথম মুসলিম ছাত্রী: ফজিলাতুন্নেসা; ১ম সমাবর্তন: ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯২৩ |
| রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় | ১৯৫৩, ১৯৬৬, ১৯৭০ ও ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দ | দেশের ২য় বিশ্ববিদ্যালয়: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (৬ জুলাই ১৯৫৩, ১ম ভিসি ড. ইতরাৎ হোসেন জুবেরী); চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৮ নভেম্বর ১৯৬৬, ১ম ভিসি ড. আজিজুর রহমান মল্লিক) | জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (২০ আগস্ট ১৯৭০, একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়, ১ম ভিসি ড. মফিজউদ্দিন আহমদ); বুয়েট (BUET, ১৯৬২, আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল ১৮৭৬ হতে উন্নীত, ১ম নারী ভিসি ড. খালেদা একরাম) |
| বাংলা একাডেমি ও এশিয়াটিক সোসাইটি | ৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫ ও ৩ জানুয়ারি ১৯৫২ | বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫ সালে বর্ধমান হাউসে (প্রথম পরিচালক ড. মুহম্মদ এনামুল হক ও প্রথম মহাপরিচালক ড. মাযহারুল ইসলাম; মুখপত্র ‘উত্তরাধিকার’) | এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয় ৩ জানুয়ারি ১৯৫২ সালে ঢাকার নিমতলীতে (ড. আহমদ হাসান দানীর উদ্যোগে; এখান থেকে ২০০৩ সালে ১৪ খণ্ডে জাতীয় জ্ঞানকোষ ‘বাংলাপিডিয়া’ প্রকাশিত হয়) |
| বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, শিশু একাডেমি ও ছায়ানট | ১৯৭৪, ১৯৭৬ ও ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ | শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা: ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ (সেগুনবাগিচা, ঢাকা—বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত); বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৬ (দোয়েল চত্বর সংলগ্ন) | সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ছায়ানট’ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালে (সুফিয়া কামাল ও সনজীদা খাতুন; ১৯৬৭ সাল থেকে রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করে); উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী প্রতিষ্ঠা করেন সত্যেন সেন (১৯৬৮) |
| বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাস ও কালজয়ী চলচ্চিত্র | ১৮৯৮, ১৯৫৬ ও ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দ | উপমহাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রকার: হীরালাল সেন (বাড়ী মানিকগঞ্জের বগজুড়ি গ্রাম; ১৮৯৮ সালে ‘রয়্যাল বায়োস্কোপ কোম্পানি’ গঠন); বাংলাদেশের প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র: ‘সুকুমারী’ (১৯২৭-২৮) ও ‘দ্য লাস্ট কিস’ (১৯৩১, অম্বুজ গুপ্ত) | বাংলাদেশের প্রথম সবাক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: ‘মুখ ও মুখোশ’ (৩ আগস্ট ১৯৫৬, পরিচালক আবদুল জব্বার খান); জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেয়া’ (১৯৭০) ও ‘স্টপ জেনোসাইড’ (১৯৭১); চাষী নজরুল ইসলামের ‘ওরা ১১ জন’ (১৯৭২—মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ১ম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র) |
| বাংলাদেশের চারুকলা ও প্রখ্যাত চিত্রশিল্পীগণ | ১৯৪৮ থেকে বর্তমান | শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন (১৯১৪–১৯৭৬): ১৯৪৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজ (চারুকলা ইনস্টিটিউট) ও ১৯৭৫ সালে সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর প্রতিষ্ঠা; বিখ্যাত চিত্রকর্ম: ১৯৪৩-এর ‘দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা’, ‘সংগ্রাম’, ‘মই দেয়া’, ‘মনপুরা-৭০’ ও ‘নবান্ন’ | পটুয়া কামরুল হাসান: জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার ও ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টার, ‘তিন কন্যা’; এস এম সুলতান (নড়াইল): ‘চর দখল’, ‘প্রথম বৃক্ষরোপণ’, ‘হত্যাযজ্ঞ’; মুর্তজা বশীর: ‘দেয়াল’, ‘শহীদ শিরোনাম’; শাহাবুদ্দিন আহমেদ: মুক্তিযুদ্ধ ও গতির চিত্রশিল্পী |
📋 ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা — মূল পয়েন্ট ও তথ্য-সারসংক্ষেপ সারণি #
| বিষয় / শিরোনাম / মূল এন্টিটি | প্রধান তথ্য ও বিবরণ | অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য ও প্রাসঙ্গিক তথ্য | সিলেবাস অধ্যায় ও পরীক্ষার গুরুত্ব |
|---|---|---|---|
| ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমল | উডের ডেসপাচ (১৮৫৪ — ভারতীয় শিক্ষার ম্যাগনাকার্টা), হান্টার কমিশন (১৮৮২ — লর্ড রিপন), নাথান কমিশন (১৯১২ — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত), স্যাডলার কমিশন (১৯১৭), সার্জেন্ট পরিকল্পনা (১৯৪৪), মাওলানা আকরম খাঁ শিক্ষা কমিশন (১৯৪৯), শরীফ কমিশন (১৯৫৮/১৯৫৯ — এর বিরুদ্ধে ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৬২ শিক্ষা আন্দোলন হয়), হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশন (১৯৬৪), নূর খান কমিশন (১৯৬৯) | প্রধান শিক্ষা কমিশন ও শিক্ষানীতিসমূহ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ (কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন — ২০০৯) | শিক্ষার স্তর ৩টি নির্ধারণ করা হয় (প্রাথমিক ১ম–৮ম শ্রেণি, মাধ্যমিক ৯ম–১২শ শ্রেণি এবং উচ্চশিক্ষা) | প্রধান শিক্ষা কমিশন ও শিক্ষানীতিসমূহ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| প্রেক্ষাপট | ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন | ১৯১২ সালের ২৭ মে ব্যারিস্টার রবার্ট নাথানের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের ‘নাথান কমিশন’ গঠিত হয় (এতে নবাব সলিমুল্লাহ, নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী, ধনবাড়ীর জমিদার ও স্যার এ এফ রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| আইন পাস ও প্রতিষ্ঠা | ১৯২০ সালের ২৩ মার্চ ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট’ পাস হয় এবং ১ জুলাই ১৯২১ রমনা এলাকার ৬০০ একর জমিতে ৩টি অনুষদ (কলা, বিজ্ঞান ও আইন), ১২টি বিভাগ, ৩টি আবাসিক হল (ঢাকা হল/শহীদুল্লাহ হল, জগন্নাথ হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হল), ৬০ জন শিক্ষক ও ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ (২০২৬ সর্বশেষ আপডেট) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| প্রথম আচার্য (Chancellor) | লর্ড রোনাল্ডসে (বাংলার গভর্নর) | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ (২০২৬ সর্বশেষ আপডেট) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| প্রথম উপাচার্য (Vice-Chancellor) | স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ (P. J. Hartog) | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ (২০২৬ সর্বশেষ আপডেট) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| প্রথম ভারতীয় ও মুসলমান উপাচার্য | স্যার এ. এফ. রহমান (১৯৩৪–১৯৩৬) | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ (২০২৬ সর্বশেষ আপডেট) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| প্রথম বাঙালি ও উপমহাদেশের প্রথম ডক্টরেট উপাচার্য | ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার (১৯৩৬–১৯৪২) | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ (২০২৬ সর্বশেষ আপডেট) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম উপাচার্য | বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী (এবং পরবর্তীতে ড. মোজাফফর আহমদ চৌধুরী) | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ (২০২৬ সর্বশেষ আপডেট) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| প্রথম ছাত্রী | লীলা নাগ (রায়) (১৯২১ সালে ইংরেজি বিভাগে এম.এ. ভর্তি হন | প্রথম মুসলিম ছাত্রী ফজিলাতুন্নেসা — গণিত বিভাগ) | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| প্রথম মুসলমান ও বাঙালি অধ্যাপক | ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (সংস্কৃত ও বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন) | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ (২০২৬ সর্বশেষ আপডেট) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| সর্বশেষ (৫৯তম) সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৯তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় | লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ (২০২৬ সর্বশেষ আপডেট) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| দেশের স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশে ৪টি + নতুন ১টি = মোট ৫টি) | ১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯২১), ২. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (৬ জুলাই ১৯৫৩ — ২য় প্রাচীনতম), ৩. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৮ নভেম্বর ১৯৬৬ — আয়তনে বৃহত্তম ক্যাম্পাস) ও ৪. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (২০ আগস্ট ১৯৭০ — একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় | দেশের প্রথম নারী উপাচার্য ড. ফারজানা ইসলাম ২০১৪ সালে জাবিতে নিযুক্ত হন) এবং ৫ম স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়: ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| বিশেষায়িত প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ | প্রথম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ (১৯৬১) | প্রথম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়: বুয়েট (BUET), ঢাকা (১৯৬২ — আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল ১৮৭৬ থেকে উন্নীত) | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| সরকারি মেডিকেল কলেজ | মোট ৪১টি (এমবিবিএস মেডিকেল কলেজ ৩৯টি | প্রথম মেডিকেল কলেজ ঢাকা মেডিকেল কলেজ — ১০ জুলাই ১৯৪৬, ২০২৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ) | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| ভাওয়াইয়া গান | উত্তরবঙ্গ (রংপুর, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর — মহিষের গাড়ির চালক বা মৈষালদের গান) | ভাওয়াইয়া সম্রাট: আব্বাসউদ্দীন আহমদ (জন্ম: তুফানগঞ্জ, কুচবিহার | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| ভাটিয়ালি গান | নদীমাতৃক পূর্ববঙ্গ (ময়মনসিংহ, সিলেট, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, ফরিদপুর — মাঝিমাল্লাদের গান) | ভাটিয়ালি ও পল্লীগীতির সম্রাট: আবদুল আলীম (‘সর্বনাশা পদ্মা নদী’, ‘হলুদ বাটো মেন্দি বাটো’) | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| গম্ভীরা গান | চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও মালদহ অঞ্চল (নানা-নাতির সংলাপ ও গানের মাধ্যমে সামাজিক অসংগতি তুলে ধরা হয় | গম্ভীরা সম্রাট কুতুবুল আলম ও রকিবউদ্দীন) | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| ভাণ্ডারী ও মাইজভাণ্ডারী গান | চট্টগ্রাম (ফটিকছড়ি | বিখ্যাত শিল্পী আবদুল গফুর হালী) | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| ফকির লালন সাঁই (১৭৭৪–১৮৯০) | কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় কালীগঙ্গা নদীর তীরে তাঁর আখড়া অবস্থিত | বাউল সম্রাট (“সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে”, “খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়”, “মিলন হবে কত দিনে”) | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| হাসন রাজা (১৮৫৪–১৯২২) | জন্ম: লক্ষণশ্রী, সুনামগঞ্জ (সিলেট) | মরমি কবি (“লোকে বলে বলেরে ঘরবাড়ি ভালা নাই আমার”, “মাটির পিঞ্জিরার মাঝে বন্দি হইয়ারে”, “সোনা বন্দে আমারে দেওয়ানা বানাইল” | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| শাহ আবদুল করিম (১৯১৬–২০০৯) | সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রামে জন্ম (কালনী নদীর তীরে) | বাউল সম্রাট (“গাড়ি চলে না চলে না”, “আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম”, “বন্দে মায়া লাগাইছে”, “কেন পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু”) | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| রাধারমণ দত্ত (১৮৩৩–১৯১৫) | জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ — ‘ধামাইল গান ও নৃত্য’-এর প্রবর্তক (“ভ্রমর কইও গিয়া”) | বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতি, সংগীত ও আঞ্চলিক গান সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| উপমহাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রকার | মানিকগঞ্জের বগজুরি গ্রামের হীরালাল সেন (১৮৯৮ সালে কলকাতায় ‘রয়্যাল বায়োস্কোপ কোম্পানি’ গঠন করেন | প্রথম বিজ্ঞাপনচিত্রেরও নির্মাতা) | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| ঢাকায় নির্মিত প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র | ১৯২৭–২৮ সালে ঢাকার নবাব পরিবারের উদ্যোগে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য নির্বাক চিত্র ‘সুকুমারী’ এবং ১৯৩১ সালে পূর্ণদৈর্ঘ্য নির্বাক চিত্র ‘দ্য লাস্ট কিস’ (The Last Kiss — পরিচালক অম্বুজ গুপ্ত) | বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগৎ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| বাংলাদেশের প্রথম সবাক পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা চলচ্চিত্র | ‘মুখ ও মুখোশ’ — মুক্তি পায় ৩ আগস্ট ১৯৫৬ (পরিচালক: আবদুল জব্বার খান | ইকবাল ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| এফডিসি (BFDC) প্রতিষ্ঠা | ৩ এপ্রিল ১৯৫৭ প্রাদেশিক শিল্পমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তান আইন পরিষদে চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা বিল উত্থাপন করেন (এজন্য ৩ এপ্রিল ‘জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস’) | এফডিসি থেকে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র: ফতেহ লোহানীর ‘আসিয়া’ (ও মহিউদ্দিনের ‘মাটির পাহাড়’) | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |
| প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র | জহির রায়হানের ‘সঙ্গম’ (১৯৬৪ — উর্দু ভাষায় নির্মিত সমগ্র পাকিস্তানের প্রথম রঙিন ছবি) এবং প্রথম বাংলা রঙিন চলচ্চিত্র জহির রায়হানের ‘বেহুলা’ (১৯৬৬) / কাজী জহিরের ‘নীল আকাশের নিচে’ বা ‘বাদশা’ | বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগৎ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য | ৫৬. শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃতি ও চারুকলা (শিক্ষা, বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া) |