একটি সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণসংলগ্ন বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৬ সে.মি. এবং ৪ সে.মি. হলে, ক্ষেত্রফল কত হবে?
বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন-(অফিস সহায়ক) - ১৭.০১.২০২৬ — প্রশ্ন ও সমাধান
প্রতিটি প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর ও ব্যাখ্যা একসাথে — সম্পূর্ণ ফ্রি।
Judicial Officeassistant — previous year question solution with answer & explanation (free)
48প্রশ্ন
7বিষয়
উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ
100%ফ্রি
১
২
আসিয়ান (ASEAN) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
ব্যাখ্যা দেখুন ›
- আসিয়ান (ASEAN)-এর সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত। - এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্র ৫টি । যথা: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড এবং সিঙ্গাপুর। - বর্তমানে আসিয়ান ভুক্ত মোট সদস্য সংখ্যা ১০টি । - ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে এই সংস্থাটি গঠিত হয়।৩
'বেলফোর' ঘোষণা কোন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত?
ব্যাখ্যা দেখুন ›
- বেলফোর ঘোষণা (Balfour Declaration) হলো ১৯১৭ সালের ২রা নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর কর্তৃক ইহুদিদের জন্য একটি স্বাধীন আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিপত্র। - এই ঘোষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইহুদি জনগণের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি (National Home) গড়ে তোলা। - এই ঘোষণার মধ্য দিয়েই ১৯৪৮ সালে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল নামক স্বাধীন রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। - প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সরকার ইহুদিদের সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক ঘোষণাটি প্রদান করেছিল।৪
ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের ফলে ভারতীয় উপমহাদেশের কোন শিল্প ধবংস হয়?
ব্যাখ্যা দেখুন ›
- ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবের ফলে বস্ত্রশিল্পে ব্যাপক যান্ত্রিকীকরণ ঘটে, যার ফলে খুব দ্রুত এবং সস্তায় সুতি বস্ত্র উৎপাদন সম্ভব হয়। - এই সস্তা ব্রিটিশ কাপড়ে ভারতীয় বাজার ছেয়ে যায়, যার সাথে প্রতিযোগিতা করতে না পেরে হাতে বোনা এবং শ্রমসাধ্য ভারতীয় তাঁত ও বস্ত্রশিল্প ধ্বংসের মুখে পড়ে। - ব্রিটিশ সরকার ভারতীয় বস্ত্রের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করে এবং কাঁচামাল ইংল্যান্ডে রপ্তানি করতে বাধ্য করে, যা ভারতীয় তাঁতীদের মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়। - পলাশীর যুদ্ধের পর থেকেই বাংলা এবং ভারতের বিখ্যাত মসলিন ও তাঁত শিল্পের অবক্ষয় ঘটতে থাকে এবং এই শিল্প বিপ্লবই ছিল তার কফিনের শেষ পেরেক। - এর ফলে একসময়ের সমৃদ্ধ ভারতীয় তাঁতীরা বেকার হয়ে পড়ে এবং ভারতের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।৫
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক কোনটি?
ব্যাখ্যা দেখুন ›
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার বা পদক হলো স্বাধীনতা পদক । - এটি স্বাধীনতা পুরস্কার নামেও পরিচিত। - বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে। - বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কিংবা শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জনসেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের জন্য এই পদক প্রদান করা হয়। - এ পুরস্কার হিসেবে একটি ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণপদক , সম্মাননা পত্র এবং নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। - ২৬শে মার্চ বা স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী গুণীজনদের মাঝে এই পুরস্কার তুলে দেন।৬
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা কোনটি?
ব্যাখ্যা দেখুন ›
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলার নাম পঞ্চগড় । - এটি বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের অন্তর্গত একটি সীমান্তবর্তী জেলা। - এই জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তর বিন্দু। - হিমালয় পর্বতমালা খুব কাছে হওয়ায় এই জেলায় শীতের প্রকোপ বেশি থাকে এবং এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। - ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে পঞ্চগড়কে ‘হিমালয় কন্যা’ বলা হয়।৭
বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের মেয়াদ কত বছর?
ব্যাখ্যা দেখুন ›
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ চার বছর । - বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (অ্যামেন্ডমেন্ট ২০০৩) অনুযায়ী গভর্নরের এই মেয়াদকাল নির্ধারিত হয়। - তবে চার বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সরকার চাইলে তাঁকে পুনর্নিয়োগ দিতে পারে। - গভর্নরের মেয়াদ বা বয়সসীমা ৬৭ বছর পর্যন্ত হতে পারে (আগে এটি ৬৫ বছর ছিল, যা ২০২০ সালে সংশোধন করা হয়)। - বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর দেশের মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রধান দায়িত্ব পালন করেন।৮
'ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল' এর প্রধান কার্যালয় কোথায়?
ব্যাখ্যা দেখুন ›
- ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল হলো একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারী সংস্থা। - এর সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত। - ১৯৯৩ সালে পিটার ইগেন ও অন্যান্যরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার উদ্দেশ্যে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন। - এটি মূলত বিশ্বজুড়ে সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার জন্য কাজ করে থাকে। - এই সংস্থা প্রতি বছর দুর্নীতির ধারণা সূচক বা করাপশন পারসেপশন ইনডেক্স (CPI) প্রকাশ করে।৯
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার কোথায় অবস্থিত?
ব্যাখ্যা দেখুন ›
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার রাজধানী ঢাকার অদূরে সাভার উপজেলায় অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সরকারি গবাদিপশু প্রজনন কেন্দ্র ও দুগ্ধ খামার। - ১৯৫৯-৬০ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি সাভার ডেইরি ফার্ম নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো উন্নত জাতের গবাদিপশু উৎপাদন , প্রজনন এবং দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের জোগান বৃদ্ধি করা। - খামারটি দেশের প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে এবং কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।১০
ইরানের রাজধানী কোনটি?

