জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা (NSI)-(ফিল্ড স্টাফ) - ১৬.০৬.২০২৩ — প্রশ্ন ও সমাধান

প্রতিটি প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর ও ব্যাখ্যা একসাথে — সম্পূর্ণ ফ্রি।

Nsi Fieldstaff — previous year question solution with answer & explanation (free)

76প্রশ্ন
9বিষয়
উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ
100%ফ্রি

প্রশ্নসমূহ

প্রশ্ন ১–১০ / ৭৬
সব বিষয়ের প্রশ্ন
১

WIFI এর পূর্ণরূপ কী?

ব্যাখ্যা দেখুন ›Wi-Fi শব্দটি Wireless Fidelity শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ। Wi-Fi একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যার মাধ্যমে একটি ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN)তৈরি করা যায়। এর এরিয়া একটি কক্ষ, একটি ভবন কিংবা সাধারণত ইনডোরের ক্ষেত্রে দূরত্ব ৩২ মিটার এবং আউটডোরের ক্ষেত্রে ৯৫-১০০ মিটারের মতো এলাকা জুড়ে হতে পারে। -ওয়াই-ফাই এর বৈশিষ্ট্য: ১। ওয়াই-ফাই IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের প্রযুক্তি। ২। ওয়াই-ফাই রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে থাকে। ৩। ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির ডেটা ট্রান্সমিশন মোড হাফ-ডুপ্লেক্স।
২

LAN কী?

ব্যাখ্যা দেখুন ›LAN - Local Area Network. - এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওয়াইফাই ব্যাবহার করা যায়। - একটি নির্দিষ্ট জায়গা কেন্দ্র করে LAN তৈরি করা হয় বলেই একে স্থানীয় বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে। - এ নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল, কো-এক্সিয়াল ক্যাবল, অপটিকাল ফাইবার ক্যাবল, রেডিও ওয়েভ ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা- ১. সীমিত দূরত্বের মধ্যে এর কার্যক্রম সীমাবদ্ধ। ২. শ্রেণী সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত হয়। ৩. ছোট এলাকার মধ্যে এই নেটওয়ার্ক সহজেই তৈরি করা যায়। ৪. বিভিন্ন অফিসের কাজে নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য ল্যান সবচেয়ে ভালো। ৫. নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ সহজ। ৬. খরচ কম হয়। ৭. ব্যবহার করা সহজ
৩

RAM কী?

ব্যাখ্যা দেখুন ›প্রধান মেমোরি (Primary memory) : প্রাইমারি মেমোরি খুব দ্রুতগতিসম্পন্ন হয় অর্থাৎ, memory access খুব দ্রুত (fast)। কম্পিউটারের internal প্রসেসিংয়ের সময় এধরনের মেমোরি ব্যবহৃত হয়। সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী দ্বারা মেমোরি তৈরি হয়। প্রাইমারি মেমোরি আবার দুই প্রকারের । যথা- a. অস্থায়ী (volatile) : RAM b. স্থায়ী (non-volatile) মেমোরি : ROM র‍্যাম বা RAM (Random Access Memory) : RAM গানে এক প্রকার প্রাইমারি মেমোরি 1 RAM থেকে খুব দ্রুত ডাটা read করা এবং RAM এ write করা যায়। এজন্য একে read-write মেমোরিও বলা হয়। RAM হচ্ছে Volatile memory (ভোলাটাইল মেমোরি) অর্থাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে এটি আর তথ্য ধরে রাখতে পারে না। মূলত প্রসেসরে ব্যবহার করার আগে ডাটা হার্ডডিস্ক থেকে কপি করে এনে RAM এ রাখা হয়, যাতে প্রসেসিং এর সময় memory access এ সময় কম লাগে। র‍্যামকে Main storage বা Core storage-ও বলা হয়। আবার, Read-only memory (ROM)) হল এক ধরনের সংরক্ষণ মাধ্যম যা কম্পিউটার এবং অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়। রমে যে তথ্য থাকে তা পরিবর্তন করা যায় না বা করা গেলেও তা খুব ধীরে অথবা করা কঠিন। তাই এটি ব্যবহার করা হয় প্রধানত র্ফামওয়্যারে। ROM কে, non-volatile memory বলেও বলা হয়। কারণ এখানে থাকা তথ্য এবং ডাটা গুলি, বিদ্যুৎ (power) সরবরাহ (supply) ছাড়াও চিরকালের জন্য স্টোর হয়ে থাকে। অন্যান্য আরও যেসব নন-ভোলাটাইল বা বিদ্যুত চলে গেলেও যার তথ্য থেকে যায় এমন মেমোরি হল ইপিআরওএম, ইইপিআরওএম বা ফ্লাশ মেমোরি।
৪

GPS এর পূর্ণরূপ কী?

ব্যাখ্যা দেখুন ›GPS -এর পূর্ণরূপ Global Positioning System । -বিশ্বজনীন অবস্থান-নির্ণায়ক ব্যবস্থা, যাকে মূল ইংরেজিতে Global Positioning System (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ও সংক্ষেপে GPS (জিপিএস) নামে ডাকা হয়, -মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ১৯৭০-এর দশকের শুরুর দিকে উদ্ভাবিত একটি প্রযুক্তি। -প্রথম দিকে এর প্রয়োগ ছিল পুরোপুরি সামরিক থাকলেও পরে জনসাধারণের নিমিত্তে এর ব্যবহার উন্মুক্ত করা হয়। -এটি একটি কৃত্রিম উপগ্রহভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা।
৫

হীরা অন্ধকারে চকচক করে কেন?

ব্যাখ্যা দেখুন ›অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন (total internal reflection) হলো সেই ঘটনা যখন আলো ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশের সময়ে দুই মাধ্যমের বিভেদতলে অভিলম্বের সাথে সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয় তখন আপতিত আলোকরশ্মির প্রায় সবটুকুই প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে। আলোর এই ধর্মকে অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন বলে। আলোর আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে কম হলে আলো প্রতিসরিত হয়, সমান হলে প্রতিফলিত রশ্মি দুই মাধ্যমের বিভেদতল ঘেঁষে যায়, আর বেশি হলে ঐ আলো পরবর্তী মাধ্যমে প্রবেশ না করে পূনরায় পূর্বের মাধ্যমে ফিরে আসে। হীরার উচ্চ প্রতিসরাঙ্কের কারণে এর ভীতর আলোর পূর্ণ প্রতিফলন ঘটে যার ফলে হীরা চকচক করে। তবে প্রশ্নানুযায়ী "অন্ধকারে" চকচক করা সম্ভব নয়, পূর্ণ প্রতিফলন ঘটার জন্য ন্যুনতম আলোর উৎস থাকতে হবে।
৬

ভিটামিন 'সি' এর রাসায়নিক নাম কী?

ব্যাখ্যা দেখুন ›-ভিটামিন-সি এর রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক অ্যাসিড । -এটি একটি জৈব অম্ল, যা শাকসবজি, ফল প্রভৃতিতে পাওয়া যায়। -যার রাসায়নিক সংকেত C₆H₈O₆ এটি সাদা দানাদার পদার্থ। -মানুষসহ বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য একটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। -ভিটামিন 'সি' ( অ্যাসকরবিক এসিড )- এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় । -তাছাড়া এর অভাবে শিশুদের মাড়ি ফুলে যায়, দেহের ওজন হ্রাস পায়, রক্তশূন্যতা হয়, দুর্বল লাগে এবং ক্ষত সারতে বা ভাঙ্গা হাড় জোড়া লাগতে দেরি হয়
৭

আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় কত?

ব্যাখ্যা দেখুন ›আলো সেকেন্ডে ১,৮৬,০০০ (এক লক্ষ ছিয়াসি হাজার) মাইল বা ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) কি:মি গতিতে ছুটে চলে। -এই গতিতে ছুটে চলে সূর্যের আলোর পৃথিবীতে পৌঁছাতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। -আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব অনুসারে, মহাকাশের মধ্য দিয়ে প্রচলিত পদার্থ বা শক্তি যে গতিতে ভ্রমণ করতে পারে তার উচ্চ সীমা হল আলোর গতি.
৮

মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে বলা হয় -

ব্যাখ্যা দেখুন ›মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসয়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে পরমাণু বলে। পরমাণুর বৈশিষ্ট্যসমূহ- ১. পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা বা একক। ২. সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কিছু কিছু মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। যেমন- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি। ৩. পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। ৪. একটি পরমাণুকে ভাঙলে ওই মৌলের আর কোন অস্তিত্বই থাকে না। উৎস: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯

ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র -

ব্যাখ্যা দেখুন ›সিসমোগ্রাফ - ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র । - ব্যারােমিটার - বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র। - সেক্সট্যান্ট - সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র। - ম্যানােমিটার - গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র। - ফ্যাদোমিটার - সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র। - ক্রোনােমিটার - সমুদ্রের দ্রাঘিমা নির্ণয়ের যন্ত্র বা সূক্ষ্মভাবে সময় পরিমাপ করার যন্ত্র। - জাইরাে কম্পাস - জাহাজের দিক নির্ণয়ের যন্ত্র। - এনিমোমিটার - বাতাসের গতিবেগ ও শক্তি পরিমাপক যন্ত্র।
১০

নিচের কোনটি বাংলাদেশে 'হোয়াইট গোল্ড' নামে পরিচিত?

ব্যাখ্যা দেখুন ›প্রতিবছর গলদা চিংড়ি রপ্তানির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্যে বাংলাদেশে গলদা চিংড়িকে সাদা সোনা বা হোয়াইট গোল্ড বলা হয়। - চিংড়ি রপ্তানি করে গত ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৪০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে। - চিংড়ি চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ায় দেশের খুলনা অঞ্চলকে বাংলাদেশের কুয়েত সিটি নামে ডাকা হয়। - দেশের অধিকাংশ চিংড়ি খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত। উল্লেখ্য। ২৪ এপ্রিল, ২০২২ বাগদা চিংড়ি(গলদা নয়) Geographical Indicators (GI) স্বীকৃতি পেয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা (NSI)-(ফিল্ড স্টাফ) - ১৬.০৬.২০২৩…