প্রতিটি প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর ও ব্যাখ্যা একসাথে — সম্পূর্ণ ফ্রি।
BCS Preli 32th — previous year question solution with answer & explanation (free)
106প্রশ্ন
8বিষয়
উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ
100%ফ্রি
প্রশ্নসমূহ
প্রশ্ন ১–১০ / ১০৬
সব বিষয়ের প্রশ্ন
১
‘বৃক্ষ’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›‘বৃক্ষ’ শব্দের সমার্থক শব্দ ‘বিটপী’। এর আরো কতিপয় সমার্থক শব্দ হলো – গাছ, শাখী, দ্রুম, মহীরুহ, তরু ,পাদপ ইত্যাদি। পক্ষান্তরে, ‘কলাপী’ হচ্ছে ময়ূর শব্দের, ‘নীরধি’ হচ্ছে ‘সাগর’ শব্দের এবং ‘অবনি’ হচ্ছে পৃথিবী’-এর সমার্থক শব্দ।
২
‘Subconscious’ শব্দটির বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো-
ব্যাখ্যা দেখুন ›‘Subconscious’ শব্দটির বাংলা পারিভাষিক শব্দ অবচেতন বা যেসব মানসিক ক্রিয়াকলাপ সম্বন্ধে মানুষ (পুরোপুরি) সচেতন থাকে না। অন্যদিকে (গ) ‘চেতনাহীন’ শব্দটির ইংরেজি ‘Unconscious’ ।
৩
কোনটি ইংরেজি শব্দ ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›'ম্যাজেন্টা' (Magenta ) শব্দটি ইতালীয়, যার অর্থ টকটকে লাল; (খ) পিস্তল পর্তুগিজ শব্দ; (গ) আলমারি পর্তুগিজ শব্দ ;(ঘ) 'কমা' (Comma ) ইংরেজি শব্দ , যা একটি যতিচিহ্ন।সুতরাং সঠিক উত্তর (ঘ) ।
৪
‘শূন্যপুরাণ’ রচনা করেছেন-
ব্যাখ্যা দেখুন ›‘শূন্যপুরাণ’ রামাই পণ্ডিত রচিত বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ। বাংলা সাহিত্যে ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে অন্ধকার যুগ বলা হয়। এ অন্ধকার যুগে তেমন কোনো সাহিত্য রচিত হয়নি। তবে রামাই পণ্ডিতের ‘শূন্যপুরাণ’, হলায়ুধ মিশ্রের ‘সেক শুভোদয়া’ এ যুগের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম। শ্রীকর নন্দীর রচনা ‘ভারত পাঁচালী’। বিজয় গুপ্ত মনসামঙ্গলের প্রাচীনতম কবি। বাংলায় চৈতন্যদেবের দ্বিতীয় জীবনীগ্রন্থের নাম ‘চৈতন্য মঙ্গল’, যা লোচন দাসের রচনা।
৫
কোন শব্দ গঠনে বাংলা উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›বাংলা ব্যাকরণে খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি। এগুলো হলো - অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু ও হা। সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি। এর মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি বাংলা ও সংস্কৃত উভয় উপসর্গে আছে। ‘অনাবৃষ্টি’ শব্দটি বাংলা ‘অনা’ উপসর্গ দ্বারা গঠিত।
৬
‘পালামৌ’ ভ্রমণকাহিনীটি কার রচনা ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›‘পালামৌ’ ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা কথাশিল্পী সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৪-১৮৯১)। তিনি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মধ্যমাগ্রজ। বঙ্গদর্শনে প্রকাশিত ‘পালামৌ’ সঞ্জীবচন্দ্রের শ্রেষ্ঠ রচনা । শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬-১৯৩৮)-এর উপন্যাস শ্রীকান্ত, চরিত্রহীন (১৯১৭), দেবদাস (১৯১৭), পল্লীসমাজ (১৯১৬), পথের দাবী (১৯২৬) ইত্যাদি। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘প্রথম আলো’। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৮-১৯৭১)-এর বিখ্যাত উপন্যাস ‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’ (১৯৪৭)।
৭
‘আলোছায়া’ পদটি কোন সমাসের অন্তর্গত ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›যে সমাসে দুই বা বহুপদ মিলে একপদ এবং প্রত্যেক পদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন- জায়া ও পতি = দম্পতি। আলো ও ছায়া = আলোছায়া, হাট ও বাজার = হাট-বাজার ইত্যাদি।
৮
কোনটি সাধিত শব্দ নয় ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›গঠনগত দিক থেকে বাংলা শব্দাবলী দুভাগে বিভক্ত - মৌলিক ও সাধিত। যে শব্দকে আর কোনোভাবে বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন- মা, লাল, তিন, হাত, পা, গোলাপ ইত্যাদি। যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা হলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায়, তাই সাধিত শব্দ। যেমন- দয়ালু, পানসা, ফুলেল, হাতল, জমিদার ইত্যাদি।
৯
‘দিবারাত্রির কাব্য’ কার লেখা উপন্যাস ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›‘দিবারাত্রির কাব্য’ (১৯৩৫) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা উপন্যাস। তার রচিত অন্যান্য উপন্যাস হলো- জননী (১৯৩৫), পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬), পুতুলনাচের ইতিকথা (১৯৩৬) ইত্যাদি।
১০
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গল্প কোনটি ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›‘পদ্মরাগ’ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত উপন্যাস। ‘পদ্মগোখরো’ একটি গল্প, যা কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক রচিত। কবি মালিক মুহাম্মদ জায়সীর হিন্দিকাব্য ‘পদুমাবৎ’ অবলম্বনে বাঙালি কবি আলাওল ‘পদ্মাবতী’ রচনা করেন।
মোট ১০৬টি প্রশ্ন — প্রতিটির নির্ভুল উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ।