প্রতিটি প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর ও ব্যাখ্যা একসাথে — সম্পূর্ণ ফ্রি।
BCS Preli 29th — previous year question solution with answer & explanation (free)
99প্রশ্ন
8বিষয়
উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ
100%ফ্রি
প্রশ্নসমূহ
প্রশ্ন ১–১০ / ৯৯
সব বিষয়ের প্রশ্ন
১
বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ কয়টি ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। স্বরধ্বনি দ্যোতক সাংকেতিক চিহ্নকে বলা হয় স্বরবর্ণ। যেমন: অ, আ, ই ইত্যাদি। অন্যদিকে ব্যঞ্জনধ্বনি দ্যোতক সাংকেতিক চিহ্নকে বলা হয় ব্যঞ্জনবর্ণ। যেমন: ক, খ, গ ইত্যাদি। উল্লেখ্য, বাংলা বর্ণমালার ৫০টি বর্ণের মধ্যে ৩২টিতে পূর্ণমাত্রা, ৮টিতে অর্ধমাত্রা ও ১০টিতে কোনো মাত্রা ব্যবহৃত হয় না।
২
বাংলা সাহিত্যের আদি কবি কে ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য নিদর্শন চর্যাপদ। চর্যাপদে ২৩, মতান্তরে ২৪ জন কবি ছিলেন। চর্যাপদের পদসংখ্যা হলো ৫১টি। ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১নং পদের পদকর্তা হিসেবে লুইপার নাম পান। তাই, তার মতে বাংলা সাহিত্যের আদি কবি লুইপা। কিন্তু ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের আদি কবি হলো শবরপা।
৩
‘তৎসম’ শব্দের ব্যবহার কোন রীতিতে বেশি হয় ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›ক. বাংলা ভাষার লৈখিক রীতি দুটির একটি চলিত রীতি। চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। এ রীতি তদ্ভব শব্দবহুল। খ. যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। গ. বাংলা ভাষায় মিশ্র রীতির ব্যবহার নেই। ঘ. মৌখিক রীতির দুটি ভাগের একটি হলো আঞ্চলিক রীতি। বিভিন্ন অঞ্চলে আঞ্চলিক রীতির বিভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।
৪
বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেন কে ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›১৮২৬ সালে রাজা রামমোহন রায় ইংরেজিতে বাংলা ব্যাকরণ লেখেন। এরপর তিনি স্কুল বুক সোসাইটির জন্য ঐ গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করে নাম দেন ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ যা প্রকাশ হয় ১৮৩৩ সালে। আর এ গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ।
৫
ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থের নাম কি ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ। তিনি ছিলেন ইসলামী আদর্শের উজ্জ্বল প্রতীক। ‘সাত সাগরের মাঝি’ (১৯৪৪) তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। তার রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ ‘পাখির বাসা’ (১৯৬৫)-এর জন্য তিনি ১৯৬৬ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন। ‘হাতেমতায়ী’ তার রচিত কাহিনি কাব্য। ১৯৬৬ সালে ‘হাতেমতায়ী’ গ্রন্থের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন। আর ‘নৌফেল ও হাতেম’ (১৯৬১) তার কাব্যনাট্যের নাম।
৬
প্রাচীনতম বাঙালি মুসলমান কবি কে ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি ছিলেন আলাওল। • মধ্যযুগের উল্লেখযোগ্য মুসলিম কবি ছিল সৈয়দ সুলতান। • প্রাচীনতম বাঙালি মুসলমান কবি ছিলেন শাহ মুহম্মদ সগীর। তাঁর বিখ্যাত কাব্য “ইউসুফ জুলেখা”।
৭
‘ চাচা কাহিনী'র লেখক কে ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›সরস, মার্জিত বুদ্ধিদীপ্ত সাহিত্য ধারায় প্রবর্তক সৈয়দ মুজতবা আলী। ব্যঙ্গ ও রঙ্গ রসিকতায় তার গদ্য রচনা প্রদীপ্ত। সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত রম্যগল্প ‘চাচা কাহিনী’। দেশে বিদেশে (ভ্রমণকাহিনী) পঞ্চতন্ত্র (রম্যরচনা), শবনম (উপন্যাস) তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
৮
মুসলমান নারী জাগরণের কবি-
ব্যাখ্যা দেখুন ›ফজিলাতুন্নেছা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম ছাত্রী, যিনি গণিতে এম এ পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ছিলেন সমাজসেবী। বেগম রোকেয়া ছিলেন সাহিত্যিক, সমাজসেবী ও শিক্ষাব্রতী। তিনি আজীবন মুসলমান নারীদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারে কাজ করেছেন। তাকে বলা হয় মুসলিম নারী মুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ । সামসুন্নাহার ছিলেন সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ । তিনি বেগম রোকেয়ার সাথে নারী মুক্তি আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন।
৯
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর রচয়িতা কে ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ মধ্যযুগের প্রথম কাব্য এবং বড়ু চণ্ডীদাস মধ্যযুগের আদি কবি। তিনি ভাগবতের কৃষ্ণলীলা সম্পর্কিত কাহিনি অবলম্বনে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য রচনা করেন। ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনটি; কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই। এ কাব্যের মোট ১৩টি খণ্ড আছে।
১০
বাংলা কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ কোনটি ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ’ (১৭৩৫) মনোএল দ্য আসসুস্পসাঁউ নামক পর্তুগিজ খ্রিস্টান মিশনারি কর্তৃক রচিত বাংলা গদ্যগ্রন্থ। ১৭৪৩ সালে লিসবন শহর থেকে গ্রন্থটি রোমান লিপিতে মুদ্রিত হয়।
মোট ৯৯টি প্রশ্ন — প্রতিটির নির্ভুল উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ।