প্রতিটি প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর ও ব্যাখ্যা একসাথে — সম্পূর্ণ ফ্রি।
BCS Preli 33th — previous year question solution with answer & explanation (free)
117প্রশ্ন
9বিষয়
উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ
100%ফ্রি
প্রশ্নসমূহ
প্রশ্ন ১–১০ / ১১৭
সব বিষয়ের প্রশ্ন
১
চর্যাপদ কোন ছন্দে লেখা ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›চর্যাপদের ভাষা মূলত প্রাচীন বাংলা। এর পদগুলো প্রাচীন কোন ছন্দে রচিত তা আজ বলা সম্ভব নয়। কারও মতে, চর্যাপদ চার মাত্রার চালভিত্তিক ষোল মাত্রার পাদাকুলক ছন্দ, কারও মতে, পজঝটিকা ছন্দ, কারও মতে, অপভ্রংশ-অবহট্ঠ রচনায় ব্যবহৃত ছন্দের অনুকরণ। তবে আধুনিক ছন্দের বিচারে চর্যাপদের পদগুলো মাত্রাবৃত্ত ছন্দে লেখা। মাত্রাবৃত্ত ছন্দঃ যে ছন্দে যুগ্মধ্বনি দু’মাত্রা ও অযুগ্ম ধ্বনি এক মাত্রা বিবেচিত হয় তাকে মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বলে। মাত্রাবৃত্ত রীতিতে গঠিত হলেও মাত্রাবৃত্তের বর্তমান সুনির্দিষ্ট গণনা পদ্ধতি এতে মানা হয় নি।
২
কবিওয়ালা ও শায়েরের উদ্ভব ঘটে কখন ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিপর্যয়ের মুখে কলকাতার হিন্দু সমাজে কবিওয়ালা ও মুসলিম সমাজে শায়েরদের উদ্ভব ঘটে। কবিওয়ালারা তৎকালীন বিশৃঙ্খল সমাজব্যবস্থায় যথেষ্ট খ্যাতি লাভ করেছিলেন। কবিওয়ালাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন: গোঁজলা গুই, হরু ঠাকুর, ভবানী বেনে, নিতাই বৈরাগী।
৩
‘কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ?’ – কার লেখা ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সদ্ভাবশতক’। তার রচিত উল্লেখযোগ্য পঙ্ক্তিগুলো হলো- (i) কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ? (ii) যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি। (iii) চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে ?
৪
কোন চরণটি সঠিক ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›উল্লিখিত চরণটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত ‘ধনধান্য পুষ্পভরা’ গানের অংশ। তার রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক হলো – প্রতাপসিংহ (১৯০৫), দুর্গাদাস (১৯০৬), মেবারপতন (১৯০৮), নূরজাহান (১৯০৮), সাজাহান (১৯০৯), চন্দ্রগুপ্ত (১৯১১) , সিংহল বিজয় (১৯১৬)।
৫
কোন বানানটি শুদ্ধ নয় ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›‘উর্দ্ধ’ –এর সঠিক বানান ‘ঊর্ধ্ব’।
৬
‘গৃহী’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ-
ব্যাখ্যা দেখুন ›'গৃহী' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো সন্ন্যাসী।
৭
Excise duty – এর পরিভাষা কোনটি ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›Excise duty – এর বাংলা পরিভাষা হল আবগারি শুল্ক।
৮
কোন বাক্যটি শুদ্ধ ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র (খ) –তে প্রদত্ত বাক্যটিই নির্ভুল। পক্ষান্তরে, (ক) গোপন- এর স্থলে গোপনীয়, (গ) সলজ্জিত –এর স্থলে ‘সলজ্জ’ এবং (ঘ) বাহুল্যতা –এর স্থলে ‘বাহুল্য’ হবে।
৯
‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা, সখিনা বিবির কপাল ভাঙল। ’ –এটি কোন বাক্য ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›একটি প্রধান বাক্যের সঙ্গে অঙ্গীভূত এক বা একাধিক খণ্ডবাক্য সাধারণভাবে বা কোনো অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সাপেক্ষ সর্বনাম দিয়ে যুক্ত হয়ে পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হলে তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। যেমন- ‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা সখিনা বিবির কপাল ভাঙল’ –এটি একটি মিশ্র বা জটিল বাক্য।