জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল) - ০৩.০৮.২০২৬ — প্রশ্ন ও সমাধান

প্রতিটি প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর ও ব্যাখ্যা একসাথে — সম্পূর্ণ ফ্রি।

Publicadmin Staff — previous year question solution with answer & explanation (free)

90প্রশ্ন
5বিষয়
উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ
100%ফ্রি

প্রশ্নসমূহ

প্রশ্ন ১–১০ / ৯০
সব বিষয়ের প্রশ্ন
১

Which one is the term for difficult breathing?

ব্যাখ্যা দেখুন ›কষ্টকর শ্বাস-প্রক্রিয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Dyspnea বলা হয়। অন্যান্য পরিভাষাগুলোর অর্থ: - Tachypnea: অস্বাভাবিক দ্রুত শ্বাস নেওয়া। - Apnea: সাময়িকভাবে শ্বাসক্রিয়া বন্ধ থাকা। - Orthopnea: শুয়ে থাকলে শ্বাসকষ্ট হওয়া এবং উঠে বসলে উপশম হওয়া। সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
২

The most common sign of MI is -

ব্যাখ্যা দেখুন ›MI বা Myocardial Infarction হলো হার্ট অ্যাটাক। - হৃদপিণ্ডে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হলে হৃদপেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। - এর সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো বুকে তীব্র ব্যথা বা Severe central chest pain । - এই ব্যথা বুকের মাঝখানে শুরু হয়ে চোয়াল বা বাহুতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
৩

Where does nurse palpate to assess popliteal pulse?

ব্যাখ্যা দেখুন ›আমাদের দেহে রক্ত সঞ্চালনের সময় ধমনীর মধ্য দিয়ে যে স্পন্দন প্রবাহিত হয়, তাকে পালস বা নাড়ীস্পন্দন বলে। মানুষের হাঁটুর ঠিক পেছনে পপলিটিয়াল ধমনী (Popliteal artery) অবস্থিত। এই ধমনী থেকে যে স্পন্দন পাওয়া যায়, তাকেই পপলিটিয়াল পালস বলা হয়। তাই নার্স এই স্পন্দন পরীক্ষা করতে হাঁটুর পেছনের অংশে হাত দিয়ে চাপ অনুভব করেন। সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
৪

Normal O 2 saturation (SPO 2 ) in adult is -

ব্যাখ্যা দেখুন ›সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের রক্তে অক্সিজেনের স্বাভাবিক মাত্রা বা SPO₂ হলো ৯৫-১০০% । রক্তে এই স্যাচুরেশনের মাধ্যমে শরীরের ফুসফুস ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সুস্থতা বোঝা যায়। অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫% এর নিচে নেমে গেলে কোষে অক্সিজেনের ঘাটতি বা হাইপোক্সিয়া ঘটে এবং রোগীকে বাইরে থেকে অক্সিজেন দেওয়ার প্রয়োজন হয়। সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
৫

The most common site for collecting blood sample is -

ব্যাখ্যা দেখুন ›আমাদের শরীর থেকে রক্ত সংগ্রহের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ও সাধারণ স্থান হলো কনুইয়ের ভেতরের দিকে অবস্থিত Median cubital vein । এই শিরাটি ত্বকের বেশ কাছাকাছি এবং আকারে বড় হওয়ায় সহজে খুঁজে পাওয়া যায়। এখান থেকে সুচ ফুটিয়ে রক্ত নিলে ব্যথা কম লাগে এবং এটি সহজে নড়ে না। সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
৬

Chikungunya spreads by-

ব্যাখ্যা দেখুন ›চিকুনগুনিয়া একটি আরএনএ (RNA) ভাইরাসজনিত রোগ। ডেঙ্গু ও জিকার মতো এই রোগও মূলত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এডিস মশার দুটি প্রজাতি— এডিস ইজিপ্টি (Aedes aegypti) ও এডিস অ্যালবোপিকটাস এই ভাইরাসের প্রধান বাহক। সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
৭

One of the causes of heart failure is -

ব্যাখ্যা দেখুন ›হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরের পেশি দুর্বল, শক্ত বা বড় হয়ে যাওয়ার অবস্থাকে Cardiomyopathy বলে। এর ফলে হৃৎপিণ্ডের রক্ত পাম্প করার স্বাভাবিক ক্ষমতা কমে যায় এবং ফুসফুস ও শরীরে পর্যাপ্ত রক্ত পৌঁছাতে পারে না। হৃৎপেশির এই স্থায়ী দুর্বলতাই শেষ পর্যন্ত heart failure বা হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা নিষ্ক্রিয় হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ ঘটায়। সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
৮

Which one is a sign of marasmus?

ব্যাখ্যা দেখুন ›মেরাসমাস (Marasmus) হলো আমিষের তীব্র অভাবজনিত রোগ। - এই রোগে পেশী ও চর্বি মারাত্মক ক্ষয় পায়, যা severe muscle wasting । - ওডিমা (Oedema) ও মুন ফেস (Moon face) কোয়াশিয়রকর রোগের লক্ষণ। সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
৯

Which hormone is mainly responsible for maintaining Pregnancy -

ব্যাখ্যা দেখুন ›প্রজেস্টেরন ডিম্বাশয় থেকে নিঃসৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্ত্রী হরমোন । এটি জরায়ুর প্রাচীর বা এন্ডোমেট্রিয়ামকে উন্নত করে গর্ভধারণের উপযোগী করে তোলে। গর্ভাবস্থায় জরায়ুর সংকোচন প্রতিরোধ করে ভ্রূণকে সুরক্ষিত রাখাই এর প্রধান কাজ। তাই গর্ভাবস্থা বজায় রাখতে এই হরমোনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
১০

The maximum amount of urea is present in -

ব্যাখ্যা দেখুন ›আমাদের যকৃতে ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া থেকে ইউরিয়া তৈরি হয়। যকৃতে তৈরি হওয়ার পর এই ইউরিয়া হেপাটিক ভেইন বা যকৃৎ শিরার মাধ্যমে রক্তে মিশে হৃৎপিণ্ডে ফিরে যায়। যেহেতু যকৃৎ ইউরিয়া তৈরির মূল অঙ্গ, তাই যকৃৎ থেকে বের হওয়া রক্তে অর্থাৎ হেপাটিক ভেইনে ইউরিয়ার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে। সোর্সঃ এমপিথ্রি বিজ্ঞান
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল) - ০৩.০৮.২০২৬ প্রশ্ন ও…