বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (সহকারী স্টোর কিপার) - ১৬.০৫.২০২৬ — প্রশ্ন ও সমাধান
প্রতিটি প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর ও ব্যাখ্যা একসাথে — সম্পূর্ণ ফ্রি।
Power Storekeeper — previous year question solution with answer & explanation (free)
77প্রশ্ন
8বিষয়
উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ
100%ফ্রি
প্রশ্নসমূহ
প্রশ্ন ১–১০ / ৭৭
সব বিষয়ের প্রশ্ন
১
প্লেনে কোন রেফ্রিজারেন্টটি ব্যবহৃত হয়?
ব্যাখ্যা দেখুন ›প্লেনের এয়ার কন্ডিশনিং এবং কেবিন প্রেসারাইজেশন সিস্টেমে প্রধানত বায়ু (Air) ব্যবহার করা হয়। এর প্রধান কারণগুলো হলো: - সহজলভ্যতা: প্লেনের টার্বোফ্যান ইঞ্জিন উচ্চ গতিতে বাইরের প্রচুর বায়ু গ্রহণ করতে পারে, যা সংকুচিত ও ঠাণ্ডা করে সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়। - ওজন হ্রাস: বায়ু ব্যবহারের ফলে আলাদা রেফ্রিজারেন্ট বহনের প্রয়োজন হয় না, যা প্লেনের ওজন কমায়। - নিরাপদ: বায়ু ব্যবহারে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য পদার্থের ঝুঁকি থাকে না, যা সাধারণত ফ্লুরোকার্বন রেফ্রিজারেন্টে (যেমন F-11 বা F-12) থাকতে পারে। - পরিবেশবান্ধব: এটি কোনো ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন করে না।
২
আয়োডিনের অভাবে কোন রোগ হয় ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে গলগণ্ড রোগ বলে। সাধারণত আয়োডিনের ঘাটতির কারণে এ রোগ হয়। গলগণ্ড রোগ নির্ণয় ও সারাতে রেডিও আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। অন্যান্য রোগগুলোর কারণ: - রাতকানা: ভিটামিন 'এ' এর অভাবে হয়। - বেরিবেরি: ভিটামিন 'বি১' (থায়ামিন) এর অভাবে হয়।
৩
পানিবাহিত রোগ কোনটি?
ব্যাখ্যা দেখুন ›টাইফয়েড হলো একটি পানিবাহিত রোগ। দূষিত পানি বা খাবারের মাধ্যমে সালমোনেলা টাইফি (Salmonella typhi) নামক ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করলে এই রোগ হয়। অন্যান্য রোগগুলোর কারণ: - ডেঙ্গু জ্বর ও ম্যালেরিয়া: মশাবাহিত রোগ। - যক্ষ্মা (TB): বায়ুবাহিত রোগ।
৪
বিশুদ্ধ জ্বালানি হলো –
ব্যাখ্যা দেখুন ›বিশুদ্ধ জ্বালানি বা পরিবেশবান্ধব জ্বালানি বলতে সেসব জ্বালানিকে বোঝায় যা পোড়ালে পরিবেশে ক্ষতিকর গ্যাস বা ধোঁয়া ছড়ায় না। - বায়োগ্যাস একটি নবায়নযোগ্য এবং বিশুদ্ধ জ্বালানি, যা পরিবেশ দূষণ করে না। - অন্যদিকে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল বা কয়লা হলো জীবাশ্ম জ্বালানি, যা পোড়ালে প্রচুর পরিবেশ দূষণ হয়। তাই কেরোসিনের পরিবর্তে বায়োগ্যাস ব্যবহার করা বিশুদ্ধ জ্বালানির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
৫
পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী আব্দুস সালাম ছিলেন কোন দেশের বিজ্ঞানী?
ব্যাখ্যা দেখুন ›আব্দুস সালাম ছিলেন একজন পাকিস্তানি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ১৯৭৯ সালে তড়িৎ-চৌম্বকীয় এবং দুর্বল নিউক্লীয় বলের একীভূতকরণ (Electroweak unification theory) আবিষ্কারে অবদানের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম পাকিস্তানি এবং বিজ্ঞানে প্রথম মুসলিম হিসেবে নোবেল পুরস্কার জয়ের সম্মান অর্জন করেন।
৬
মধ্য প্রাচ্যের কোন দেশ আধুনিক যন্ত্র দিয়ে উন্নতি লাভ করেছে?
ব্যাখ্যা দেখুন ›মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে তুরস্ক আধুনিক প্রযুক্তি ও শিল্পায়নের মাধ্যমে ব্যাপক উন্নতি লাভ করেছে। - তুরস্ক একটি ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র, যার কিছু অংশ ইউরোপে এবং বৃহত্তর অংশ এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত। - এটি ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে (বসফরাস প্রণালী দ্বারা বিচ্ছিন্ন) অবস্থিত হওয়ায় আধুনিক যন্ত্রপাতি ও ইউরোপীয় প্রযুক্তির সরাসরি প্রভাব এখানে পড়েছে, যা দেশটির দ্রুত উন্নয়নে সহায়ক হয়েছে।
৭
কয়লা উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম -
ব্যাখ্যা দেখুন ›কয়লা উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে চীন । - চীন বিশ্বের বৃহত্তম কয়লা উত্তোলন ও ব্যবহারকারী দেশ। - দেশটি বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্প খাতে কয়লার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। - কার্বন নিঃসরণ কমানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও, বিপুল জ্বালানি চাহিদা মেটাতে চীনে কয়লার ব্যাপক ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে।
৮
কিয়াটো প্রটোকলের লক্ষ্য কি?
ব্যাখ্যা দেখুন ›কিয়োটো প্রটোকল -এর মূল লক্ষ্য হলো গ্রিনহাউস গ্যাস (যেমন: CO_{2} ) নিঃসরণ কমানো এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ করা। - জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই প্রটোকল গৃহীত হয় এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে এটি কার্যকর হয়। - এই চুক্তির অন্যতম দিক ছিল কার্বন ট্রেড চালু করা এবং উন্নত দেশসমূহের গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ৫.২% হ্রাস করা। - বাংলাদেশ কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষর করে ২০০১ সালে এবং কার্যকর করে ২০০৫ সালে।
৯
মরক্কোর রাজধানীর নাম কি?
ব্যাখ্যা দেখুন ›মরক্কোর রাজধানীর নাম রাবাত (Rabat)। অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে: - আদ্দিস আবাবা হলো ইথিওপিয়ার রাজধানী। - কায়রো হলো মিশরের রাজধানী। - নাইপিদো হলো মিয়ানমারের রাজধানী।
১০
কোনটি আইনের উৎস নয়?
ব্যাখ্যা দেখুন ›- রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক হল্যান্ড (Holland)-এর মতে আইনের প্রধান উৎস ৬টি। যথা: ১. প্রথা (Custom), ২. ধর্ম (Religion), ৩. বিচারকের রায়, ৪. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা, ৫. ন্যায়বোধ এবং ৬. আইনসভা বা আইন পরিষদ (Legislation)। - সংবিধান হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন, যা আইনের একটি অন্যতম প্রধান ভিত্তি বা উৎস। - ধর্ম আইনের অন্যতম প্রাচীন উৎস। যেমন: মুসলিম আইন বা হিন্দু আইন মূলত ধর্মভিত্তিক। - যদিও 'প্রথা' আইনের একটি প্রাচীন উৎস, তবে সমাজের সকল প্রচলিত রীতি-নীতি আইনের মর্যাদা পায় না। যে রীতি-নীতিগুলো রাষ্ট্র কর্তৃক ব্যাপকভাবে স্বীকৃত ও অনুমোদিত হয়ে আইনি রূপ লাভ করে, কেবল সেগুলোই প্রথাগত আইনে পরিণত হয়। তাই সাধারণ অর্থে বিচ্ছিন্ন সকল 'প্রচলিত রীতি-নীতি' আইনের সরাসরি উৎস নয়।
মোট ৭৭টি প্রশ্ন — প্রতিটির নির্ভুল উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (সহকারী স্টোর কিপার) - ১৬.০৫.২০২৬…