টপিক 13 / ৩০আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থাসমূহ এবং জ্বালানি রাজনীতি📖 স্টাডি নোট

টপিক 13: সামরিক ও প্রতিরক্ষা জোট (Military Alliances)

টপিক ১৩: সামরিক ও প্রতিরক্ষা জোট (Military & Defense Alliances: NATO, Warsaw Pact, CSTO, AUKUS, QUAD, SEATO, CENTO) #

🌐 অধ্যায় পরিচিতি ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট (Chapter Prologue: বিষয়টি কী ও কেন) #

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বস্তুবাদী তত্ত্বে (Realism) একটি রাষ্ট্র টিকে থাকার প্রধান শর্ত হলো তার জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা করা। আর এককভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যখন ঝুঁকিপূর্ণ বা ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে, তখনই রাষ্ট্রগুলো গঠন করে সামরিক ও প্রতিরক্ষা জোট (Military & Defense Alliances)। ইতিহাসের পাতায় সামরিক জোটের মূল চালিকাশক্তি দুটি চিরন্তন ভূ-রাজনৈতিক তত্ত্ব: 'শক্তির ভারসাম্য' (Balance of Power) এবং 'সামষ্টিক প্রতিরক্ষা' (Collective Defense)।

স্নায়ুযুদ্ধের মেরুকরণ থেকে ইন্দো-প্যাসিফিক রণক্ষেত্র #

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরপরই সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বাধীন সমাজতান্ত্রিক ব্লকের বিস্তার ঠেকাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পশ্চিমা পুঁজিবাদী বিশ্ব গড়ে তোলে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী সামরিক জোট ন্যাটো (NATO, ১৯৪৯)। জবাবে সোভিয়েত ইউনিয়ন পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে গঠন করে পাল্টা সামরিক দুর্গ ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact, ১৯৫৫)। একই সাথে মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ায় কমিউনিজম প্রতিরোধে গড়ে তোলা হয় সেন্টো (CENTO) ও সিয়াটো (SEATO)।

১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মধ্য দিয়ে ওয়ারশ প্যাক্টের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটে। কিন্তু ন্যাটো বিলুপ্ত তো হয়ইনি, বরং পূর্ব ও উত্তর ইউরোপের দিকে নজিরবিহীন বিস্তার ঘটিয়েছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর বহু দশক নিরপেক্ষ থাকা স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশ ফিনল্যান্ড ও সুইডেন ন্যাটোতে যোগদান করায় বাল্টিক সাগর কার্যত ‘ন্যাটোর হ্রদে’ (NATO Lake) পরিণত হয়েছে।

অন্যদিকে একবিংশ শতাব্দীতে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির ভরকেন্দ্র আটলান্টিক থেকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্থানান্তরিত হওয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্থান ঠেকাতে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন প্রজন্মের ইন্দো-প্যাসিফিক প্রতিরক্ষা বলয়—অকুস (AUKUS) এবং কোয়াড (QUAD)। এই অধ্যায়ে আমরা স্নায়ুযুদ্ধ থেকে শুরু করে বর্তমান কাল পর্যন্ত বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর সামরিক জোটের বিবর্তন, শক্তি ও কৌশলগত প্রভাব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করব।

🗺️ অধ্যায় স্থাপত্য মানচিত্র (Chapter Architecture Map) বৈশ্বিক সামরিক ও প্রতিরক্ষা জোটের স্থাপত্য ন্যাটো (NATO ১৯৪৯) • প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ • সদর দফতর: ব্রাসেলস (বেলজিয়াম) • সামরিক কমান্ড: SHAPE (মনস) • অনুচ্ছেদ ৫: সামষ্টিক প্রতিরক্ষ • মহাসচিব: মার্ক রুটে (২০২৪) • সদস্য: ৩২ দেশ (ফিনল্যান্ড ৩১, সুইডেন ৩২তম সদস্য ২০২৪) ওয়ারশ ও রুশ নেতৃত্বাধীন CSTO • ওয়ারশ প্যাক্ট (১৯৫৫ ১৯৯১): সোভিয়েত ইউনিয়নের ৮ সমাজতান্ত্ দেশের জোট (১ জুলাই ৯১ বিলুপ্ত) • CSTO (২০০২): মস্কো সদর দফতর • সদস্য: ৬ দেশ (রাশিয়া, বেলারুশ, কাজাখ, কিরগিজ, তাজিক, আর্মেনিয় • আর্মেনিয়ার কার্যক্রম স্থগিত (২ ইন্দো প্যাসিফিক ও আঞ্চলিক জোট SEATO (১৯৫৪ ৭৭, ম্যানিলা/ব্যাংকক) • CENTO (১৯৫৫ ৭৯, বাগদাদ/আঙ্কা • ANZUS (১৯৫১): ত্রিপক্ষীয় চুক্তি • AUKUS (২০২১): পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি (AUS,UK,US) • QUAD (২০০৭/১৭): চার দেশ সংলাপ (ভারত, জাপান, US, AUS) 📊 মাস্টার সিন্থেসিস ও তাত্ত্বিক কাঠামো রূপরেখা

১৩.১ ন্যাটো (NATO): প্রতিষ্ঠা, সামষ্টিক নিরাপত্তা ও ঐতিহাসিক বিস্তার #

🏛️ প্রাতিষ্ঠানিক ডাটা কার্ড: উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (NATO)
• পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization (উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা)।
• প্রতিষ্ঠার তারিখ ও চুক্তি: ৪ এপ্রিল ১৯৪৯; উত্তর আটলান্টিক চুক্তি (North Atlantic Treaty) বা ওয়াশিংটন চুক্তি (Washington Treaty) স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
• প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র (১২টি): মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, ইতালি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ, নরওয়ে, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড এবং পর্তুগাল।
• বেসামরিক সদর দফতর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম (১৯৪৯ থেকে ১৯৬৭ পর্যন্ত প্যারিসে ছিল; ১৯৬৭ সালে ব্রাসেলসে স্থানান্তরিত হয়)।
• সামরিক কমান্ড সদর দফতর: SHAPE (Supreme Headquarters Allied Powers Europe) — মনস (Mons), বেলজিয়াম।
• বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৩২টি দেশ (৩০টি ইউরোপীয় দেশ + ২টি উত্তর আমেরিকান দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা)।
• শীর্ষ বেসামরিক নেতৃত্ব: মহাসচিব (Secretary General) — মার্ক রুটে (Mark Rutte), নেদারল্যান্ডসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী (দায়িত্ব গ্রহণ: ১ অক্টোবর ২০২৪; পূর্বে জেনস স্টলটেনবার্গ)।
• শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা: সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার ইউরোপ (SACEUR) — প্রথাগতভাবে সর্বদা একজন চার তারকা মার্কিন জেনারেল।
🗺️ ইন্দো প্যাসিফিক প্রতিরক্ষা ত্রিভুজ ওয়াশিংটন চুক্তি ► গ্রিস ও তুরস্কের ► পশ্চিম জার্মানির ► পূর্ব ইউরোপে বিস্তার ► নর্ডিক সম্প্রসারণ (১২ প্রতিষ্ঠাতা দেশ, অন্তর্ভুক্তি অন্তর্ভুক্তি (পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, (ফিনল্যান্ড ৩১তম, ২০২৩; ব্রাসেলস সদর) (ভূমধ্যসাগরীয় শাখা) (ওয়ারশ প্যাক্টের জন্ম) চেক প্রজাতন্ত্র) সুইডেন ৩২তম, ২০২৪)

১. আনজুস (ANZUS Treaty - ১৯৫১) #

  • স্বাক্ষর: ১ সেপ্টেম্বর ১৯৫১; সান ফ্রান্সিসকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কার্যকর ২৯ এপ্রিল ১৯৫২।
  • সদস্য (৩টি): Australia, New Zealand, United States।
  • ১৯৮০-এর দশকে নিউজিল্যান্ড নিজস্ব জলসীমায় পারমাণবিক অস্ত্রবাহী মার্কিন জাহাজ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে যুক্তরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ডের প্রতি চুক্তি স্থগিত করে; ফলে বর্তমানে এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়ার দ্বিপাক্ষিক ভিত্তিতে কার্যকর।

২. অকুস (AUKUS - ২০২১) #

  • ঘোষণা: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন যৌথ ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই ত্রিদেশীয় ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তির ঘোষণা দেন।
  • সদস্য দেশ (৩টি): Australia, the UK, and the US (AUKUS)।
  • মূল উদ্দেশ্য ও পারমাণবিক সাবমেরিন চুক্তি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৫৮ সালে যুক্তরাজ্যের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই প্রথম কোনো তৃতীয় দেশকে অত্যন্ত সংবেদনশীল 'পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন প্রপালশন প্রযুক্তি' (Nuclear-powered Submarines - SSN-AUKUS) হস্তান্তরের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেয়। এর আওতায় অস্ট্রেলিয়া রাজকীয় নৌবাহিনীর জন্য অত্যাধুনিক পারমাণবিক সাবমেরিন বহর তৈরি করবে।
  • ফ্রান্সের ক্ষোভ: এই চুক্তির ফলে অস্ট্রেলিয়া ফ্রান্সের সাথে পূর্ব স্বাক্ষরিত ৯০ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের প্রচলিত ডিজেল সাবমেরিন চুক্তি একতরফাভাবে বাতিল করে দেয়, যা ফ্রান্স ও অ্যাংলো-স্যাক্সন দেশগুলোর মধ্যে তীব্র কূটনৈতিক সংকট তৈরি করেছিল।

৩. কোয়াড (QUAD - Quadrilateral Security Dialogue) #

  • ধারণার প্রবক্তা: ২০০৭ সালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে (Shinzo Abe) তাঁর বিখ্যাত ‘দুই সমুদ্রের সঙ্গম’ (Confluence of the Two Seas) ভাষণে চার গণতান্ত্রিক দেশের জোটের প্রস্তাব দেন।
  • সদস্য দেশ (৪টি): মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া।
  • পুনরুজ্জীবন (২০১৭): ২০১৭ সালের নভেম্বরে ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত আসিয়ান সামিটের সাইডলাইনে চার দেশ কোয়াডকে পুনরায় সক্রিয় করে এবং ২০২১ সালে প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
  • কৌশলগত যৌথ নৌ মহড়া: কোয়াড সদস্য দেশগুলো প্রতি বছর ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে অত্যন্ত শক্তিশালী যৌথ নৌ মহড়া 'মালাবার' (Malabar Exercise) পরিচালনা করে থাকে। এর মূল লক্ষ্য দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ান প্রণালীতে অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত করা এবং চীনের সামরিক আধিপত্য রুখে দেওয়া।

📊 টপিক ১৩: সামরিক ও প্রতিরক্ষা জোট — মাস্টার সিন্থেসিস ও তুলনা সারণি #

জোট / চুক্তি সদর দফতর ও প্রতিষ্ঠাকাল সদস্য সংখ্যা ও ধরন মূল লক্ষ্য ও সামরিক পরিধি বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার হটস্পট তথ্য
ন্যাটো (NATO) ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
(৪ এপ্রিল ১৯৪৯)
সদস্য: ৩২টি দেশ
মহাসচিব: মার্ক রুটে
উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের সামষ্টিক প্রতিরক্ষা (অনুচ্ছেদ ৫)। প্রতিষ্ঠাতারা ১২ দেশ; প্যারিস থেকে ব্রাসেলসে স্থানান্তর ১৯৬৭; ফিনল্যান্ড ৩১তম (২০২৩), সুইডেন ৩২তম (২০২৪)।
ওয়ারশ প্যাক্ট মস্কো, সোভিয়েত ইউনিয়ন
(১৪ মে ১৯৫৫ - ১ জুলাই ১৯৯১)
সাবেক সদস্য: ৮ দেশ
(সমাজতান্ত্রিক ব্লক)
ন্যাটো ও পশ্চিম জার্মানির সম্প্রসারণ প্রতিরোধে সোভিয়েত অক্ষ। পশ্চিম জার্মানি ন্যাটোতে যোগ দেওয়ায় গঠিত; আলবেনিয়া ১৯৬৮ সালে ত্যাগ করে; ১৯৯১ সালে প্রাগে বিলুপ্ত।
সিএসটিও (CSTO) মস্কো, রাশিয়া
(৭ অক্টোবর ২০০২)
সদস্য: ৬টি দেশ
(সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র)
ইউরেশীয় সামষ্টিক নিরাপত্তা রক্ষা (অনুচ্ছেদ ৪)। ১৯৯২-এর তাসখন্দ চুক্তি থেকে রূপান্তর; ২০২৪ সালে আর্মেনিয়া কার্যক্রম স্থগিত করেছে।
সিয়াটো (SEATO) ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
(৮ সেপ্টেম্বর ১৯৫৪ - ১৯৭৭)
সাবেক সদস্য: ৮ দেশ
(পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র ইত্যাদি)
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমাজতন্ত্রের বিস্তার রোধ (ম্যানিলা চুক্তি)। পাকিস্তান ১৯৭২ সালে প্রস্থান করে; ১৯৭৭ সালে আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি।
সেন্টো (CENTO) আঙ্কারা, তুরস্ক
(২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫ - ১৯৭৯)
সাবেক সদস্য: ৫ দেশ
(তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান ইত্যাদি)
মধ্যপ্রাচ্যে সোভিয়েত প্রভাব বিস্তার রোধ (বাগদাদ প্যাক্ট)। ১৯৫৯ সালে ইরাক ত্যাগের পর CENTO নাম হয়; ১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লবের পর বিলুপ্ত।
অকুস (AUKUS) কোনো সদর দফতর নেই
(১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১)
সদস্য: ৩টি দেশ
(অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র)
অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন প্রযুক্তি হস্তান্তর। ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তা ফ্রন্ট; ফ্রান্সের সাথে কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি করেছিল।
কোয়াড (QUAD) কোনো সদর দফতর নেই
(২০০৭ / ২০১৭)
সদস্য: ৪টি দেশ
(যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া)
উন্মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক এবং চীনের আধিপত্য রোধ। প্রবক্তা শিনজো আবে (২০০৭); বার্ষিক 'মালাবার' নৌ মহড়া পরিচালনা করে।

ক্রম ছন্দ / শর্টকাট মেমোরি সূত্র নিমনিক ডিকোডার ও মূল তথ্যসূত্র লক্ষ্যভিত্তিক পরীক্ষার প্রশ্ন
১ ‘৪৯-এর ওয়াশিংটনে ১২ দেশে ন্যাটো বাঁধে, ২৩-এ ফিনল্যান্ড আর ২৪-এ সুইডেন ৩২তম স্বাদে’ ১৯৪৯ সালে ওয়াশিংটন চুক্তিতে ন্যাটোর জন্ম; ২০২৩ সালে ফিনল্যান্ড ৩১তম এবং ২০২৪ সালের ৭ মার্চ সুইডেন ৩২তম সদস্য হয়। ন্যাটো কবে গঠিত হয়? সর্বশেষ ৩২তম সদস্য কে?
২ ‘৫৫-এর ওয়ারশতে ৮ সমাজতন্ত্রী মেলে, ৯১-এর জুলাইয়ে সোভিয়েত ধসে ফেলে’ ১৯৫৫ সালে পশ্চিম জার্মানির ন্যাটোতে যোগদানের জবাবে ওয়ারশ প্যাক্ট হয় এবং ১৯৯১ সালের ১ জুলাই প্রাগে এটি বিলুপ্ত হয়। ওয়ারশ প্যাক্ট কেন গঠিত হয়েছিল এবং কবে বিলুপ্ত হয়?
৩ ‘সিয়াটো মরে ৭৭-এ ব্যাংকক ছেড়ে, সেন্টো মরে ৭৯-এ ইরানি বিপ্লবের ঝড়ে’ সিয়াটো (সদর দফতর ব্যাংকক) ১৯৭৭ সালে বিলুপ্ত হয় এবং সেন্টো ১৯৭৯ সালে ইরানি ইসলামি বিপ্লবের পর বিলুপ্ত হয়। সিয়াটো ও সেন্টো কবে ও কেন বিলুপ্ত হয়?
৪ ‘মস্কোর সিএসটিওতে ৬ সাবেক সোভিয়েত দেশ, আর্মেনিয়ার ক্ষোভে জোটে লাগল বেশ ক্লেশ’ সিএসটিও-র সদর দফতর মস্কো (৬ সদস্য); ২০২৪ সালে আর্মেনিয়া জোট থেকে নিজেকে স্থগিত করেছে। সিএসটিও-র সদর দফতর কোথায় এবং কোন দেশ সম্প্রতি কার্যক্রম স্থগিত করেছে?
৫ ‘৫১-র আনজুস হয় বুড়ো, ২০২১-এর অকুসে অস্ট্রেলিয়া পায় পারমাণবিক সাবমেরিন জোড়, আর কোয়াডের ৪ দেশ সমুদ্রে চীনকে করে রোধ’ ১৯৫১ সালে ANZUS, ২০২১ সালে AUKUS (পারমাণবিক সাবমেরিন চুক্তি) এবং ২০০৭/১৭ সালে QUAD (মালাবার মহড়া ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক) গঠিত হয়। অকুস ও কোয়াড কী এবং এদের সদস্য দেশ কারা?