প্রতিটি প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর ও ব্যাখ্যা একসাথে — সম্পূর্ণ ফ্রি।
BCS Preli 34th — previous year question solution with answer & explanation (free)
108প্রশ্ন
7বিষয়
উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ
100%ফ্রি
প্রশ্নসমূহ
প্রশ্ন ১–১০ / ১০৮
সব বিষয়ের প্রশ্ন
১
‘চর্যাপদ’ কত সালে আবিষ্কৃত হয় ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›বাংলা ভাষার প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে আবিষ্কৃত হয়। বৌদ্ধ সহজিয়াগণের রচিত চর্যাপদ ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। চর্যার পুঁথিতে ৫১টি গান ছিল; যার সাড়ে ৪৬টি পাওয়া গেছে।
২
বাংলা সাহিত্যের পঠন-পাঠনের সুবিধার জন্য বা���লা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ।
ব্যাখ্যা দেখুন ›বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে প্রধানত তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে। যথা: ক. প্রাচীন বা আদি যুগ (৬৫০-১২০০) খ. মধ্যযুগ (১২০১-১৮০০) এবং গ. আধুনিক যুগ (১৮০১-বর্তমান পর্যন্ত)।
৩
মধ্যযুগের কবি নন কে ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›জয়নন্দী বা জয়নন্দীপা ‘চর্যাপদ’-এর তথা প্রাচীন যুগের কবি। তিনি চর্যাপদ-এর ৪৬নং পদের রচয়িতা। মধ্যযুগের প্রথম কাব্য ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মূল্যবান নিদর্শন ‘বৈষ্ণব পদাবলী’-এর অন্যতম দুই মহাকবি জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাস।
৪
বাংলা সাহিত্যে অন্ধকার যুগ বলতে -
ব্যাখ্যা দেখুন ›১২০১-১৩৫০ পর্যন্ত সময়কে অনেক সমালোচক বাংলা সাহিত্যের ‘অন্ধকার যুগ’ বলে মনে করেন। তাঁদের মতে, এই ১৫০ বছর বাংলা সাহিত্যে তেমন কোনো সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি হয়নি। তবে ত্রয়োদশ শতকের শেষের দিকে রামাই পণ্ডিতের ‘শূন্যপুরাণ’ ও হলায়ূধ মিশ্রের ‘সেক শুভোদয়া’ এই সময়ের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
৫
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যক্ষ কে ছিলেন ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›১৮০০ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে ১৮০১ খ্রিস্টাব্দে বাংলা বিভাগ খোলা হয়। উইলিয়াম কেরি স্বীয় যোগ্যতাবলে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যক্ষ হন। মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের একজন পণ্ডিত ছিলেন। তার রচিত গ্রন্থ ‘বত্রিশ সিংহাসন’, ‘হিতোপদেশ’, ‘রাজাবলি’ উল্লেখযোগ্য। উইলিয়াম কেরির সহকারী রামরাম বসু ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পাঠ্যপুস্তক প্রণেতাদের মধ্যে প্রথম ও প্রধান। তার রচিত গ্রন্থ ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’, ‘লিপিমালা’।
৬
‘বাংলা সাহিত্যের জনক’ হিসেবে কার নাম চির স্মরণীয় ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›‘বাংলা গদ্যের জনক’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা কবিতার জনক। রাজা রামমোহন রায় ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠাতা। মূল পরীক্ষার পঞ্চম অপশন "কেউই নন" ছিল নির্ধারিত সঠিক উত্তর; ৪-অপশন স্কিমায় সেটি বাদ দিয়ে উত্তর নেই-হিসেবে চিহ্নিত।
৭
মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয় কোনটি ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ ঘটান ‘তিলোত্তমাসম্ভব’ কাব্যগ্রন্থে। তার রচিত ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এবং ‘বীরাঙ্গনা’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ হিন্দি ‘বৈতাল পচ্চীসীর’ অনুবাদ। বিদ্যাসাগর এই গ্রন্থে সর্বপ্রথম যতি-চিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন।
৮
‘কুলীন কুল সর্বস্ব’ নাটকটি কার লেখা ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›‘কুলীনকুল সর্বস্ব’ নাটকটির রচয়িতা রামনারায়ণ তর্করত্ন। মাইকেলের রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক শর্মিষ্ঠা, কৃষ্ণকুমারী, পদ্মাবতী। দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক ‘নীল দর্পণ’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উল্লেখযোগ্য নাটক রক্তকরবী, ডাকঘর, বিসর্জন।
৯
‘নীল দর্পণ’ নাটকটির বিষয়বস্তু কি ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে নীলকরদের অত্যাচারে পীড়িত সাধারণ কৃষক-জীবনের মর্মন্তুদ ছবি ‘নীল দর্পণ’ নাটক প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটির ইংরেজি অনুবাদ করেন মধুসূদন দত্ত এবং তা প্রকাশ করেন রেভারেন্ড জেমস্ লঙ। উল্লেখযোগ্য চরিত্র : গোলক বসু, নবীন মাধব, তোরাপ, সাবিত্রী।
১০
‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসটি কার লেখা ?
ব্যাখ্যা দেখুন ›‘ঘরে বাইরে’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম উপন্যাস। এটি স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতি এর মূল উপজীব্য বিষয়। উল্লেখযোগ্য চরিত্র বিমলা, নিখিলেশ, সন্দ্বীপ।
মোট ১০৮টি প্রশ্ন — প্রতিটির নির্ভুল উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ।