বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক) - ১৫.০৫.২০২৬ — প্রশ্ন ও সমাধান
প্রতিটি প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর ও ব্যাখ্যা একসাথে — সম্পূর্ণ ফ্রি।
Biwtc Officeassistant — previous year question solution with answer & explanation (free)
79প্রশ্ন
8বিষয়
উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ
100%ফ্রি
প্রশ্নসমূহ
প্রশ্ন ১–১০ / ৭৯
সব বিষয়ের প্রশ্ন
১
বিশ্বের দীর্ঘতম নদীর নাম কি?
ব্যাখ্যা দেখুন ›আফ্রিকা তথা বিশ্বের দীর্ঘতম নদী নীলনদ । এর দৈর্ঘ্য ৬৬৯০ কি.মি. । নদীটি ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপত্তি হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে এবং এটি আফ্রিকার ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। অন্যান্য নদীর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: • আমাজন: পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী। এটি আন্দিজ পর্বতমালা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। • কঙ্গো নদী: পৃথিবীর গভীরতম নদী।
২
চীনের দুঃখ নামে পরিচিত নদীর নাম কি?
ব্যাখ্যা দেখুন ›- হোয়াংহো এশিয়া ও চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। - এর অপর নাম পীত নদী (Yellow River) । - নদীটি চীনের দুঃখ নামে বেশি পরিচিত। প্রাচীন চীনে প্রায়ই এই নদীর পানি ছাপিয়ে উঠে আশপাশের সবকিছু ভাসিয়ে দিত বলে একে চীনের দুঃখ বলা হয়। - ইতিহাসে ২৬ বার এই নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে, যার ফলে চীনের জনগণের জীবনে নেমে এসেছে অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশা। - এর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ৫,৪৬৪ কিলোমিটার এবং এটি পীত সাগরে পতিত হয়েছে।
৩
BIWTC কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
ব্যাখ্যা দেখুন ›বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন সংস্থা (BIWTC) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে । এটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি সরকারি সংস্থা। সংশ্লিষ্ট আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: - বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB)-ও প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে । - স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৫৯ মোতাবেক পূর্ব পাকিস্তান পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (ইপিওয়াপদা) পানি উইং থেকে আলাদা হয়ে এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। - BWDB-এর সদর দপ্তর: পানি ভবন, ঢাকা । - এর মূল কাজ: বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী শাসন, সেচ ব্যবস্থাপনা এবং পানি সম্পদ উন্নয়ন।
৪
বাংলাদেশে মোট নদীর সংখ্যা কত?
ব্যাখ্যা দেখুন ›বাংলাদেশে মোট নদীর সংখ্যা ১৪১৫টি (তবে সাম্প্রতিক জরিপ ও সূত্রভেদে সংখ্যার ভিন্নতা রয়েছে)। নদী বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: - বাংলাদেশ-ভারত অভিন্ন নদী: ৫৪টি (যৌথ নদী কমিশনের তথ্যমতে)। - বাংলাদেশ-মিয়ানমার অভিন্ন নদী: ৩টি (সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও নাফ)। - বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক নদী: ১টি (পদ্মা/গঙ্গা)। - বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশকারী নদী: ১টি (কুলিক)। কয়েকটি নদীর মিলিত স্থান: - পদ্মা + মেঘনা = চাঁদপুর - পদ্মা + যমুনা = গোয়ালন্দ - সুরমা + কুশিয়ারা = আজমিরীগঞ্জ (কালনী নাম) - পুরাতন ব্রহ্মপুত্র + মেঘনা = ভৈরব বাজার - যমুনা + বাঙ্গালী = বগুড়া - রূপসা + ভৈরব = খুলনা
৫
নীলনদের তীর কোন শহরে অবস্থিত?
ব্যাখ্যা দেখুন ›- মিশরের রাজধানী কায়রো শহরটি নীলনদের তীরে অবস্থিত। - নীলনদ হলো বিশ্বের দীর্ঘতম নদী , যা আফ্রিকার একাধিক দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। - অপশনগুলোর মধ্যে সুদানের রাজধানী 'খার্তুম'ও নীলনদের তীরে অবস্থিত, তবে প্রধান শহর হিসেবে কায়রো সবচেয়ে বেশি পরিচিত। - অন্যদিকে, মাদ্রিদ স্পেনের রাজধানী এবং আলেকজান্দ্রিয়া মিশরের একটি বিখ্যাত সমুদ্রবন্দর শহর।
৬
ইউক্রেন এর রাজধানীর নাম কি?
ব্যাখ্যা দেখুন ›- ইউক্রেন ইউরোপ মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ । - দেশটির রাজধানী কিয়েভ । - ২৪ আগস্ট, ১৯৯১ সালে দেশটি সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) থেকে স্বাধীনতা লাভ করে । - এর আয়তন ৬,০৩,৬২৮ বর্গ কি.মি.।
৭
আয়তনে বিশ্বের তথা ইউরোপের সর্ববৃহৎ দেশের নাম কি?
ব্যাখ্যা দেখুন ›- আয়তনে বিশ্বের তথা ইউরোপের সর্ববৃহৎ দেশ রাশিয়া । - কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন যথাক্রমে বিশ্বের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বৃহত্তম দেশ ।
৮
জনসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
ব্যাখ্যা দেখুন ›জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA)-এর ২০২৩ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী: - জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম । - পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা প্রায় ৮০৪.৫০ কোটি । - জনসংখ্যায় বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারত । - শীর্ষ ৫ জনবহুল দেশ: ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান। - সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয় (ভারত ও পাকিস্তানের পর)।
৯
সুশাসনের মূল ভিত্তি কি?
ব্যাখ্যা দেখুন ›যে শাসন ব্যবস্থায় আইনের শাসন, দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং জনগণের অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক উপায়ে নিশ্চিত করা হয়, তাকে সুশাসন বলে। • সুশাসনের মূলভিত্তি হলো আইনের শাসন । এটি একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও বৈধ উপকরণ। • একটি দেশের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে আইনের শাসন থাকা আবশ্যক, কারণ এর মাধ্যমে স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা ও আধিপত্য রোধ করা সম্ভব হয়।
১০
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?
ব্যাখ্যা দেখুন ›বাংলাদেশের ভূ-গর্ভে কয়লা, কঠিন শিলা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাওয়া গেলেও প্রাকৃতিক গ্যাস হলো দেশের প্রধান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ। প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: - দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানার কাঁচামাল এবং শিল্প ও কলকারখানার জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার সর্বাধিক। - বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায় সিলেটের হরিপুরে । - ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়। - অর্থনৈতিক গুরুত্ব এবং বিপুল মজুদের দিক থেকে প্রাকৃতিক গ্যাসই বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে মূল ভূমিকা পালন করছে।
মোট ৭৯টি প্রশ্ন — প্রতিটির নির্ভুল উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার…